শনিবার, ৩০ মে ২০২০, ১১:২৬ অপরাহ্ন

শহীদ মিনার সংলগ্নে মোটেল নির্মান: ম্যাজিষ্ট্রেট পাঠিয়ে কাজ বন্ধ করে দিলেন ডিসি মামুনুর রশিদ

শহীদ মিনার সংলগ্নে মোটেল নির্মান: ম্যাজিষ্ট্রেট পাঠিয়ে কাজ বন্ধ করে দিলেন ডিসি মামুনুর রশিদ

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাঙামাটি শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার সংলগ্ন এলাকায় কাপ্তাই হ্রদের জায়গায় পর্যটন মোটেল নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দিয়েছে রাঙামাটি জেলা প্রশাসন কর্তৃপক্ষ। রোববার দুপুরে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ সিরাজুল ইসলাম মোটেল নির্মাণ কাজ বন্ধ করে ঘেরাবেড়া খুলে দিয়ে এগুলো শীঘ্রই নিয়ে যাওয়ার জন্য ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে সময় বেধেঁ দিয়ে যান।

বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে রাঙামাটির জেলা প্রশাসক একেএম মামুনুর রশিদ জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পাশে একটি আবাসিক হোটেল-মোটেল থাকবে, এটা যেমনিভাবে বেমানান, তেমনিভাবে শহীদ মিনারের পবিত্রতাও নষ্ট হবে। বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই রাঙামাটির সচেতন মহল জেলার আইনশৃঙ্খলা সভায় আপত্তি তুলে এই কাজ বন্ধ করার দাবি জানিয়েছেন। এটি রেজুলেশনে অর্ন্তভূক্ত হয়।

তারই ধারাবাহিকতায় এই বিষয়টি উত্থাপনপূর্বক জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে রাঙামাটি জেলা পরিষদ বরাবরে একটি পত্রও দেওয়া হয়। কিন্তু তারপরও কাপ্তাই হ্রদের জায়গা দখল করে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পার্শে¦াক্ত জায়গায় মোটেল নির্মাণ করা হচ্ছে যা অত্যন্ত দুঃখজনক।

জেলা প্রশাসক বলেন, রাঙামাটি একটি পর্যটন শহর। পাহাড় আর হ্রদ বেষ্টিত এই শহরে পর্যটকদের আগমন ঘটে কাপ্তাই লেকের সৌন্দয্য উপভোগ করার জন্য। পুরো শহরজুড়েই অপরিকল্পিতভাবে স্থাপনা নির্মিত হওয়ায় শহরে রাস্তা থেকে কাপ্তাই হ্রদের সৌন্দয্য অবলোকনের তেমন ভালো কোনো স্থান নেই।

রাঙামাটিতে আগত পর্যটকরা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পাশে উক্ত স্থানটিতে দাড়িয়ে কাপ্তাই হ্রদের সৌন্দয্য অবলোকনও করতে পারবে অনায়াসেই। তাই আমি সার্বিক বিষয় অবগত হয়ে অদূর ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে আইনশৃঙ্খলা সভার সিদ্ধান্তের আলোকেই উক্ত স্থানে মোটেল নির্মাণ বন্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার নির্দেশনা দিয়েছি।

রাঙামাটি জেলা পরিষদের অর্থায়নে শহীদ মিনারের পাশে উক্ত খোলা জায়গাটিতে রাঙামাটিতে আগত পর্যটকদের জন্য মোটেল নির্মাণের লক্ষ্যে গত ৪ই মার্চ উদ্বোধন এর ভিত্তি প্রস্তুর স্থাপন করেছিলেন রাঙামাটির জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমা।

বান্দরবানের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ইউটি মং এর লাইসেন্সের মাধ্যমে এই কাজটি বাস্তবায়ন করছে রাঙামাটির স্থানীয় দু’জন ঠিকাদার। কাজটি কতো টাকা বা কি ভাবে এটি নির্মিত করা হবে এই বিষয়ে জানতে মুঠোফোনে এবং অফিসিয়াল টিএন্ডটি নাম্বারে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও রাঙামাটি জেলা পরিষদের নির্বাহী প্রকৌশলী ক্যা হলা খই ফোন রিসিভ করেননি।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

Archives

SatSunMonTueWedThuFri
      1
       
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
2930     
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031     
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
©2014 - 2020. RajshahiNews24.Com . All rights reserved.
Design & Developed BY ThemesBazar.Com