শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৫:৩৮ অপরাহ্ন

রাণীনগরে আখ ক্ষেতে হঠাৎ রোগের আক্রমণে দিশেহারা আখচাষীরা

রাণীনগরে আখ ক্ষেতে হঠাৎ রোগের আক্রমণে দিশেহারা আখচাষীরা

আব্দুর রউফ রিপন, নওগাঁ প্রতিনিধি: নওগাঁর রাণীনগরে আখ চাষ করে দিশেহারা হয়ে পড়েছে আখচাষীরা। চলতি মৌসুমে আখ চাষ করে লাভের চেয়ে লোকসান গুনতে হচ্ছে কৃষকদের। আখক্ষেতে বিভিন্ন রোগের আক্রমনে মরে গেছে আখ কমে গেছে ফলন।উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, রাণীনগর উপজেলায় আগের মতো আর বাণিজ্যিক ভাবে আখ চাষ করা হয় না।

 

চলতি মৌসুমে উপজেলার মাত্র ১৩হেক্টর জমিতে আখ চাষ করা হয়েছে। এই অঞ্চলটি মূলত ধান চাষের জন্য বিখ্যাত। উপজেলার কাশিমপুর ইউনিয়নের বাহাদুপুর, চকমনু, চককুতুব, সদর উপজেলার চন্ডিপুর, চুনিয়াগাড়ীসহ কয়েকটি গ্রামে আখ চাষ করেন হাতে গোনা কয়েকজন কৃষকরা। মূলত নিজেদের ও বাজারের কিছু ক্রেতাদের প্রয়োজন পূরণ করার জন্যই অল্প কিছু পরিমাণ জমিতে আখচাষ করা হয়। তবে এই অঞ্চলে দিন দিন কমে যাচ্ছে আখচাষের পরিমাণ।

চলতি মৌসুমে হঠাৎ করেই আখ ক্ষেতে লাল পঁচা রোগসহ বিভিন্ন রোগের আক্রমণ দেখা দিয়েছে। আখে লাল বর্ণ দেখা দেয়ার কিছুদিনের মধ্যেই পুরো জমি আক্রান্ত হয়ে মরে যাচ্ছে। সার্বক্ষণিক কৃষকদের এই সমস্যা থেকে দ্রুত উত্তোরণে করনীয় সম্পর্কিত পরামর্শ দিয়ে আসছে কৃষি বিভাগের লোকজন।

বাহাদুরপুর গ্রামের আখ চাষী বাবু মিয়া বলেন, প্রতিবছরের ন্যায় চলতি মৌসুমেও তিনি ৫বিঘা জমিতে আখ চাষ করেছেন। কিন্তু হঠাৎ করেই আখের জমিতে লাল বর্ণ রোগসহ বিভিন্ন রোগ দেখা দিয়েছে। এতে করে দ্রুত আখ মরে যাচ্ছে। তাই চলতি মৌসুমে আখ চাষে লাভের চেয়ে লোকসান গুনতে হবে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ শহীদুল ইসলাম বলেন, কৃষকদের অসচেতনার কারণেই আখের জমিতে বৃষ্টির কারণে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ার কারণেই মূলত এই রোগ দেখা দিয়েছে। এছাড়াও আখের বীজ বাহিত রোগের কারণেও এই রোগগুলো হতে পারে। হঠাৎ করেই রোগ দেখা দেয়ায় ও আখ কাটা শেষের দিকে তাই বর্তমানে ওষুধ প্রয়োগ করে তেমন কোন লাভ হবে না। তবে এখনোও যে জমির আখগুলো ভালো রয়েছে সেগুলো দ্রুত কেটে বাজারজাত করার পরামর্শ দিয়েছেন এই কৃষি কর্মকর্তা।


©2014 - 2018. RajshahiNews24.Com . All rights reserved.
Design & Developed BY ThemesBazar.Com