1. ins.raihan@gmail.com : admi2017 :
  2. desk.rajshahinews24@gmail.com : Raihanul Islam : Raihanul Islam
  3. alam.bagmara11@gmail.com : midul islam : midul islam
  4. info.motaharulhasan@gmail.com : Motaharul Hasan : Motaharul Hasan
  5. mdmidul232@gmail.com : Md shakib : Md shakib
  6. rajshahinewstwentyfour@gmail.com : zohurul Islam : zohurul Islam
  7. aksaker67@yahool.com : A K Sarker Shaon : A K Sarker Shaon
  8. zahorulnews9@gmail.com : Kanchon Islam : Kanchon Islam
আজ পবিত্র জুম্মার দিনে করণিয় আমলগুলো করেছেন তো ? - Rajshahi News24 | রাজশাহী নিউজ 24
বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২০, ০৯:১২ অপরাহ্ন

আজ পবিত্র জুম্মার দিনে করণিয় আমলগুলো করেছেন তো ?

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ৩০ আগস্ট, ২০১৯
আজ পবিত্র জুম্মার দিনে করণিয় আমলগুলো করেছেন তো ?

পবিত্র জুম্মাহ মোবারাক আজ আপনাদের সামনে পবিত্র জুম্মার ফজিলত সম্পর্কে পবিত্র আল কোরআন উল কারিম ও হাদিস শরিফ উনাদের থেকে কিছু আয়াত শরীফ এবং হাদিস শরীফ তুলে ধরবো। অজানায় হয়ে থাকা ভুল ত্রুটির জন্য অগ্রিম ক্ষমা চাচ্ছি মহান আল্লাহ্‌ পাক রাব্বুল আলামিন উনার নিকট তিনি ক্ষমা করুন।

হান আল্লাহ্‌ পাক রাব্বুল আলামিন তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরিফে ইরশাদ মোবারক করেনঃ মুমিনগণ, পবিত্র জুম্মার দিনে যখন নামাযের আযান দেয়া হয়, তখন তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার স্মরণের পানে ত্বরা কর এবং বেচাকেনা বন্ধ কর। এটা তোমাদের জন্যে উত্তম যদি তোমরা বুঝো। অতঃপর পবিত্র নামায সমাপ্ত হলে তোমরা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড় এবং মহান আল্লাহ পাক উনার অনুগ্রহ তালাশ করো ও মহান আল্লাহ পাক উনাকে অধিক স্মরণ করো, যাতে তোমরা সফলকাম হও। – সূত্রঃ সুরাহ জুম্মাহ শরিফঃ আয়াত শরিফ ৯-১০}

এখন দেখি হাদীস শরিফে কি বলা হয়েছেঃ

পবিত্র জুম্মার ‍দিনের মর্যাদাঃ হযরত আবু লুবাবা ইবনে আবদুল মুনযির (রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু) উনার থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেছেন, পবিত্র জুম্মার দিন সকল দিনের সর্দার। মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট সকল ‍দিনের চেয়ে মর্যাদাবান। পবিত্র কোরবানীর দিন ও পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিনের চেয়ে বেশী মর্যাদাবান।

আবু হুরাইরা (রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু) উনার থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ আমরা শেষে এসেছি কিন্তু কেয়ামতের দিন সকলের আগে থাকবো। যদিও অন্য সকল জাতিগুলো (ইহুদী ও খৃষ্টান) কে গ্রন্থ দেয়া হয়েছে আমাদের পূর্বে, আমাদের গ্রন্থ দেয়া হয়েছে তাদের পরে। অতঃপর জেনে রাখো এই (পবিত্র জুম্মার) দিনটি মহান আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামিন তিনি আমাদের দান করেছেন। তিনি এ ব্যাপারে আমাদের সঠিক পথের দিশা দিয়েছেন। আর অন্য লোকেরা এ ব্যাপারে আমাদের পিছনে আছে। ইহুদীরা পবিত্র জুম্মার পরের দিন (শনিবার) উদযাপন করে আর খৃষ্টানেরা তার পরের দিন (রবিবার) উদযাপন করে। (বর্ণনায়ঃ বুখারী শরীফ ও মুসলিম শরীফ)

পবিত্র জুম্মার দিন মুসল্মানদের জন্যে কি কি করনিয়।

আসুন আমরা সবাই পবিত্র জুম্মার দিনে আগে ভাগে পবিত্র মসজিদে যাই, আমি আপনি যদি একটু আগে ভাগে পবিত্র মসজিদে যাই তবে এর জন্য অনেক ফজিলত রয়েছে। পবিত্র হাদিস শরিফ উনার মধ্যে আছে পবিত্র জুম্মার দিনে আগে ভাগে পবিত্র মসজিদে গেলে দান-খয়রাত বা পশু কুরবানী করার সমতুল্য সওয়াব পাওয়া যায়। আবু হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু) উনার থেকে বর্ণিত এক হাদীস শরীফে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেছেনঃ যে ব্যাক্তি পবিত্র জুম্মার দিন ফরজ গোসলের মত গোসল করে প্রথম দিকে পবিত্র মসজিদে হাজির হয়, সে যেন একটি উট কুরবানী করল, দ্বিতীয় সময়ে যে ব্যাক্তি পবিত্র মসজিদে প্রবেশ করে সে যেন একটি গরু কুরবানী করল, তৃতীয় সময়ে যে ব্যাক্তি পবিত্র মসজিদে প্রবেশ করল সে যেন একটি ছাগল কুরবানী করল। অতঃপর চতুর্থ সময়ে যে ব্যাক্তি পবিত্র মসজিদে গেল সে যেন একটি মুরগী কুরবানী করল। আর পঞ্চম সময়ে যে ব্যাক্তি পবিত্র মসজিদে প্রবেশ করল সে যেন একটি ডিম কুরবানী করল। অতঃপর ইমাম যখন বেরিয়ে এসে মিম্বরে বসে গেলেন খুৎবার জন্য, তখন ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা লেখা বন্ধ করে খুৎবা শুনতে বসে যান।” (বুখারী শরীফ ৮৮১, ইফা ৮৩৭, আধুনিক ৮৩০)

যে ব্যাক্তি আদব রক্ষা করে পবিত্র জুম্মার পবিত্র সালাত আদায় করে তার প্রতিটি পদক্ষেপের বিনিময়ে তার জন্য পুরো এক বছরের পবিত্র রোজা পালন এবং রাত জেগে সম্মানিত তাহাজ্জুদ পড়ার সমান সওয়াব লিখা হয়। আউস বিন আউস আস সাকাফী (রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু) উনার থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ পবিত্র জুম্মার দিন যে ব্যাক্তি গোসল করায় (অর্থাৎ সহবাস করে, ফলে স্ত্রী ফরজ গোসল করে এবং) সে নিজেও ফরজ গোসল করে, পূর্বাহ্ণে মসজিদে আগমন করে এবং নিজেও প্রথম ভাগে মসজিদে গমন করে, পায়ে হেঁটে মসজিদে যায় (অর্থাৎ কোন কিছুতে আরোহণ করে নয়), ইমামের কাছাকাছি গিয়ে বসে, মনোযোগ দিয়ে খুৎবা শোনে, কোন কিছু নিয়ে খেল তামাশা করে না; সে ব্যাক্তির প্রতিটি পদক্ষেপের জন্য রয়েছে বছরব্যাপী পবিত্র রোজা পালন ও সারা বছর রাত জেগে ইবাদত করার সমতুল্য সওয়াব।” (মুসনাদে আহমাদ শরীফঃ হাদিস শরীফঃ ৬৯৫৪, ১৬২১৮)।

আপনারা খেয়াল করলে দেখবেন আমরা যখন মসজিদে যাই তখন সেখানে তিন ধরনের মানুষ দেখতে পাই, যা হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিম্নোক্ত হাদিস শরীফ দ্বারা প্রমাণিত হয়ঃ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেছেন, পবিত্র জুম্মার পবিত্র সালাতে তিন ধরনের লোক হাজির হয়।

(ক) এক ধরনের লোক আছে যারা পবিত্র মসজিদে প্রবেশের পর তামাশা করে, তারা বিনিময়ে তামাশা ছাড়া কিছুই পাবে না।

(খ) দ্বিতীয় আরেক ধরনের লোক আছে যারা পবিত্র জুম্মায় হাজির হয় সেখানে দু’আ মুনাজাত করে, ফলে মহান আল্লাহ পাক তিনি যাকে চান তাকে কিছু দেন আর যাকে ইচ্ছা দেন না।

(গ) তৃতীয় প্রকার লোক হল যারা পবিত্র জুম্মায় হাজির হয়, চুপচাপ থাকে, মনোযোগ দিয়ে খুৎবা শোনে, কারও ঘাড় ডিঙ্গিয়ে সামনে আগায় না, কাউকে কষ্ট দেয় না, তার পবিত্র দুই জুম্মার মধ্যবর্তী ৭ দিন সহ আরও তিনদিন যোগ করে মোট দশ দিনের গুনাহ খাতা মহান আল্লাহ পাক তিনি মাফ করে দেন।” (আবু দাউদ শরীফঃ হাদিস শরীফ ১১১৩)

যে সকল মসলমান পবিত্র জুম্মার নামাজ অত্যন্ত আদবের প্রতি লক্ষ্য রেখে আদায় করেন, সেই সকল আদায়কারীদের জন্য পবিত্র দুই জুম্মার মধ্যবর্তী সময় গুনাহের কাফফারা স্বরূপ। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেছেন, “পাঁচ বেলা সালাত আদায়, এক পবিত্র জুম্মার থেকে পরবর্তী পবিত্র জুম্মার, এক রমজান থেকে পরবর্তী রমজানের মধ্যবর্তী সময়ে হয়ে যাওয়া সকল (সগীরা) গুনাহের কাফফারা স্বরূপ, এই শর্তে যে, বান্দা কবীরা গুনাহ থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখবে।” (মুসলিম শরীফঃ হাদিস শরীফ ২৩৩)

পবিত্র জুম্মার দিনে কিছু করণীয় কাজ নিচে দেয়া হলোঃ

১/ ফজরের আগে গোসল করা।
২/ ফজরের ফরজ নামাজ়ে সূরা সাজদা [সিজদা] ও সূরা দাহর/ইনসান তিলাওয়াত করা।
৩/ উত্তম পোষাক পরিধান করা।
৪/ সুগন্ধি লাগানো।
৫/ প্রথম ওয়াক্তে পবিত্র মসজিদে যাওয়া।
৬/ পবিত্র সূরা কাহফ তিলাওয়াত করা।
৭/ পবিত্র মসজিদে গিয়ে কমপক্ষে দুই রাকা’আত সুন্নত নামাজ আদায় করা।
৮/ ইমামের কাছাকাছি গিয়ে বসা।
৯/ মনযোগ দিয়ে খুৎবাহ শোনা। খুৎবাহ চলাকালীন সময়ে কোন ধরনের কোন কথা না ১০/ বলা; এমনকি কাউকে কথা বলতে দেখলে তাকে কথা বলতে বারণ করাও কথা বলার শামিল।
১১/ দুই খুৎবাহর মাঝের সময়ে দু’আ করা।
১২/ অন্য সময়ে দু’আ করা। কারণ এদিন দু’আ কবুল হয়।
১৩/ রসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনার উপর সারাদিন বেশী বেশী দরূদ শরীফ পাঠ করা।

পবিত্র জুম্মার দিনের পাঁচটি বৈশিষ্ট্যঃ

১/ এই দিনে হযরত আদম আলাইহিস সালাম-কে সৃষ্টি করা হয়েছে।
২/ এই দিনে মহান আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামিন হযরত আদম আলাইহিস সালাম-কে দুনিয়াতে নামিয়ে দিয়েছেন।
৩/ এই দিনে হযরত আদম আলাইহিস সালাম অফাত গ্রহণ করেছেন।
৪/ এই দিনে এমন একটি সময় রয়েছে, যে সময়ে হারাম ছাড়া যে কোন জিনিস প্রার্থনা করলে মহান আল্লাহ পাক তিনি তা প্রদান করেন।
৫/ এই দিনে কিয়ামত সংঘটিত হবে। তাই আসমান, যমীন ও মহান আল্লাহ পাক উনার সকল নৈকট্যশীল ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা জুম্মার দিনকে ভয় করেন।

(ইবনে মাজাহ শরীফঃ মুসনাদে আহমদ শরীফ)

আপনি প্রতিদিন জামাতে সব সালাত আদায় করছেন তো ?? ইনশাআল্লাহ। আজ জুম্মাবার মনে রাখবেন এবং মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদের ৫ ওয়াক্ত নামাজী হওয়ার তৌফিক দিন আমিন।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Archives

SatSunMonTueWedThuFri
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
       
      1
       
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
2930     
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031     
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
©2014 - 2020. RajshahiNews24.Com . All rights reserved.
Theme Developed BY ThemesBazar.Com