শনিবার, ০৮ মে ২০২১, ০২:৩৬ অপরাহ্ন

নওগাঁয় ভ্যাপসা গরমে ডাবের চাহিদা বেড়ে যাওয়াই দামে আগুন

নওগাঁ প্রতিনিধি
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২ মে, ২০২১
নওগাঁয় ভ্যাপসা গরমে ডাবের চাহিদা বেড়ে যাওয়াই দামে আগুন

নওগাঁ ও তার আশেপাশের অ ল দিয়ে বয়ে যাচ্ছে তীব্র দাবদাহ। তাই এই ভ্যাপসা গরমে বেড়েছে ডাব ও তরমুজসহ অন্যান্য ফলমূলের কদর। একদিকে বৈশাখের তীব্র দাবদাহ অন্যদিকে পবিত্র রমজান মাস। তাই বাজারে বিভিন্ন রকমের মৌসুমী ফলের মজুদ থাকলেও এই দুই কারণে বেড়েছে ডাব, তরমুজ ও অন্যান্য ফলমূলের দাম। বর্তমানে ডাবের দাম সাধারন মানুষদের নাগালের বাহিরে।

প্রতিদিনই নওগাঁর মুক্তির মোড়, ডাবপট্টিসহ শহরের বিভিন্ন মোড় ও সান্তাহার পৌর শহরের রেলগেট এলাকায় বিকেলের পর থেকেই এসব ডাবের দোকানে ডাবের একটু স্বস্তির পানি খেতে ভিড় দেখা যায় ক্রেতাদের। এছাড়াও মৌসুমী দোকানদারদের ভ্যানগাড়ী করে বিভিন্ন রাস্তার মোড়ে কিংবা গ্রাম ও পাড়া মহল্লায় ফেরি ডাবসহ অন্যান্য ফল বিক্রি করতে দেখা যাচ্ছে। তবে রমজান মাস হওয়ায় ইফতারের খাবারের তালিকায় শরীরকে একটু সতেজ করার জন্য শরবতের পাশাপাশি গুরুত্ব পাচ্ছে ডাবের পানি। বর্তমানে বাজারে ডাবের সর্বনিম্ম দাম হচ্ছে ৬০টাকা। আর সর্বোচ্চ দাম হচ্ছে ১০০-১১০টাকা।

ক্রেতা মিজান বলেন, সারাদিন রোজা রেখে ডাবের পানি দিয়ে ইফতার করতে ভালো লাগে। তাই ডাব কিনতে এসেছি। কিন্তু যে সব ডাব কিছুদিন আগেও ৩০টাকা কিনেছি সেই ডাব এখন কিনতে হচ্ছে ৬০টাকায়। দাম যদিও দ্বিগুন নেওয়া হচ্ছে তবুও ইফতারে সময় শরবতের পাশাপাশি ডাবের পানি শরীরের জন্য অনেক উপকারী বলেই ডাব কিনছি। নিম্ম কিংবা মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষদের পক্ষে এতো দাম দিয়ে ডাব কিনে খাওয়া সম্ভব নয়। তবে এই সব পন্যের দোকানে প্রশাসনের নিয়মিত মনিটরিং করা উচিত।

সান্তাহার রেলগেইটের ডাব বিক্রেতা আসলাম হোসেন জানান, দেশের বিভিন্ন মোকামে ডাবের দাম অনেক বেশি। তাই বেশি দামে কিনে বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। তাছাড়া এই সময় ডাবের সরবরাহ একটু কম থাকায় দামও একটু বেশি হয়। এছাড়া প্রচন্ড গরমের কারণে ডাবের চাহিদা বেড়ে যাওয়াই ডাবের মূল্যও বৃদ্ধি হয়েছে। যদি মোকামগুলোতে ডাবের সরবরাহ বেশি থাকতো তাহলে দামও অনেক কম হতো। তবে একটু বৃষ্টি হলেই ডাবের দাম কমে যাবে বলে তিনি মনে করেন।

রাণীনগর বাজার বণিক সমিতির সাধারন সম্পাদক খোকন হোসেন জানান এই সময়ে ডাবের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়াই কিছু অসাধু ব্যবসায়ীরা অবৈধ ভাবে পন্য মজুদ রেখে বাদ বাড়িয়ে দেয়। এই সমস্যা থেকে উত্তোরনের জন্য প্রশাসনকে নিয়মিত বাজার মনিটরিং কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে হবে। তা না হলে শুধু ডাবেই নয় সকল পন্যের ক্ষেত্রে এমন অরাজকতা দিন দিন বৃদ্ধিই পাবে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Archives

SatSunMonTueWedThuFri
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031    
       
  12345
2728     
       
      1
       
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
2930     
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031     
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
©2014 - 2020. RajshahiNews24.Com . All rights reserved.
Theme Developed BY ThemesBazar.Com