বুধবার, ২৭ মার্চ ২০১৯, ০৪:২৮ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
স্বাধীনতা দিবসে দেশবাসীকে জয় উপহার দিলেন ফুটবলাররা নগরীতে নারীসহ অপহরনকারীচক্রের ৩ সদস্য আটক : অপহৃত ব্যাক্তি উদ্ধার রাজশাহী হোমিওপ্যাথিক কলেজের উদ্যোগে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত চাকুরীচ্যুত সেনা কর্মকর্তা কর্নেল মোঃ শহীদ উদ্দিন খান পর্বঃ ১ বিএনপি ১২ কাউন্সিলরের আওয়ামী লীগে যোগদান বিএনপির মধ্যে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সামর্থ্যের অভাব রয়েছে : তথ্যমন্ত্রী পরীক্ষা চলাকালে কোচিং খোলা থাকলে ব্যবস্থা : শিক্ষামন্ত্রী রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে পদ্মায় নিখোঁজ-১ রাজশাহীস্থ চাঁপাইনবাবগঞ্জ সমিতির উদ্যোগে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত শিবগঞ্জে আ.লীগের দু’গ্রুপের বাড়ি-ঘরে হামলা ভাঙচুর, ইউপি চেয়ারম্যান ও আ.লীগ নেতা কারাগারে

র‍্যাবকে কোপানোর হুমকি : নারী মাদক ব্যবসায়ী আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক : তিনি হবিগঞ্জের ইয়াবা সম্রাজ্ঞী। দুর্গম যোগাযোগ ব্যবস্থার সুযোগে নিজ বাড়িতেই গড়ে তুলেছিলেন ইয়াবা ক্রয়-বিক্রয় ও সেবনের অবাধ সাম্রাজ্য।সোমবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তার আস্তানায় অভিযান চালায় র‌্যাব-৯ শ্রীমঙ্গল ক্যাম্পের সদস্যরা। এসময় ইয়াবা সম্রাজ্ঞী হাসনা বেগম পালিয়ে যাওয়ার বদলে র‌্যাব সদস্যদের প্রতি হিংস্র হয়ে উঠেন। অকথ্য বাক্য বর্ষণ করেন র‌্যাবের উপর। শুধু তাই নয়, দা হাতে নিয়ে কোপানোর হুমকি দিয়ে র‌্যাব সদস্যদের ভয় দেখানোর পাশাপাশি ভুয়া র‌্যাব হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলাধীন উত্তর গজনাই গ্রামে বিছনা নদীর পাড়ে হাসনা বেগমের ভিটা। স্বামী রুয়েল মিয়ার মৃত্যুর পর সন্তানহীন এ নারী ইয়াবা ব্যবসাতেই পূর্ণ মনোযোগ দেন। বড় ডিলারদের কাছ থেকে দু’চার পিস কিনে খুচরা বিক্রি করতে করতে এক সময় নিজেই নিয়ন্ত্রণ করতে শুরু করেন হবিগঞ্জের ইয়াবা বাজার। ভাই শারজানকে সঙ্গে নিয়ে গড়ে তোলেন বিশাল ইয়াবা সিন্ডিকেট।

দীর্ঘকাল নির্বিঘ্নে ব্যবসায় চালিয়ে আসার পর সোমবার রাতে র‌্যাবের হাতে আটক হয়েছেন হবিগঞ্জের এই মাদক সম্রাজ্ঞী। র‌্যাব-৯ এর সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মো. আনোয়ার হোসেন শামীমের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। এ সময় র‌্যাবের উপস্থিতি আঁচ করতে পেরে ভাই সারজান পালিয়ে গেলেও ৫শ’ ৭০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ইয়াবা বিক্রয়ের মাধ্যমে প্রাপ্ত নগদ ১ লাখ ২৭ হাজার ৩৬৭ টাকাসহ আটক করা হয় তাকে। পাশাপাশি ধরা পড়েন তার দীর্ঘদিনের সহযোগী মিজানুর রহমানও। মিজানুর একই গ্রামের মৃত শরিয়ত মিয়ার ছেলে।

এ প্রসঙ্গে এএসপি আনোয়ার শামীম জানান, এর আগে বেশ কয়েকবার চেষ্টা করেও এ সিন্ডিকেটকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হচ্ছিল না। ‘ডাকাত ডাকাত’ বলে চিৎকার করে র‌্যাব সদস্যদেরকে স্থানীয় প্রতিরোধের মুখে ফেলার রেকর্ডও রয়েছে তাদের। অবশেষে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে ব্লকরেইড দিয়ে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা এবং এক সহযোগী সহ তাকে আটক করা সম্ভব হলো।


©2014 - 2018. RajshahiNews24.Com . All rights reserved.
Design & Developed BY ThemesBazar.Com