বৃহস্পতিবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২০, ০৩:০১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :

আওয়ামী লীগেই ভরসা সৌদি আরবের

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০১৮
আওয়ামী লীগেই ভরসা সৌদি আরবের

আওয়ামী লীগেই ভরসা সৌদি আরবের:নির্বাচনের মাত্র আড়াই মাস আগে সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদের আমন্ত্রণে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সৌদি আরবে লাল গালিচা সংবর্ধনা পেলেন। সৌদি বাদশাহ এবং রাজপরিবার এর মাধ্যমে স্পষ্ট করে জানিয়ে দিল, বাংলাদেশে তারা আওয়ামী লীগকে আবারো ক্ষমতায় দেখতে চায়।

২০১৫ সালে উইকিলিকসে প্রকাশিত সৌদি কূটনৈতিক বার্তায় জানা গিয়েছিল, সৌদি রাজকীয় খরচে আরাফাত রহমানের চিকিৎসার ব্যাপারে খালেদা জিয়া একের অধিকবার বাদশাহকে অনুরোধ করেছিলেন। কিন্তু শেখ হাসিনা সরকারের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েনের আশঙ্কায় সাড়া দেয়নি তৎকালীন সৌদি আরব সরকার।

এছাড়া যুদ্ধাপরাধের বিচার বন্ধে জামায়াতে ইসলামী ‘একাধিকবার’ সৌদি আরবের হস্তক্ষেপ আশা করেছিল। বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াও রাজনৈতিক সংকট মেটাতে সৌদি সরকারের মধ্যস্থতা চেয়েছিলেন। কিন্তু সৌদি আরব তাতে কোনো সাড়া দেয়নি। উভয় প্রসঙ্গে হস্তক্ষেপ না করার বিষয়ে সৌদি বাদশাহ একটি বাদশাহি ফরমান পর্যন্ত জারি করে আওয়ামী লীগে আস্থা রেখেছিলেন।

২০০৮ থেকে ২০১৪ সালের নভেম্বর পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ছয় বছর ঢাকায় ড. বুসাইরি সৌদি রাষ্ট্রদূত ছিলেন। উইকিলিকসে প্রাপ্ত তারবার্তাগুলো তার সময়েই ঢাকা থেকে প্রেরিত হয়েছে। সৌদি রাজপরিবার এবং ঢাকা-রিয়াদ সম্পর্কের বিষয়ে একজন অভিজ্ঞ ঊর্ধ্বতন কূটনীতিক বলেছেন, ‘সৌদি আরব কখনো যুদ্ধাপরাধীর বিচার প্রশ্নে আওয়ামী লীগ সরকারকে আকারে-ইঙ্গিতেও কিছু বলেনি। অবশ্য বাংলাদেশ সরকারই নিজ থেকে তাদের এই বিচারের বিষয়ে সব সময় অবহিত করে এসেছে’।

তৎকালীন সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৌদ আল ফয়সাল (বর্তমান বাদশাহ সালমানের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা) প্রয়াত বাদশাহ আবদুল্লাহর বিশেষ সচিবকে ২০১২ সালের মার্চে বলেন, ‘সৌদি সরকার জিয়াউর রহমান এবং খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে রিয়াদস্থ বাদশাহ ফয়সাল বিশেষায়িত হাসপাতালে সৌদি আতিথেয়তার খরচে চিকিৎসার জন্য একটি অনুরোধপত্র পেয়েছেন।’ আরাফাত রহমান আর্থিক দুর্নীতির দায়ে কারাদণ্ডপ্রাপ্ত উল্লেখ করে তাকে জানানো হয় যে আপাতত তিনি থাইল্যান্ডের ব্যাংককে চিকিৎসাধীন আছেন। বার্তায় এরপর লেখা হয়েছে ‘খোঁজখবর নিয়ে জানা গেছে, তার রোগের চিকিৎসা সৌদি আরবে যেমন আছে, তেমনি থাইল্যান্ডেও রয়েছে। এমতাবস্থায় এ বিষয়টি এড়ানো উত্তম হবে। কেননা, এতে করে শেখ হাসিনা সরকার এবং সৌদি সরকারের মধ্যে টানাপোড়েনের সৃষ্টি হবে।’

উল্লেখ্য, সৌদি আরবে চলতি বছর এটি প্রধানমন্ত্রীর দ্বিতীয় সফর। সফর শেষে আগামী শুক্রবার তাঁর দেশে ফেরার কথা রয়েছে। ১৮ অক্টোবর তিনি মক্কায় ওমরাহ পালন করেন।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Archives

SatSunMonTueWedThuFri
   1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031 
       
      1
       
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
2930     
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031     
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
©2014 - 2020. RajshahiNews24.Com . All rights reserved.
Theme Developed BY ThemesBazar.Com