বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:১৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :

রাজশাহীতে নবজাতক-প্রসূতির মৃত্যুর ঘটনায় ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের শাস্তি দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিবেদক :
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২১
রাজশাহী মহানগরীর একটি ক্লিনিকে নবজাতক শিশু ও প্রসূতি মায়ের মৃত্যুর ঘটনায় চিকিৎসকসহ সংশ্লিষ্টদের শাস্তি দাবি করেছে ভুক্তভোগীর পরিবার। শনিবার সকালে নগরীর একটি রেস্তোরাঁয় সংবাদ সম্মেলন করে এ দাবি জানানো হয়।

রাজশাহী মহানগরীর একটি ক্লিনিকে নবজাতক শিশু ও প্রসূতি মায়ের মৃত্যুর ঘটনায় চিকিৎসকসহ সংশ্লিষ্টদের শাস্তি দাবি করেছে ভুক্তভোগীর পরিবার। শনিবার সকালে নগরীর একটি রেস্তোরাঁয় সংবাদ সম্মেলন করে এ দাবি জানানো হয়।

অবহেলায় নবজাতক সন্তান ও মায়ের মৃত্যু হয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়। এসময় বলা হয়, গত ১১ জুন নগরীর লক্ষ্মীপুর এলাকায় অবস্থিত মাইক্রোপ্যাথ ক্লিনিকে সুখি বেগম (৩৫) নামের ওই নারী মারা যান। সুখির মৃত্যুর আগে তাঁর নবজাতক শিশুটিও মারা যায়। সুখি বেগমের বাড়ি রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলায়। মা ও নবজাতকের মৃত্যুর পর রোগীর স্বজনদের ভয়ভীতি দেখিয়ে ‘কোন অভিযোগ নেই’ লেখা একটি স্বাক্ষর করিয়ে নিয়ে লাশ দ্রুত বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

পরে ১৫ জুলাই অবহেলায় মৃত্যুর অভিযোগ তুলে মারা যাওয়া সুখী খাতুনের ছোট ভাই মিজানুর রহমান আদালতে মামলা করেন। এতে ক্লিনিকের স্ত্রী রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. শারমীন সেলিনা সুলতানা, এ্যানেসথেসিয়ালোজিস্ট ডা. রাশিদুল ইসলাম, ক্লিনিকের ব্যবস্থাপক বুলবুল, ওটি বয় মামুন এবং দালাল আবদুল খালেককে আসামি করা হয়। আদালত ওই মামলা গ্রহণ করে তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) দায়িত্ব দেন। মামলার সঠিক তদন্ত এবং অভিযুক্তদের শাস্তির দাবিতে বাদী মিজানুর রহমান শনিবার এই সংবাদ সম্মেলন করেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ১০ জুন ডাক্তার দেখানোর জন্য তাঁর বোনকে নগরীর আরেকটি ক্লিনিকে নেওয়া হয়েছিল। সেখানে মাইক্রোপ্যাথের দালাল মামুন ও খালেক ভালো চিকিৎসার কথা বলে মাইক্রোপ্যাথে নিয়ে যান। এরপর কোনরকম পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়াই সুখির সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের তোড়জোড় শুরু করা হয়। সিজারের কিছুক্ষণ পর নবজাতক শিশু মারা যায়। এর কিছুক্ষণ পর মারা যান সুখি। ভুল চিকিৎসা ও অবহেলায় তাঁদের মৃত্যু হয়েছে। এটি হত্যার শামিল বলে অভিযোগ করেন মিজানুর।

তিনি বলেন, টাকার নেশায় অপ্রয়োজনীয় সিজার করে সুখি ও তাঁর সন্তানকে মেরে ফেলা হয়েছে। মিজানুর অভিযোগ করেন, ঘটনার দিন তাঁদের ক্লিনিকে একরকম জিম্মি করে ভয়ভীতি দেখিয়ে ‘কোন অভিযোগ নেই’ লেখা কাগজে সই নেওয়া হয়েছে। লাশ নিয়ে যাওয়ার পর লকডাউন এবং করোনার কারণে আদালতে মামলা করতে দেরি হয়েছে। তিনি মামলার সঠিক তদন্ত এবং অভিযুক্তদের শাস্তি দাবি করেন।

মিজানুর বলেন, এঁদের শাস্তি হলে এ ধরনের আর কোন ঘটনা ঘটবে না। তা না হলে ক্লিনিকটিতে এ ধরনের ঘটনা ঘটতেই থাকবে।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে ক্লিনিকের ব্যবস্থাপক মো. বুলবুল বলেন, ‘সেদিনই ঘটনার মিমাংসা হয়ে গেছে। এরপর তাঁরা কেন মামলা, সংবাদ সম্মেলন করছে তা বুঝতে পারছি না।’ চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ অস্বীকার করেন তিনি। বলেন, ‘কোন ডাক্তারই চায় না যে রোগী মারা যাক।’

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Archives

SatSunMonTueWedThuFri
    123
252627282930 
       
  12345
2728     
       
      1
       
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
2930     
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031     
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
©2014 - 2020. RajshahiNews24.Com . All rights reserved.
Theme Developed BY ThemesBazar.Com