বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০২:৩৭ অপরাহ্ন

হাজারো সম্ভাবনার দুয়ার খুলছে ‘বঙ্গবন্ধু টানেল’

নিউজ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২১
২০২২ সালে দেশের বহুল প্রত্যাশিত বেশ কয়েকটি মেগা প্রকল্প চালু হতে যাচ্ছে। এসব প্রকল্পের মধ্যে অন্যতম ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল’। চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তলদেশে এই টানেল নির্মিত হচ্ছে।

২০২২ সালে দেশের বহুল প্রত্যাশিত বেশ কয়েকটি মেগা প্রকল্প চালু হতে যাচ্ছে। এসব প্রকল্পের মধ্যে অন্যতম ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল’। চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তলদেশে এই টানেল নির্মিত হচ্ছে।

টানেল চালু হলে বাণিজ্যিক যোগাযোগ ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে। টানেলকে ঘিরে দেশের নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনার দুয়ার খুলবে। সেই সঙ্গে হাজারো সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে প্রত্যাশা করছে সরকার।

মহামারি করোনার থাবায় কাজের গতি কিছুটা কমলেও এখন চলছে পূর্ণ গতিতে। নির্ধারিত সময়ে মধ্যে প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রযুক্তিবিদ, প্রকৌশলী, নির্মাণ শ্রমিকসহ সংশ্লিষ্টরা বিরতিহীনভাবে কাজ করছেন। ইতিমধ্যেই টানেলের তিন চতুর্থাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে বলে প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী বছর জুন থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে ‘বঙ্গবন্ধু টানেল’ উদ্বোধন করবেন বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। এরপরই টানেল যান চলাচলের জন্য খুলে দেয়া হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দেশের করোনা সংক্রমণ কমে আসায় কাজের গতি বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ করতে অর্থায়নের কোনো সমস্যা না হয়, সেজন্য অর্থ বিভাগসহ সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনাও দিয়েছেন তিনি।

প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, এরই মধ্যে কাজের গতি বাড়ানোর জন্য বাড়তি জনবল নিয়োগ করা হয়েছে। একই সঙ্গে কাজ এগিয়ে নিতে অত্যাধুনিক নানা যন্ত্রপাতি, মেশিনারিজ সংযুক্ত করা হয়েছে। ফলে কাজের গতি অনেকটাই বেড়েছে।

কর্ণফুলী টানেলের প্রকল্প পরিচালক হারুনুর রশিদ চৌধুরী বলেন, টানেলের নির্মাণকাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। করোনায় কিছু প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হলেও এখন কাজের গতি বাড়িয়ে ক্ষতি পুষিয়ে নেয়া হচ্ছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে টানেলের ভেতর দিয়ে গাড়ি চলাচলের লক্ষ্য নিয়েই কাজ এগিয়ে নেয়া হচ্ছে।

যেমন হবে ‘বঙ্গবন্ধু টানেল’

চার লেন বিশিষ্ট দুটি টিউব সম্বলিত ৩ দশমিক ৪ কিলোমিটার কর্ণফুলী নদীর তলদেশ দিয়ে টানেল নির্মিত হচ্ছে। নদীর তলদেশে প্রতিটি টিউব চওড়া ১০ দশমিক ৮ মিটার বা ৩৫ ফুট এবং উচ্চতা ৪ দশমিক ৮ মিটার বা অন্তত ১৬ ফুট। একটি টিউব থেকে অপর টিউবের পাশাপাশি দূরত্ব অন্তত ১২ মিটার। টানেলের প্রস্থ ৭০০ মিটার এবং দৈর্ঘ্য তিন হাজার ৪০০ মিটার। এছাড়া টানেলের পশ্চিম ও পূর্ব প্রান্তে ৫ দশমিক ৩৫ কিলোমিটার এপ্রোচ রোড এবং ৭২৭ মিটার ওভার ব্রিজ সম্পন্ন টানেলটি চট্টগ্রাম শহরের সঙ্গে আনোয়ারা উপজেলাকে সংযুক্ত করবে।

প্রকল্পের ফিজিবিলিটি স্টাডি প্রতিবেদন অনুযায়ী, কর্ণফুলী টানেল চালুর প্রথম বছর ৬৩ লাখ গাড়ি টানেলের নিচ দিয়ে চলাচল করবে। যেটি ক্রমান্বয়ে বাড়তে বাড়তে দেড় কোটিতে গিয়ে দাঁড়াবে। চালুর প্রথম বছরে চলাচলকারী গাড়ির প্রায় ৫১ শতাংশ হবে কনটেইনার পরিবহনকারী ট্রেইলর ও বিভিন্ন ধরনের ট্রাক ও ভ্যান। বাকি ৪৯ শতাংশের মধ্যে ১৩ লাখ বাস ও মিনিবাস। আর ১২ লাখ কার, জিপ ও বিভিন্ন ছোট গাড়ি চলাচল করবে।

অর্থনৈতিক সম্ভাবনা

টানেল প্রকল্পকে ঘিরে দক্ষিণ চট্টগ্রামে ইকোনমিক জোনসহ বিশাল অর্থনৈতিক কর্মযজ্ঞ চলছে। চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত কোরিয়ান রপ্তানি প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল (কেইপিজেড),বেসরকারি খাতে সবচেয়ে বড় সার কারখানা (কাফকো), চট্টগ্রাম ইউরিয়া সার কারখানা লিমিটেডে (সিইউএফএল) এবং চট্টগ্রাম বন্দর কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হচ্ছে।

এছাড়া কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ীতে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগে কয়লা ভিত্তিক তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র, এলএনজি স্টেশনসহ বহুবিধ শিল্পকারখানা গড়ে উঠছে।

মিয়ানমার হয়ে প্রস্তাবিত এশিয়ান হাইওয়ের সঙ্গে সংযুক্তিসহ ৭টি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছে টানেল নির্মাণের কাজ। টানেল নির্মাণে চট্টগ্রাম শহরসহ সারাদেশের সঙ্গে দক্ষিণ চট্টগ্রামের তথা কক্সবাজার-টেকনাফ পর্যন্ত যোগাযোগ ব্যবস্থার সহজতর করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

মূলত কর্ণফুলী টানেলকে ঘিরে চীনের সাংহাই সিটির মতো চট্টগ্রামে গড়ে তোলা হচ্ছে ‘ওয়ান সিটি টু টাউন’। এতে উন্মোচিত হতে যাচ্ছে নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনার দ্বার। যার ফলে এ অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রা বদলে যাবে।

জিডিপিতে ইতিবাচক প্রভাব

কর্ণফুলী টানেল নির্মিত হলে এলাকার আশে পাশে শিল্পোন্নয়ন, পর্যটন শিল্পের বিকাশ এবং সহজ যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং রপ্তানি বৃদ্ধি পাবে। ফলে দারিদ্র দূরীকরণসহ দেশের ব্যাপক আর্থসামাজিক উন্নয়ন সাধিত হবে।

ডিপিপি অনুযায়ী, প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ফিনান্সিয়াল ও ইকোনোমিক আইআরআর এর পরিমাণ দাঁড়াবে যথাক্রমে ৬ দশমিক ১৯ শতাংশ এবং ১২ দশমিক ৪৯ শতাংশ। এছাড়া ফিনান্সিয়াল ও ইকোনোমিক ‘বেনিফিট কস্ট রেশিও (বিসিআর)’ এর পরিমাণ দাঁড়াবে যথাক্রমে ১ দশমিক শূন্য ৫ এবং ১ দশমিক ৫। ফলে কর্ণফুলী টানেল নির্মিত হলে জিডিপিতে ব্যাপক ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

প্রকল্পের উদ্দেশ্য

কর্ণফুলী নদী দেশের বাণিজ্যিক নগরী চট্টগ্রামকে দুইভাগে বিভক্ত করেছে। এই নদীর উপর ইতোমধ্যে তিনটি সেতু নির্মিত হলেও গুরুত্বপূর্ণ এ অঞ্চলের জন্য তা যথেষ্ট নয়। এছাড়া কর্ণফুলী নদীর উপর সেতু নির্মাণে তলদেশে পলি জমে সমস্যা তৈরি করে যা চট্টগ্রাম বন্দরের জন্য বড় হুমকি। এই সমস্যার মোকাবিলায় কর্ণফুলীতে নতুন কোনো সেতু নির্মাণ না করে তলদেশে টানেল নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়।

জানা গেছে, ২০০৮ সালে কর্ণফুলী নদীর তলদেশে দেশের প্রথম টানেল নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরে টানেল নির্মাণের জন্য ২০১৪ সালের ১০ জুন প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বেইজিংয়ে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। পরে ২০১৬ সালের অক্টোবরে চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। এরপর ২০১৯ সালে ২৪ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় টানেল প্রকল্প এলাকার কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ডে সুইচ টিপে আনুষ্ঠানিকভাবে খনন কাজের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

বঙ্গবন্ধু টানেল প্রকল্পটি বাংলাদেশ ও চীন সরকারের (জি টু জি) যৌথ অর্থায়নে সেতু কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে বাস্তবায়ন হচ্ছে। প্রকল্পটির মোট ব্যয় ১০ হাজার ৩৭৪ কোটি ৪২ লাখ টাকা। এর মধ্যে বাংলাদেশ সরকার দিচ্ছে ৪ হাজার ৪৬১ কোটি ২৩ লাখ আর চীন সরকারের ঋণ ৫ হাজার ৯১৩ কোটি ১৯ লাখ টাকা। চীনের কমিউনিকেশন ও কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেড (সিসিসিসি) টানেল নির্মাণের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজটি বাস্তবায়ন করছে।

সর্বশেষ অগ্রগতি

জুলাই পর্যন্ত টানেল প্রকল্পের সার্বিক ভৌত অগ্রগতি ৭১ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। ইতিমধ্যে চট্টগ্রাম নগরের পতেঙ্গা প্রান্ত থেকে কর্ণফুলী নদীর তলদেশ হয়ে নদীর ওপারে আনোয়ারা পর্যন্ত একটি টিউব পরিপূর্ণভাবে স্থাপন করা হয়েছে। স্থাপিত প্রথম টিউবের ইন্টারনাল ট্রাকচার নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে। ইতোমধ্যে ৫৪.১৩ ল্যান্ড স্লাব ঢালাইয়ের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। অন্যদিকে দ্বিতীয় টিউব স্থাপনের কাজও প্রায় শেষের পথে। দ্বিতীয় টিউবের ১৯৬৮ মিটার অর্থাৎ ৮০.৫৯ শতাংশ বোরিং কাজ সম্পন্ন হয়েছে। টানেলের সবকটি অর্থাৎ ১৯৬১৬ টি সেগজুলাইন্টের সবকটির নির্মাণ এবং রিজেক্টেট সেগজুলাইন্ট সমূহের সম-পরিমাণ সেগজুলাইন্টের পুনর্নির্মাণ কাজও সম্পন্ন হয়েছে।

এদিকে আনোয়ারা প্রান্তের ৭২৭ মিটার ভায়াডাক্টের গার্ড রেল ও ওয়েট জয়েন্ট কনস্ট্রাকশনের কাজ চলমান রয়েছে। টানেলের পশ্চিম ও পূর্ব প্রান্তে মোট ৫.৩৫ কিলোমিটার এপ্রোচ সড়কের কাজ চলমান রয়েছে। প্রকল্পের অধিগ্রহণ ও রিকুইজিশনযোগ্য মোট ৩৮৩ একর ভূমির মধ্যে ৩৬২.৩২ একর ভূমি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে। অবশিষ্ট ১৯.৭৬ একর ভূমি অধিগ্রহণ/হস্তান্তর কার্যক্রম জেলা প্রশাসকের কার্যালয়/ভূমি মন্ত্রণালয়ে প্রক্রিয়াধীন আছে।

এছাড়া টানেল প্রকল্পের ম্যানেজজুলাইন্ট সফটওয়্যারের কাজ প্রায় শেষ। হার্ডওয়ার স্থাপন ও বিবিএ বিল্ডিং নেটওয়ার্কিংয়ের কাজ আগেই সম্পন্ন হয়েছে।

এদিকে আনোয়ারা প্রান্তে সার্ভিস এরিয়ার বালি ভরাটের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে সার্ভিস এরিয়ায় বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণের কাজ চলমান রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কর্তৃক নিয়োজিত সাব-কনট্রাক্টররা।

এক নজরে টানেল নির্মাণের কারণ

 চট্টগ্রাম শহরে নিরবচ্ছিন্ন ও যুগোপোযুগী সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং বিদ্যমান সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন।

 এশিয়ান হাইওয়ের সাথে সংযোগ স্থাপন।

 কর্ণফুলী নদীর পূর্ব তীর ঘেঁষে গড়ে ওঠা শহরের সাথে ডাউন টাউনকে যুক্ত করা এবং উন্নয়ন কাজ ত্বরান্বিতকরণ।

 চট্টগ্রাম পোর্টের বিদ্যমান সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধিকরণ এবং প্রস্তাবিত গভীর সমুদ্র বন্দরের নির্মাণ কাজ ত্বরান্বিতকরণ।

 ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজারের মধ্যে নতুন একটি সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলা।

 কর্ণফুলী টানেল নির্মিত হলে চীনের সাংহাই শহরের ন্যায় চট্টগ্রাম শহরকে ‘ওয়ান সিটি টু টাউন’ মডেলে গড়ে তোলা।

টানেল নির্মাণে অর্থনৈতিক প্রভাব

 কর্ণফুলী টানেল নির্মাণের ফলে ঢাকা-চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের মধ্যে আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে উঠবে এবং এশিয়ান হাইওয়ের সাথে সংযোগ স্থাপিত হবে। ফলে যোগাযোগ ব্যবস্থার ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হবে।

 কর্ণফুলী নদীর পূর্বপ্রান্তের প্রস্তাবিত শিল্প এলাকার উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে এবং পশ্চিম প্রান্তে অবস্থিত চট্টগ্রাম শহর, চট্টগ্রাম বন্দর ও বিমানবন্দরের সাথে উন্নত ও সহজ যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপিত হবে। ফলে ভ্রমণ সময় ও খরচ হ্রাস পাবে এবং পূর্বপ্রান্তের শিল্পকারখানার কাঁচামাল ও প্রস্তুতকৃত মালামাল চট্টগ্রাম বন্দর, বিমানবন্দর ও দেশের উত্তর পশ্চিমাঞ্চলে পরিবহন প্রক্রিয়া সহজ হবে।

 কর্ণফুলী নদীর পূর্ব প্রান্তের সাথে সহজ যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপনের ফলে পূর্বপ্রান্তে পর্যটনশিল্প বিকশিত হবে।

 সার্বিকভাবে যোগাযোগ ব্যবস্থার সহজিকরণ, আধুনিকায়ন, শিল্পকারখানার বিকাশ সাধন এবং পর্যটন শিল্পের উন্নয়নের ফলে কর্ণফুলী টানেল নির্মাণ প্রকল্প নির্মিত হলে বেকারত্ব দূরীকরণসহ দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ব্যাপক প্রভাব ফেলবে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Archives

SatSunMonTueWedThuFri
    123
252627282930 
       
  12345
2728     
       
      1
       
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
2930     
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031     
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
©2014 - 2020. RajshahiNews24.Com . All rights reserved.
Theme Developed BY ThemesBazar.Com