মঙ্গলবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৮, ০৬:১৯ পূর্বাহ্ন

মুক্তিযুদ্ধে বিরামপুর মুক্তদিবস

আকরাম হোসেন বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি: দিনাজপুরের বিরামপুরে মুক্তিযুদ্ধে বিরামপুর মুক্তদিবস উপলক্ষে মুক্তিযোদ্ধা সাংসদ ও বিরামপুর প্রেসক্লাব, নিউজ ডায়েরী আয়োজনে র‌্যালী ও  আলোচনা সভা আয়োজন করা হয়। এ সময় বীর মুক্তিযোদ্ধা লুৎফর রহমানের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তৌহিদুর রহমান,
পৌর মেয়র আলহাজ্ব লিয়াকত আলী সরকার টুটুল, সিনিয়র এএসপি মিথুন
সরকার, অধ্যক্ষ শিশির কুমার, অধ্যক্ষ ফরহাদ হোসেন, কৃষি কর্মকর্তা নিকছন চন্দ্র পাল, বিরামপুর দুর্নীতি দমন কমিশনের সভাপতি এ.কে.এম শাহাজাহান আলী, প্রেস ক্লাবের সভাপতি আকরাম হোসেন, সাধারণ
সম্পাদক মাহমুদুল হক মানিক প্রমুখ।

এসময় বক্তারা ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও বিরামপুর মুক্ত হওয়ার ইতিহাস তুলে ধরেন। উল্লেখ্য যে,৬ই ডিসেম্বর ১৯৭১ এর মহান মুক্তিযুদ্ধে আমাদের বিরামপুর উপজেলার রয়েছে এক গৌরবগাঁথা ইতিহাস। তৎকালীন ৭নং সেক্টরের মেজর নাজমুল হুদা ও মেজর নুরুজ্জামানের নেতৃত্বে ভারতের তরঙ্গপুর সেক্টরে দেশ মাতৃকার টানে ২৮০ জন মুক্তিযোদ্ধা প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। অতঃপর সু-দীর্ঘ ৯ মাস প্রাণপন যুদ্ধ করে বীর মুক্তিযোদ্ধারা বিরামপুরবাসীকে সাথে নিয়ে ১৯৭১ সালে ৬ই ডিসেম্বর পাক হানাদার বাহিনীর কবল থেকে আমাদের বিরামপুরকে শত্রæমুক্ত করেন। এতে অত্র উপজেলার ২০ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন। পঙ্গু হন ০২ জন এবং যুদ্ধে মারাতœক ভাবে আহত হন ১৩ জন মুক্তিযোদ্ধা। বিরামপুরের গোহাটির কুয়া, ঘাটপাড় ব্রীজ, ২নং রাইচ মিলের কুয়া,
পূর্বজগন্নাথপুরে আব্দুল ওয়াহেদের বাগান বাড়ী, ৪নং রাইচ মিলের কূয়া বদ্ধভূমি হিসেবে পরিচিত। যুদ্ধ চলাকালীন পাক হানাদারবাহিনী গণহত্যা করে শহীদদের লাশ এইসব স্থানে পুঁতে রাখে। আজো নির্মিত হয়নি কোথাও স্মৃতিস্তম্ভ। এখন পর্যন্ত সরকারী স্বীকৃতি পাওয়া যায়নি উল্লেখ্য যে,বিরামপুরের কেটরা হাট নামক স্থানে ১৯৭১ সালে মুক্তিযোদ্ধা ও পাকসেনাদের যুদ্ধে ৭জন পাকসেনা এবং ১৬ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা মারা যাওয়ার পর ৬ই ডিসেম্বর বিরামপুর উপজেলা শত্রুমুক্ত হয়।


©2014 - 2018. RajshahiNews24.Com . All rights reserved.
Design & Developed BY ThemesBazar.Com