সোমবার, ২১ অক্টোবর ২০১৯, ০৮:৪৫ পূর্বাহ্ন

ধর্ম
ইসলামের দৃষ্টিতে মৃত্যুর পর কুলখানি

ইসলামের দৃষ্টিতে মৃত্যুর পর কুলখানি

আমাদের সমাজে একটা রীতি প্রচলিত রয়েছে সেটা হলো- কোন ব্যক্তি যদি মারা যায়, তাহার মৃত্যুর চল্লিশ দিনের মাথায় বিশাল মজলিশের মাধ্যমে মেজবানের আয়োজন করা হয়। ইসলামি শরিয়তে এর কোন ভিত্তি

বিস্তারিত...

হজরত মুহাম্মদ সা: নিজ হাতে নির্মাণ করেছিলেন মসজিদটি

হজরত মুহাম্মদ সা: নিজ হাতে নির্মাণ করেছিলেন মসজিদটি

নিজস্ব প্রতিবেদক: নবীর মসজিদ। আরবিতে বলা হয় মসজিদে নববী। হজরত মুহাম্মদ সা: নিজ হাতে নির্মাণ করেন এ মসজিদ। মসজিদের নির্মাণকাজে সরাসরি অংশগ্রহণ করেন তিনি। অবস্থান সৌদি আরবের মদিনার কেন্দ্রস্থলে।  

বিস্তারিত...

মসজিদের মাইকে আজান শুনে ইফতারি করা উচিত?

মসজিদের মাইকে আজান শুনে ইফতারি করা উচিত?

নিজস্ব প্রতিবেদক: পবিত্র মাহে রমজানে রোজাদাররা মসজিদের আজান শুনে ইফতারি করেন। আসুন জেনে নেই কোন মসজিদের আজান শুনে একজন রোজাদারের ইফতার করা উচিত।   ইফতারের জন্য আজান শোনা শর্ত নয়।

বিস্তারিত...

বাংলাদেশের ইসলামের প্রচার ও প্রসারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান

বাংলাদেশের ইসলামের প্রচার ও প্রসারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশের মহান স্থপতি, একটি নতুন মানচিত্রের অমর রূপকার। বঙ্গবন্ধুছিলেন উদার চেতনার অধিকারী একজন খাঁটি মুসলমান। বঙ্গবন্ধুর পূর্ব পুরুষ শেখ আউয়াল ইসলাম প্রচারের উদ্দেশ্যে হযরতবায়জিদ বোস্তামী (রা.) এর শিষ্যত্ব গ্রহণ করে তাঁর  সাথে ভারতীয় উপমহাদেশে আসেন প্রথম। পরবর্তীতে তারই উত্তরপুরুষেরাবর্তমান গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়ায় বসতি স্থাপন করেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু হচ্ছেন ইসলাম প্রচারক শেখ আউয়ালেরসপ্তম বংশধর। বঙ্গবন্ধুর পিতা শেখ লুৎফর রহমান ছিলেন একজন সুফি চরিত্রের অধিকারী অন্যতম ধর্মপ্রাণ মুসলমান ওইসলামের প্রচার ও প্রসারের অন্যতম একজন ধারক। বঙ্গবন্ধু কখনও ইসলামকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করেননি। বাংলাদেশকে সকল ধর্মের সকল মানুষের জন্য শান্তির দেশহিসেবে গড়ে তুলতে তিনি ছিলেন সদা সচেষ্ট। তিনি তাঁর সংক্ষিপ্ত শাসনামলে ইসলামের প্রচার ও প্রসারে যে অসামান্য অবদানরেখেছেন তা মুসলিম বিশ্বে বিরল। তিনি যেমন একটি স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্রের মহান স্থপতি, তেমনি বাংলাদেশে সরকারিপৃষ্ঠপোষকতায় ইসলামের প্রচার-প্রসারের স্থপতিও তিনি। ইসলাম প্রচার-প্রসারে বঙ্গবন্ধুর অবদানসমূহের একটি সংক্ষিপ্ত বিবরণ নিচে উপস্থাপন করা হলো: ১) ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা: স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু বাংলাদশের রাষ্ট্রপ্রধানের দায়িত্ব নিয়ে এক দিকে যেমন যুদ্ধ-বিদ্ধস্তদেশকে পুনর্গঠনে মনোযোগ দিলেন অন্য দিকে সহী ইসলাম প্রচার, প্রসার এবং গবেষণার জন্য সরকারিভাবে ‘ইসলামিকফাউন্ডেশন’ প্রতিষ্ঠা করেন। বঙ্গবন্ধু প্রতিষ্ঠিত ইসলামিক ফাউন্ডেশন এখন সরকারি অর্থে পরিচালিত অন্যতম একটি বৃহৎইসলামিক সংস্থা। ১৯৭৫ সালের ২৮ মার্চ প্রতিষ্ঠিত ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রকাশনা বর্তমানে আন্তর্জাতিক ভাবেও স্বীকৃতিপাচ্ছে। ২) মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড পুনর্গঠন: ইসলামী আকিদাভিত্তিক জীবন গঠন ও দ্বীনি শিক্ষা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু মাদরাসাশিক্ষা বোর্ড পুনর্গঠন করেন। বঙ্গবন্ধুই প্রথম মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডকে স্বায়ত্তশাসন দিয়ে এর নাম রাখেন ‘বাংলাদেশ মাদরাসাশিক্ষা বোর্ড।’ জাগতিক শিক্ষার সাথে ধর্মীয় শিক্ষার সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে ধর্মীয় শিক্ষার আধুনিকীকরণের পাশাপাশি মাদরাসাশিক্ষার্থীদের জন্য উচ্চতর শিক্ষার দ্বার উন্মুক্ত করা এবং মাদরাসা শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সরকারি চাকরির নিশ্চয়তা ও যথাযথমর্যাদা নিশ্চিত করেছিলেন। ৩) টঙ্গীতে বিশ্ব ইজতেমার স্থান বরাদ্দ: বিশ্ব ইজতেমা শান্তিপূর্ণভাবে পালন  করার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসর্বপ্রথম স্থায়ী বন্দোবস্ত হিসেবে তুরাগ নদীর তীরবর্তী জায়গাটি প্রদান করেন। সে হতে অদ্যাবধি তাবলিগ জামাত ওই স্থানে বিশ্বইজতেমা পালন করে আসছে। টঙ্গীতে বঙ্গবন্ধু এই স্থান বরাদ্দের বদৌলতেই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের লক্ষ লক্ষ  মুসলিম এখানেসমবেত হয়ে ইসলামের  দ্বিতীয় বৃহৎ সম্মেলন করে যাচ্ছেন। এছাড়া তাবলিগ জামাতের কেন্দ্র নামে পরিচিত কাকরাইলমসজিদের সম্প্রসারণের দরকার হলে তখন রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে বঙ্গবন্ধু নির্দ্বিধায় কাকরাইল মসজিদকে সরকারি জায়গা বরাদ্দদিয়ে এর সম্প্রসারণের ব্যবস্থা করে দেন। ৪) হজ পালনের জন্য সরকারি অনুদানের ব্যবস্থা: পাকিস্তান আমলে হজযাত্রীদের জন্য কোনো সরকারি অনুদানের ব্যবস্থাছিল না। বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশে প্রথম হজযাত্রীদের জন্য সরকারি তহবিল থেকে অনুদানের ব্যবস্থা করেন। ফলেহজ পালনকারীদের আর্থিক সাশ্রয় হয়। বঙ্গবন্ধু শাহাদাত লাভের পর যারা ক্ষমতায় ছিলেন, তারা কথায় কথায় নিজেদেরইসলামের সেবক দাবি করলেও তাদের আমলে সরকারি অনুদান বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল। ৫) সীরাত মজলিশ প্রতিষ্ঠা: বঙ্গবন্ধুর দিকনির্দেশনা ও পৃষ্ঠপোষকতায় ঢাকায় সীরাত মজলিশ নামে একটি প্রতিষ্ঠান গঠন করাহয়। সীরাত মজলিশ ১৯৭৩ ও ১৯৭৪ সালে রবিউল আউয়াল মাসে স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম বৃহত্তর আঙ্গিকে ঈদে মিলাদুন্নবী(সাঃ) মাহফিল উদযাপনের কর্মসূচি গ্রহণ করে। সরকারপ্রধান হিসেবে বঙ্গবন্ধু বায়তুল মোকাররম মসজিদ চত্বরে মাহফিলেরশুভ উদ্বোধন করেছিলেন। ৬) বেতার–টেলিভিশনে ধর্মীয় অনুষ্ঠান প্রচার: বঙ্গবন্ধুর শাসনামলে তারই নির্দেশে সর্বপ্রথম বেতার ও টেলিভিশনে গুরুত্বেরসঙ্গে পবিত্র কোরআন ও তার তাফসীর এবং অন্যান্য ধর্মীয় অনুষ্ঠান প্রচার করার সুব্যবস্থা করেন। ৭) ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ), শবেকদর, শবেবরাত উপলক্ষ্যে সরকারি ছুটি ঘোষণা: ধর্মীয় দিবসসমূহ যথাযোগ্য মর্যাদায়পালনের উদ্দেশ্যে বঙ্গবন্ধুই প্রথম বাংলাদেশে সরকারি ছুটি ঘোষণা করেন এবং উল্লিখিত দিবসসমূহের পবিত্রতা রক্ষার্থে সিনেমাহল বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেন। ৮) মদ জুয়া নিষিদ্ধকরণ ও শাস্তির বিধান: ইসলামে মদ জুয়া সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ। ইসলামের এই বিধানের প্রতি সম্মানপ্রদর্শন করে স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু সরকারীভাবে আইন করে এসব অপকর্ম নিষিদ্ধ করেছিলেন এবং শাস্তির বিধান জারিকরেছিলেন। ৯) রাশিয়াতে প্রথম তাবলীগ জামাত প্রেরণের ব্যবস্থা: রাশিয়া তথা সোভিয়েত ইউনিয়নে বিদেশ থেকে কেউ গিয়ে ইসলামপ্রচারের সুযোগ পেত না। কিন্তু বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের সাথে রাশিয়ার সুসম্পর্কের সুযোগ নিয়ে ইসলাম প্রচারের জন্য সর্বপ্রথমতাবলীগ জামাতের একটি দল রাশিয়াতে প্রেরণের ব্যবস্থা করেন। এছাড়া জাতির জনক বঙ্গবন্ধু মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে ১৯৭৪ সালে লাহোরে অনুষ্ঠিত ইসলামীসম্মেলন সংস্থার (ওআইসি) অধিবেশনে যোগদান করেন এবং আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশকে এই সংস্থার অন্তর্ভুক্ত করার মধ্যদিয়েই বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর মাঝে বাংলাদেশের স্থান করে দেন। ইসলামের প্রচার ও প্রসারের ক্ষেত্রে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখমুজিবুর রহমানের যুগান্তকারী অবদানের কথা বাংলাদেশের ইতিহাসে চিরদিন স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।

বিস্তারিত...

হযরত সুলায়মান (আ.)-এর সমাধি, জিনদের তৈরি দেওয়াল ও পিলার

হযরত সুলায়মান (আ.)-এর সমাধি, জিনদের তৈরি দেওয়াল ও পিলার

নিজস্ব প্রতিবেদক: পবিত্র কোরআন শরিফের ২৭ নং সূরা আন-নামলের ১৭ নং আয়াতে বলা হয়েছে, ‘সুলায়মান (আ.)-এর জন্য মানুষ, জিন ও পাখিদের মধ্য থেকে এক বিশাল বাহিনী সমবেত করা হয়েছিল। তারা

বিস্তারিত...

রমজানে দোয়া কবুল হওয়ার সময়

রমজানে দোয়া কবুল হওয়ার সময়

রমজান মাস। মহান রাব্বুল আলামিন আল্লাহ তায়ালার কাছ থেকে চেয়ে নেয়ার মাস। যে যত বেশি চাইতে পারে, আল্লাহ তায়ালা তাকে তত বেশি দান করেন। রমজান মাসে আল্লাহর অফুরন্ত অনুগ্রহ লাভের

বিস্তারিত...

এ বছর ফিতরা সর্বনিম্ন ৭০ টাকা, সর্বোচ্চ ১৯৮০

এ বছর ফিতরা সর্বনিম্ন ৭০ টাকা, সর্বোচ্চ ১৯৮০

নিজস্ব প্রতিবেদক: এ বছর ব্যক্তিপ্রতি সর্বনিম্ন ফিতরা ৭০ টাকা ও সর্বোচ্চ এক হাজার ৯৮০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় ফিতরা কমিটি ব্যক্তিপ্রতি ফিতরার ওই পরিমাণ নির্ধারণ করে বলে ইসলামিক

বিস্তারিত...

তাহাজ্জুদে যে দোয়া পড়তেন রাসুলুল্লাহ (সা.)

তাহাজ্জুদে যে দোয়া পড়তেন রাসুলুল্লাহ (সা.)

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাসুলুল্লাহ (সা.) প্রতি রাতে তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ে মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করতেন। তাহাজ্জুদ নামাজ আল্লাহর সান্নিধ্য লাভের জন্য সেতুর মতো।   প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম

বিস্তারিত...

রমজানুল মোবারক রুহ শক্তিশালী হয় সংযমে

রমজানুল মোবারক রুহ শক্তিশালী হয় সংযমে

নিজস্ব প্রতিবেদক: রমজান মাসকে তিন ভাগে ভাগ করে এর তিনটি মর্যাদা ও কল্যাণের কথা হাদিসে বর্ণিত হয়েছে। আউয়ালুহু রাহমাতুন আওসাতুহু মাগফিরাতুন আখেরুহু ইতক্বুম মিনান্নারি। প্রথম দশক রহমতের, মাঝের দশক ক্ষমার, শেষের

বিস্তারিত...

রমজানের মহিমা এবং এর পবিত্রতা রক্ষায় গৃহীত পদক্ষেপ

রমজানের মহিমা এবং এর পবিত্রতা রক্ষায় গৃহীত পদক্ষেপ

নিউজ ডস্কে: ইসলামের প্রধান পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে অন্যতম একটি স্তম্ভ হল রোজা। আরবী ১২ মাসের মধ্যে সব থেকে বরকতের মাস হচ্ছে রমজান মাস। এই রমজান মাসের বরকতের উছিলায় এক মাসের

বিস্তারিত...

©2014 - 2019. RajshahiNews24.Com . All rights reserved.
Design & Developed BY ThemesBazar.Com