মঙ্গলবার, ২৬ মার্চ ২০১৯, ০৬:০৪ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :

নওগাঁর সাপাহারে ভূমি দস্যু কর্তৃক শিক্ষক নির্যাতনের অভিযোগ

নুর কুতুবুল আলম, স্টাফ করেসপনডেন্ট: নওগাঁর সাপাহারে শিক্ষক নির্যাতনের
অভিযোগ পাওয়া গেছে। জমিজমা সংক্রান্ত ও পূর্ব শত্রুতার জেরে মধ্যযুগীয়
কায়দায় লাঠি-শোটা,দেশীয় অস্ত্র দিয়ে শিক্ষকসহ পল্লীচিকিৎসকের উপর হামলা করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার গোয়ালা ইউনিয়নের কদমডাঙ্গা গ্রামে।
ঘটনা ও সাপাহার থানার মামলা সূত্রে জানা যায় গোয়ালা গ্রামের জালাল উদ্দীন প্রায় তিন দশক ধরে পৈত্রিক ও ক্রয় সূত্রে তিন একরের অধিক জমিজমা ভোগ দখল করে আসছিলেন।

সেই বুরো ফসলের জমিতে তাঁর পুত্ররা পানি সেচ দিতে গেলে একই গ্রামের ভূমি দস্যু ও লাঠিয়ালবাহিনী প্রধান রবিউল হক (৫৬), তোফাজ্জল (৪৮) উভয়ের পিতা মৃত হযরত আলী, রবিউল ইসলাম (৫১), রেজাউল হক (৫২) আঃ লতিফ (৫০)
সকলের পিতা মৃত আঃ সামাদসহ আরও কয়েকজন মিলে তাদের বেদম প্রহার করে।বিরামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক দেলোয়ার হোসেন ও তাঁর অপর ভাই পল­ী চিকিৎসক ফারুক আহম্মেদের আত্ম চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে দুস্কৃতকারীরা পালিয়ে যায়। তাদের সাপাহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি
করানো হয়। ঘটনার চার দিন পর গত ১১ মার্চ সাপাহার থানায় আহতদের বড় ভাই
গোয়ালা বালিকা বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নাজমুল হক ভূমি দস্যু ও লাঠিয়াল বাহিনীর প্রধান রবিউল হকসহ ৩৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
মামলা দায়েরের পর থেকে বিবাদীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠে। তাদের মিথ্যা নারী নির্যাতন মামলা ও প্রাণ নাশের হুমকি অব্যাহত রেখেছে বলে দাবী করেন জালাল উদ্দীনের পরিবার। প্রতিনিয়ত ঐ শিক্ষক পরিবার অজানা আতংকে সময় অতিবাহিত করছেন। শিশুসহ মহিলারা তাদের বাপ চাচা, স্বামীদের মারধরের পর থেকে বাড়ীর বাহিরে যেতেও ভয় পাচ্ছে। বাদীর অপর দুই ভাই রাজশাহী বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী তারাও মারধরের শিকার বড়ভাইদের দেখতে বাড়ী আসতে পারছে না, রবিউল গংদের হুমকি ধামকিতে।

সরেজমিন ঘোয়ালা কদমডাঙ্গা গ্রামে গিয়ে প্রতিপক্ষের লোকজনের কাছে জানতে চাইলে মারধরের কথা স্বীকার করে জানান, তারা আমাদের পাওয়ার ট্রিলার চুরি করে নিয়ে যাচ্ছিল তাই সামান্য মারধর করা হয়েছে।
দেলোয়ার মাষ্টার ও ফারুকের শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ফোলা, ফাঁপা, জখমের চিহ্ন দেখা গেছে।
মামলা রেকর্ড হলেও এখন পর্যন্ত কোন আসামী গ্রেপ্তার না হওয়ায় এলাকায়
মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। মামলার বাদী, নওগাঁ পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ
কামানা করেছেন। এ বিষয়ে সাপাহার থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শামসুল আলম শাহকে মুঠো ফোনে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি জানান, আসামী গেপ্তারে
আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।


©2014 - 2018. RajshahiNews24.Com . All rights reserved.
Design & Developed BY ThemesBazar.Com