মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২২, ১১:১৮ অপরাহ্ন

বছরের শুরুতেই ঊর্ধ্বমুখী তেলের দাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৩ জানুয়ারী, ২০২২
বছরের শুরুতেই ঊর্ধ্বমুখী তেলের দাম

নতুন বছরের শুরুতেই আন্তর্জাতিক বাজারে ঊর্ধ্বমুখী তেলের দাম। বিশ্বজুড়ে ওমিক্রনের বিস্তার এবং দেশে দেশে বিধিনিষেধ ফেরা সত্ত্বেও ২০২২ সালে বিশ্ববাজারে তেলের চাহিদা বাড়ার বিষয়ে আশাবাদী বিনিয়োগকারীরা। প্রাথমিকভাবে করোনাভাইরাসের নতুন ধরনটি আগেরগুলোর তুলনায় কম প্রাণঘাতী দেখা যাওয়ায় এ বছর অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের গতি বাড়বে বলে আশায় বুক বাঁধছেন ব্যবসায়ীরা।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবর অনুসারে, সোমবার (৩ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা ২৩ মিনিট পর্যন্ত অপরিশোধিত তেলের বেঞ্চমার্ক ব্রেন্টের দাম বেড়েছে ১ দশমিক ২ শতাংশ বা ৯৫ সেন্ট। এদিন বিশ্ববাজারে প্রতি ব্যারেল ব্রেন্ট ক্রুড অয়েল বিক্রি হয়েছে ৭৮ দশমিক ৭৩ ডলারে।

দাম বেড়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট বা ডব্লিউটিআই তেলেরও। সোমবার ব্যারেলপ্রতি ডব্লিউটিআইয়ের দাম ১ দশমিক ৪ শতাংশ বা ১ দশমিক ০৩ ডলার বেড়ে বিক্রি হয়েছে ৭৬ দশমিক ২৪ ডলারে।

এ বিষয়ে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় তেলের ব্রোকার পিভিএমের টামাস ভার্গা বলেন, বিশ্বব্যাপী সংক্রমণের হার বাড়ছে, কয়েকটি দেশে বিধিনিষেধ জারি হয়েছে। এতে অন্যদের মতো আকাশভ্রমণ খাতও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এরপরও আশাবাদী বিনিয়োগকারীরা।

তিনি বলেন, মনে হচ্ছে, করোনার বর্তমান ধরনটি (ওমিক্রন) তার পূর্বসূরীদের তুলনায় কম গুরুতর উপসর্গ তৈরি করে, যা মহামারির চতুর্থ ঢেউ সামলাতে আমাদের সাহায্য করতে পারে।

রয়টার্সের তথ্যমতে, করোনাভাইরাস মহামারির আঘাত থেকে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার প্রচেষ্টা এবং ওপেক প্লাস জোটের তেল সরবরাহ কমানোর প্রভাবে গত বছর ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের চাহিদা অন্তত ৫০ শতাংশ বেড়েছিল। বিশ্বজুড়ে ভাইরাসের সংক্রমণ নতুন রেকর্ড গড়লেও তেলের চাহিদাবৃদ্ধির গতি ঠেকাতে পারেনি। ২০২২ সালে এর চাহিদা আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

বহুজাতিক ব্যাংক ইউবিএসের বিশ্লেষকদের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদন বলছে, বৈশ্বিক তেলের চাহিদা ২০১৯ সালের মাত্রা ছাড়িয়ে যেতে চলেছে। ক্রুড এবং তেল জাতীয় পণ্যের দামে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়া উচিত। আমরা আশা করছি, ২০২২ সালে ব্রেন্টের দাম বেড়ে ৮০ থেকে ৯০ ডলারের মধ্যে থাকবে।

বিশ্বজুড়ে ওমিক্রনের সংক্রমণ প্রায় প্রতিদিনই নতুন রেকর্ড গড়ছে। এতে ইংরেজি নতুন বছর উদযাপনের আনন্দ অনেকটাই ম্লান ছিল। গত রোববার (২ ডিসেম্বর) চার হাজারের বেশি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এর মধ্যেই তেল উৎপাদন দৈনিক দুই লাখ ব্যারেল কমিয়ে দিচ্ছে লিবিয়া। পাইপলাইন সংস্কারের জন্য অন্তত এক সপ্তাহ সীমিত উৎপাদনে থাকবে তারা।

এ অবস্থায় আগামী মঙ্গলবার (৪ ডিসেম্বর) ফের বৈঠকে বসছে তেল রপ্তানিকারকদের জোট ও এর মিত্র দেশগুলো (ওপেক প্লাস)। তাদের নীতিনির্ধারণী ওই বৈঠকের আগে ওপেক প্লাসের একটি প্রতিবেদন হাতে পেয়েছে রয়টার্স। এতে বলা হয়েছে, বিশ্ব অর্থনীতিতে ওমিক্রনের প্রভাব মৃদু এবং ক্ষণস্থায়ী হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Archives

SatSunMonTueWedThuFri
15161718192021
22232425262728
293031    
       
  12345
2728     
       
      1
       
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
2930     
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031     
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
©2014 - 2021. RajshahiNews24.Com . All rights reserved.
Theme Developed BY ThemesBazar.Com