বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০১৯, ০৯:৪৫ পূর্বাহ্ন

পাবনার ৫ টি আসনের বিজয়ী সাংসদেরা এবার মন্ত্রীসভায় জায়গা চান

বাকী বিল্লাহ (পাবনা)জেলা প্রতিনিধিঃ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পাবনার পাঁচটি আসনে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামীলীগের প্রার্থীরা।তাদের মধ্যে একজন পরপর পাঁচবার, তিনজন তিনবার ও একজন প্রথমবার বিজয়ী হয়েছেন। বিপুল ভোটে বিজয়ীরা এবার মন্ত্রীত্ব আশা করছেন।জেলা আওয়ামীলীগের পাঁচজন নেতার সাথে কথা বলে জানা গেছে, পাবনা-৪(ঈশ্বরদী-আটঘড়িয়া)আসনে পরপর চারবার বিজয়ের পর জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি শামসুর রহমান শরিফ ডিলুকে ভুমিমন্ত্রীর দ্বায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। এবার তিনি পঞ্চমবারের মতো বিজয়ী হয়েছেন। ফলে মন্ত্রীত্ব ধরে রাখতে চান। এদিকে জামায়াতকে হারিয়ে প্রথমবারেই স্বরাষ্ট্র-প্রতিমন্ত্রীর দ্বায়িত্ব পেয়েছিলেন পাবনা-১ (সাঁথিয়া-বেড়ার আংশিক) আসনের শামসুল হক টুকু।দ্বিতীয়বার বিজয়ী হওয়ার পর তাকে আর মন্ত্রীত্ব দেওয়া হয়নি।এবার তৃতীয়বারের মতো জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের হেভিওয়েট প্রার্থী আবু সাঈদকে হারিয়ে তিনি বিজয়ী হয়েছেন। এবার তিনি মন্ত্রীত্ব আশা করছেন।পাবনা-৩(ভাঙ্গুড়া-চাটমোহর-ফরিদপুর)আসনে পরপর তৃতীয়বার বিজয়ী হয়েছেন মকবুল হোসেন। তিনিও মন্ত্রীত্ব আশা করছেন। পাবনা-৫(সদর)আসনের প্রার্থী ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক গোলাম ফারুক প্রিন্স তিনবার জামায়াতকে হারিয়ে বিজয়ী হলেন।ফলে তিনি এবার মন্ত্রীত্ব পাওয়ার যোগ্যতা রাখেন বলে মনে করেন স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতারা। গত ২৭ ডিসেম্বর পাবনা সরকারি এডওয়ার্ড কলেজ মাঠে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামীলীগ সভাপতি শেখ হাসিনার সঙ্গে জেলা আওয়ামীলীগের নেতাদের ভিডিও কনফারেন্সেও এ দাবি ওঠে। সভানেত্রী মিষ্টি হেসে বলেন “পাবনায় তো মন্ত্রীত্ব দিই” বলে মন্তব্য করেন। জেলা আওয়ামীলীগের জ্যৈষ্ঠ সহ-সভাপতি রেজাউল রহিম লাল বলেন, একসময় পাবনা সদর জামায়াতের দখলে ছিল। গোলাম ফারুক পাবনাকে জামায়াত মুক্ত করেছেন। এছাড়া পাবনা জেলা সদরে কোন সাংসদকে কখনো মন্ত্রীত্ব দেওয়া হয়নি। ফলে এবার তারা মন্ত্রীত্ব আশা করছেন। নবনির্বাচিত সাংসদ গোলাম ফারুক বলেন, গত দশ বছরে দলের জন্য, নির্বাচনী এলাকার মানুষের জন্য যা করেছি, তার আমলনামা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতে। তার বিচারে আমার যোগ্যতা অনুসারে যদি তিনি মনে করেন আমাকে মন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া যায় তাহলে দেবেন। তিনি যেটা করবেন সেটাই আমি খুশি মনে গ্রহণ করবো।পাবনা-১(সাঁথিয়া-বেড়ার আংশিক) আসনটিতে স্বাধীনতার পর থেকে যিনিই নির্বাচিত হয়েছেন তিনিই মন্ত্রীত্ব পেয়েছেন। ফলে আসনটিতে পরপর তিনবার বিজয়ী ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু এবারও মন্ত্রীত্ব আশা করছেন। সাঁথিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বলেন, আবু সাঈদ ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করে আওয়ামীলীগের সঙ্গে প্রতারনা করেছেন।শামসুল হক টুকু এই প্রতারণার জবাব দিয়েছেন। ফলে তিনি মন্ত্রীত্ব পেতেই পারেন। পাবনার নাগরিক সমাজের আহবায়ক আব্দুল মতিন খান বলেন, পাবনা জেলা সদর বিগত ৫০ বছর মন্ত্রীত্ব থেকে বঞ্চিত।তাই জেলা সদর থেকে একজন মন্ত্রী পাবনাবাসীর দাবিতে পরিনত হয়েছে। জেলা সদরে মন্ত্রীত্ব দেওয়া হলে ঐতিহ্যবাহী এই জেলায় উন্নয়নের মাত্রা আরও বেগবান হবে।


©2014 - 2018. RajshahiNews24.Com . All rights reserved.
Design & Developed BY ThemesBazar.Com