মঙ্গলবার, ১০ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৫:০৪ পূর্বাহ্ন

ছেলে সন্তান না থাকায়, গোদাগাড়ীতে অবরুদ্ধ এক পরিবার

ছেলে সন্তান না থাকায় গোদাগাড়ীতে অবরুদ্ধ এক পরিবার

মিনাল চৌধুরী, গোদাগাড়ী প্রতিনিধি: প্রবাসফেরত সোহরাব আলীর চার মেয়ে। ছেলে না থাকায় তার বসত ভিটার উপর নজর পড়েছে আপন ভাই ও ভাতিজাদের। উৎখাত করতে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে চলাচলের রাস্তা। প্রায় চার বছর ধরে অবরুদ্ধ হয়ে রয়েছেন রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার বালিয়াঘাট্টা এলাকার সোহরাব আলীর পরিবার।

 

 

বিষয়টি নিস্পত্তি করতে মাঝে বেশ কয়েকবার সালিশ বৈঠকও হয়েছে। অভিযোগ গেছে থানা পুলিশের কাছেও। কিন্তু প্রতিকার পাননি সোহরাব আলী।

 

সোহারাব আলী দীর্ঘদিন ধরেই ভুগছেন নানান শারিরীক জটিলতায়। এই পরিস্থিতিতে জমির অধিকার নিয়ে অনিশ্চতায় তার মেয়েরা। প্রতিনিয়ত হুমকিতে নিরাপত্তা হীনতায় রয়েছেন মেয়েদের নিয়ে।

 

 

ভুক্তভোগী সোহরাব আলীর মেয়ে জান্নাতুল আকমাম জানান, দাদা নাজিরুদ্দিন বিশ্বাসের ছয় সন্তানের মধ্যে তার বাবা চতুর্থ। বালিয়াঘাট্টা গুলগফুর বালিকা উচ্চবিদ্যালয় ঘেঁসে এক বিঘা জমির উপর তাদের পৈত্রিক নিবাস। দাদার মৃত্যুর পর বাবা-চাচারা ছয় ভাই বসত ভিটায় ভাগ পান।

 

 

ছেলে না থাকায় তার বাবাকে অংশ দেয়া হয়েছে একেবারেই পেছনের দিকে। কথা ছিলো, বাড়ি থেকে বের হবার ৫ফিট চওড়া রাস্তা থাকবে। কিন্তু রাস্তা না ছেড়েই পাকা ঘর তুলে দেন চাচারা।

 

 

এতে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন তারা। প্রতিবাদ করে চাচা ও চাচাতো ভাইরা তাদের উপর চড়াও হন। এনিয়ে ২০১৬ সালের জানুয়ারীতে স্থানীয়ভাবে সালিশ হয়। ওই সময় জমির ভাগ-বাটোয়ারা হলে বিষয়টি নিস্পত্তি হয়। ওই সময় থানা পুলিশের মধ্যস্থতায় সীমানা চিহ্নিত করা হয়েছিলো।

 

 

কিন্তু এখনো চাচা ও চাচাতো ভাইয়েরা ছাড়েননি চলাচলের রাস্তা। রাস্তা চাওয়ায় নানাভাবে হয়রানি এমনকিও নির্যাতনের শিকারও হয়েছেন তারা। থানায় অভিযোগ দিয়েও প্রতিকার মেলেনি।

 

 

বিষয়টি স্বীকার করেছেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, পরিবারটি একেবারেই অবরুদ্ধ হয়ে রয়েছে। বিষয়টি সত্যিই অমানবিক। তিনি সালিশে এটি নিস্পত্তির চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন।

 

 

অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করে গোদাগাড়ী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর আলম বলেন, অভিযোগ পাবার পর থানার এসআই রুহুল, এসআই শামীম এবং এসআই আনোয়ার ঘটনাতদন্তে গিয়েছিলেন। জমিজমা সংক্রান্ত বিষয় হওয়ায় সেটি এখনো নিস্পত্তি করা যায়নি।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

Archives

SatSunMonTueWedThuFri
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
      1
       
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
2930     
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031     
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
©2014 - 2019. RajshahiNews24.Com . All rights reserved.
Design & Developed BY ThemesBazar.Com