মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০৩ পূর্বাহ্ন

নওগাঁয় ১৫০কোটি টাকার আউশ ধান উৎপাদনের সম্ভাবনা

আব্দুর রউফ রিপন, নওগাঁ প্রতিনিধি:
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১৯ আগস্ট, ২০২১
নওগাঁয় ১৫০কোটি টাকার আউশ ধান উৎপাদনের সম্ভাবনা

উত্তরের খাদ্য ভান্ডার হিসেবে পরিচিত জেলা নওগাঁ। এই জেলায় উৎপাদিত চালের সুনাম দেশের গন্ডি পেরিয়ে বিদেশেও রয়েছে। ধান ও চাল উৎপাদনে জেলার শীর্ষ উপজেলা হচ্ছে মহাদেবপুর। আদিকাল থেকেই ধান নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার প্রধান অর্থকরী কৃষিপণ্য হিসেবে অর্থনীতিতে মূখ্য ভ’মিকা রেখে আসছে। এখানকার মানুষের অন্যতম আয়ের উৎস ধান ও চাল।

দেশের উত্তরাঞ্চলের অন্যতম ধান উৎপাদনকারী এ উপজেলায় বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে আউশের আবাদ হয়েছে। চলতি মৌসুমে ৬৫হাজার ৬০০মেট্টিকটন ধান উৎপাদন হবে বলে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে কৃষি বিভাগ। যার আনুমানিক বাজার মূল্য ১৫০কোটি ৮৮লাখ টাকা। বর্তমানে শেষ মূহুর্তের পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন আউশচাষীরা। ইতিমধ্যেই কৃষি বিভাগ জেলার রাণীনগর উপজেলায় আনুষ্ঠানিক ভাবে আউশ ধান কর্তন করেছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ কিংবা কোন বিপর্যয় না ঘটলে কৃষকের বাড়ির আঙ্গিনা ভড়ে উঠবে সোনালী ধানের হাসিতে। আগামী ১০-১২ দিনের মধ্যে কাটা-মাড়াই শুরু হবে। নতুন ধান উঠবে কৃষকের গোলায়। গৃরস্থ আর কৃষাণ-কৃষাণীরা গোলা, খলা ও আঙ্গিনা পরিষ্কার করায় ব্যস্ত। কৃষকরা বলছে, আউশ চাষ বৃষ্টিনির্ভর হওয়ায় সেচ খরচ লাগে না। সার-কীটনাশকও খুবই কম প্রয়োগ করতে হয়। ফলে তুলনামূলক খরচ কম, লাভ বেশি।

উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, খারিপ-১/ ২০২১-২০২২ মৌসুমে উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের ৩০টি ব্লকে ১৩ হাজার ১২০হেক্টর জমিতে আউশের আবাদ হয়েছে। এ পরিমান জমি থেকে ধান উৎপাদন হবে ৬৫হাজার ৬০০ মেট্টিকটন। আউশ চাষ বৃদ্ধির লক্ষে কৃষি বিভাগ প্রণোদনা হিসেবে বিনামূল্যে ১হাজার ৫০০ জন কৃষকের প্রত্যেককে পাঁচ কেজি বীজ, ২০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি সার সরবরাহ করেছে। এছাড়া চষীদের উদ্বুদ্ধ করতে রাজস্ব অর্থায়নে ১৫টি প্রদর্শনীও স্থাপন করেছে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।

উপজেলার সিদ্দিকপুর এলাকার কৃষক রহমত আলী, খাইরুল ইসলাম ও তোফাজ্জল হোসেন বলেন, ক্ষেতে রোগ-বালাই ও পোকা মাকড়ের তেমন আক্রমণ লক্ষ্য করা যায়নি। যার কারণে চলতি মৌসুমে বাম্পার ফলনের আশা করা যাচ্ছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে কাটা-মাড়াই শুরু হবে। এবারও অধিক ফলন হবে বলে আশা করছেন তারা।

মহাদেবপুর উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ অরুন চন্দ্র রায় বলেন, মাঠ পর্যায়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা আউশ আবাদে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করছে। ভূগর্ভস্থ পানির অপচয় রোধ করে বৃষ্টির পানি কাজে লাগিয়ে আউশ আবাদ জনপ্রিয় করতে কৃষি মন্ত্রণালয় বিভিন্ন পরিকল্পনা নিয়েছে। কৃষকরা যাতে অল্প খরচে াধিক লাভবান হতে পারেন এবং কোন সমস্যায় না পড়েন এ জন্য কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে সার্বক্ষণিক নজর রাখা হচ্ছে। এবারও বাম্পার ফলন হবে বলে আশা করছেন তিনি।

 

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Archives

SatSunMonTueWedThuFri
    123
18192021222324
252627282930 
       
  12345
2728     
       
      1
       
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
2930     
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031     
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
©2014 - 2020. RajshahiNews24.Com . All rights reserved.
Theme Developed BY ThemesBazar.Com