শনিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৭:০৩ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
ডেন্ডারবাজি ও বিভিন্ন বরাদ্দকৃত অর্থ আর্তসাত করায় রুপপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আবুল হাসেমের পেশা ধানমন্ডি ক্লাবে অভিযানের পর ২৪ ঘন্টার জন্য সিলগালা যুবলীগের কেউ জড়িত থাকলে বহিস্কার করা হবে:যুবলীগের চেয়ারম্যান রাজশাহীতে তিন দিনব্যাপী প্রামাণ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ কর্মশালা শুরু সিংড়ায় পুকুরে মাছ লুট করতে গিয়ে গণপিটুনির শিকার, আহত – ২  এবার চলছে ধানমন্ডি ক্লাবে র‌্যাবের অভিযান কলাবাগান ক্রীড়াচক্রেও ছিল ক্যাসিনো, হলুদ ইয়বাসহ সভাপতি আটক রাজশাহীতে ৯৯৯-এ ফোন: আগুনে পোড়া থেকে রক্ষা পেল এ্যাম্বুলেন্স রাজশাহীর চারঘাটে পদ্মার শাখা বড়াল নদীর স্লুইস গেটে ৩টি পচা লাশ উদ্ধার কলাবাগান ক্রীড়াচক্রে অভিযান শুরু

ধানের পর মরিচেও কৃষকের লোকসান, কেজি প্রতি ১২ টাকা

ধানের পর মরিচেও কৃষকের লোকসান, কেজি প্রতি ১২ টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক: বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলায় ধানের লোকসান কাটিয়ে উঠতে লাভের আশায় মরিচ চাষ করেও কৃষকরা লোকসানের হাত থেকে রেহায় পাচ্ছেন না। চলতি মৌসুমে ইরি-বোরো ধানের বাজারে দাম কম হওয়ায় কৃষকরা লোকসানে পড়েন। সেই লোকসানকে পুষিয়ে নিতে তারা কাঁচা মরিচ চাষে ঝুঁকে পড়েন। কিন্তু বর্তমান বাজারে মাত্র ১২ টাকা কেজিতে মরিচ বিক্রি করায় ধানের লোকসান পুষিয়ে নেয়াতো দূরের কথা মরিচ চাষে উৎপাদন খরচই তুলতে পারছেন না। এখানেও কৃষকদের লোকসান গুনতে হচ্ছে। ফলে তারা হতাশায় পড়েছেন।

 

 

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, আদমদীঘি উপজেলার কোমারপুর, মঙ্গলপুর, জিনইর, কাশিমালা, শিবপুর, কড়ই, সালগ্রাম, আমইল, তেতুলিয়া, ছাতিয়াগ্রামসহ বিভিন্ন এলাকায় বর্ষা মৌসুমে ১৮৮বিঘা জমিতে মরিচ চাষ করে। বিগত বছরের তুলনায় এবার মরিচ চাষের পরিমাণ বেশি ছিল। এখানকার মরিচ ঢাকা চট্রগ্রাম সিলেট কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ট্রাকযোগে সরবরাহ করা হয়।

 

উপজেলার কোমারপুর গ্রামের মরিচ চাষি নূর মোহাম্মাদ জানায়, ইরি বোরো ধান বাজারে কম দাম পাওয়ায় সেই লোকসান পুষিয়ে নিতে এবার বেশি জমিতে মরিচ চাষ করা হয়েছে। এক বিঘা জমিতে মরিচ চাষে জমি তৈরি লাগানো, ফসলে খাবার, পোকা দমনে ঔষধ প্রয়োগ, পরিচর্যা শ্রমিকের মজুরিসহ বিভিন্ন খাতে প্রায় ২৫ হাজার টাকা খরচা হয়ে থাকে। কিন্তু মাত্র ১২ টাকা কেজিতে মরিচ বিক্রি করে উৎপাদন খরচ তোলা সম্ভব হচ্ছে না। সালগ্রামের মরিচ চাষি হামিদুল ইসলাম সাড়ে ৮ হাজার টাকা খরচ করে ১০শতক জমিতে মরিচ চাষ করে দাম কম পাওয়ায় হতাশায় পড়েছেন।

 

 

কাঁচা মরিচ পাইকার ব্যবসায়ী ফারুক হোসেনসহ কয়েকজন জানায়, আদমদীঘি এলাকা থেকে কক্সবাজার, সিলেট, কুমিল্লা, চট্রগ্রাম রিয়াজ উদ্দিন বাজার, ঢাকার কাওরান বাজার, মিরপুর, চৌরাস্তাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রতিদিন প্রায় আড়াই হাজার মন কাঁচামরিচ ট্রাক যোগে সরবরাহ করা হয়। বাজারে কাঁচা মরিচের অধিক সরবরাহ ও পাইকার কম থাকায় মূল্য কমে গেছে।


©2014 - 2018. RajshahiNews24.Com . All rights reserved.
Design & Developed BY ThemesBazar.Com