মঙ্গলবার, ২৬ মার্চ ২০১৯, ০৬:৫২ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :

বেগম জিয়ার নাইকো দুর্নীতি মামলার চার্জ শুনানি ২০ ফেব্রুয়ারি

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে দায়ের করা নাইকো দুর্নীতি মামলার চার্জ শুনানির জন্য ২০ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) ফের দিন ধার্য করেছেন বিশেষ জজ আদালত।

আজ মঙ্গলবার (১২ ফেব্রুয়ারি) আংশিক শুনানি শেষে পুরান ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থাপিত ঢাকার ৯ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক শেখ হাফিজুর রহমান নতুন এ দিন ধার্য করেন।

গত ২১ জানুয়ারি মামলার আসামি ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের পক্ষে চার্জ শুনানি শেষ না হওয়ায় ৪ ফেব্রুয়ারি শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু এদিনও শুনানি শেষ করা সম্ভব হয়নি। পরে মঙ্গলবার শুনানির দিন ধার্য করা হয়। তবে এদিন আংশিক শুনানি নিয়ে পরবর্তী শুনানির জন্য ২০ ফেব্রুয়ারি দিন ঠিক করেন আদালতের বিচারক।

এর আগে কারা কর্তৃপক্ষ দুপুর ১২টা ২৫ মিনিটে খালেদা জিয়াকে কারাগার থেকে অস্থায়ী বিশেষ জজ আদালতে হাজির করেন। আদালত কক্ষে চুপচাপ বসেছিলেন তিনি।

নাইকো দুর্নীতি মামলার অপর আসামিরা হলেন- সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, সাবেক জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী এ কে এম মোশাররফ হোসেন, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব খন্দকার শহীদুল ইসলাম, ঢাকা ক্লাবের সাবেক সভাপতি সেলিম ভূঁইয়া, ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুন এবং জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাবেক সিনিয়র সহকারী সচিব সি এম ইউছুফ হোসাইন।

এ মামলায় পলাতক রয়েছেন আরো তিন আসামি। তারা হলেন- সাবেক মুখ্য সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, বাপেক্সের সাবেক মহা-ব্যবস্থাপক মীর ময়নুল হক ও নাইকোর দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট কাশেম শরীফ।

মামলার ১১ আসামির মধ্যে সাবেক সচিব শফিউর রহমান ২০১৮ বছরের ৫ মে মারা যাওয়ায় বর্তমানে আসামি সংখ্যা ১০ জন।

২০০৭ সালের ৯ ডিসেম্বর রাজধানীর তেজগাঁও থানায় খালেদা জিয়াসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন দুদকের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম।

পরে দুদকের সহকারী পরিচালক এস এম সাহেদুর রহমান ২০০৮ সালের ৫ মে এ মামলার চার্জশিট জমা দেন। এতে খালেদা জিয়াসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে, কানাডার কোম্পানি নাইকোর সঙ্গে অস্বচ্ছ চুক্তির মাধ্যমে রাষ্ট্রের প্রায় ১৩ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকার ক্ষতির অভিযোগ আনা হয়।

এদিকে পরবর্তীতে নাইকো ছাড়াও গ্যাটকো ও বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি দুর্নীতি মামলার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তা বাতিলের আবেদন জানিয়ে পৃথক রিট করেছিলেন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা।

এসব রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে দুর্নীতি মামলাগুলোর কার্যক্রম স্থগিত ও রুল জারি করেন হাইকোর্ট। কয়েক বছর ধরে স্থগিত থাকার পর মামলাগুলো সচলের উদ্যোগ নিয়ে রুল নিষ্পত্তির আবেদন জানায় দুদক।

এরই পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৭ সালের ২০ নভেম্বর দুদকের স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর মোশাররফ হোসেন কাজল বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ মামলার ১১ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আবেদন জানান।


©2014 - 2018. RajshahiNews24.Com . All rights reserved.
Design & Developed BY ThemesBazar.Com