বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৩:৩৪ পূর্বাহ্ন

ক্যাসিনোর ইতিহাস এবং বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি: মো: ওসমান গনি শুভ

ক্যাসিনোর ইতিহাস এবং বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি: মো: ওসমান গনি শুভ

মো: ওসমান গনি শুভ: ক্যাসিনো হচ্ছে বিভিন্ন ধরণের জুয়া খেলার একটি নির্দিষ্ট স্থান যাকে বাংলায় জুয়ার আড্ডা বা আসর বলা যায়। কিন্তু সেটা হয় সুবিশাল পরিসরে। সাধারণত ক্যাসিনো এমনভাবে বানানো হয় যেন এর সাথে অথবা পাশাপাশি হোটেল, রেস্টুরেন্ট, শপিংমল, আনন্দভ্রমণ জাহাজ এবং অন্যান্য পর্যটন আকর্ষণ থাকে৷ কিছু কিছু ক্যাসিনোয় সরাসরি বিনোদন প্রদান যেমন স্ট্যান্ড আপ কমেডি, কনসার্ট, খেলাধুলা ইত্যাদির ব্যবস্থা থাকে। ক্যাসিনো ইতালীয় ভাষার শব্দ যার মূল ক্যাসা অর্থ ঘর। ক্যাসিনো বলতে ছোট ভিলা, গ্রীষ্মকালীন ঘর কিংবা সামাজিক ক্লাবকে বোঝানো হতো।

 

 

১৯ শতকের দিকে ক্যাসিনো বলতে এমনসব ভবনকে বোঝানো হতো যেখানে আনন্দদায়ক কাজকর্ম হতো যেমন নগরের সামাজিক অনুষ্ঠান যেখানে নাচ, গান, জুয়া ও ক্রীড়ার ব্যবস্থা থাকতো। আধুনিক দিনে ইতালিতে বিভিন্ন অর্থে তারা ক্যাসিনো ব্যবহার করে। যেমন পতিতালয় (ক্যাসা চুইসাও বলে যার অর্থ বন্ধ বাড়ি) ও শব্দপূর্ণ পরিবেশ। তারা জুয়ার আসর বোঝাতে ভিন্ন উচ্চারণে ক্যাসিনো বলে।সব ক্যাসিনোই কিন্তু জুয়ার খেলার কাজে ব্যবহার করা হয় না।

 

 

ক্যালিফোর্নিয়ার শান্তা কাতালিনা দ্বীপের কাতালিনা ক্যাসিনোতে কখনো জুয়া খেলা হয়নি কারণ যখন এটা নির্মাণ করা হয় সে সময়ে ক্যালিফোর্নিয়ায় জুয়া খেলা নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছিলো।কোপেনহেগেন ক্যাসিনো একটি থিয়েটার হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ১৮৪৮ সালের আন্দোলনের সময় এখনকার গণজমায়েতের কারণে এটা পরিচিত। এই আন্দোলন ডেনমার্ককে একটি সাংবিধানিক রাজতন্ত্রে পরিণত করে। ১৯৩৭ সাল পর্যন্ত এটা ডেনিশ থিয়েটার নামে সুপরিচিত ছিল। ফিনল্যান্ডের হাংকো ক্যাসিনোতেও কখনো জুয়া খেলা হয়নি। ১৯ শতকের শেষের দিকে এটা স্প্যা রিসোর্ট হিসেবে ব্যবহৃত হতো। বর্তমানে এটা রেস্তোরাঁ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

 

 

জার্মান এবং স্প্যানিশ ভাষায় ক্যাসিনো বা কাসিনো দ্বারা অফিসার মেস বোঝানো হয়।জুয়ার উৎস বা শুরুটা একদমই অজানা। ইতিহাসের প্রায় সব সমাজেই কোন না কোন রূপে জুয়ার প্রচলন ছিলো। প্রাচীন গ্রীক-রোমান থেকে নেপোলিয়নের ফ্রান্স থেকে বর্তমান বাংলাদেশ সব খানেই জুয়ার অস্তিত্ব পাওয়া যায়। সর্বপ্রথম ক্যাসিনো ইউরোপের ইতালির ভেনিসে ১৬৩৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৭৭৪ সালে এটাকে বন্ধ করে দেয়া হয়। আমেরিকায় স্যালুন নামে প্রথম জুয়াবাড়ি নির্মিত হয়। চার প্রধান শহর নিউ অরেলিন্স, সেন্ট লুইস, শিকাগো এবং স্যানফ্রান্সিস্কোয় স্যালুন নির্মিত হয়। এসব স্যালুনে আগতরা পান করতো, আড্ডা দিতো এবং প্রায়শই জুয়া খেলতো। ১৯৩১ সালে নেভাদায় জুয়া খেলাকে বৈধ করা হলে সেখানে প্রথম বৈধ আমেরিকান ক্যাসিনো নির্মিত হয়। ১৯৭৬ সালে নিউ জার্সি আটলান্টিক শহরে জুয়া খেলা অনুমোদন করে। এটা বর্তমানে আমেরিকার দ্বিতীয় বৃহৎ জুয়াড়ি শহর।

 
বিশ্বব্যাপী সর্বনিম্ন জুয়াখেলার বয়স ১৬ থেকে ২১ এর মধ্যে।খরিদ্দারেরা ক্যাসিনো গেমস দ্বারা জুয়া খেলে থাকে। কিছু ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা বা দক্ষতারও প্রয়োজন হয়। অধিকাংশ গেমস গাণিতিকভাবে এমনভাবে বিন্যাস করা থাকে যে প্রায়শই খেলোয়ারদের চেয়ে বাড়িগুলো সুবিধা পেয়ে থাকে। এই সুবিধাকে “হাউজ এজ” বলা হয়ে থাকে। পোকারের মতো খেলাগুলো যেখানে একজন খেলোয়াড় অপর খেলোয়ারের সাথে খেলে সেখানে বাড়িগুলো ‘রেক’ নামে কমিশন নিয়ে থাকে।স্লট মেশিন বা ভিডিও লটারি মেশিন ক্যাসিনোর অন্যতম জনপ্রিয় জুয়া খেলা।

 

 

২০১১ মোতাবেক প্রতিবেদনে জানা যায় আধুনিক স্লট মেশিন খুবই আকর্ষণীয়।ব্লুমবার্গের প্রতিবেদন অনুসারে, ২০১১ সালে বিশ্বের সব থেকে বড় ক্যাসিনো পরিচালনা কোম্পানিগুলোর আয় প্রায় US$৫৫ বিলিয়ন। সোসাইদেদে দে তুরিজমো এ দিভারসোয়েস দে ম্যাক্যাও এই খাতে এগিয়ে থাকা কোম্পানি। তারা ২০১১ সালে $৯.৭ বিলিয়ন আয় করে। এর পরে ছিলো লাস ভেগাস স্যান্ডসের আয় $৭.৪ বিলিয়ন। তৃতীয় বৃহত্তম ক্যাসিনো পরিচালনা কোম্পানি সিজারস এন্টারটেইনমেন্ট কর্পোরেশন যাদের আয় US$৬.২ বিলিয়ন।পৃথিবী ব্যাপী অনেক স্থানেই ক্যাসিনো আছে। তার মধ্যে অল্পকিছু স্থান জুয়াখেলার জন্যে সুপরিচিত হয়ে উঠেছে।

 

 

ক্যাসিনো মোনাকোর মন্টে কার্লো শহরে অবস্থিত। অনেক বইয়ে মন্টে কার্লো ক্যাসিনোর উল্লেখ আছে। বেন মেজরিকের বুস্টিং ভেগাসে একদল ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অভ টেকনোলজির ছাত্র $১ মিলিয়ন জিতে। বইটি সত্য ঘটনা অবলম্বনে লিখিত।জেমস বন্ড উপন্যাস ও চলচ্চিত্রে মন্টে কার্লো ক্যাসিনোর উল্লেখ আছে। দ্যা ম্যান হু ব্রোক দ্যা ব্যাংক এট মন্টে কার্লো চলচ্চিত্রে এই একই নামে একটা ক্যাসিনো আছে।ক্যাসিনো দি ক্যাম্পিয়নে সুইজারল্যান্ডের ক্যান্টন অভ টিকিনোর মধ্যে অবস্থিত ইতালীয় ছিটমহল ক্যাম্পিয়নে দ’ইতালিয়ায় অবস্থিত। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় বিদেশি কূটনীতিকদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহের জন্যে ১৯১৭ সালে ক্যাসিনোটি প্রতিষ্ঠা করা হয়।

 

 

 

ক্যাসিনোটির মালিক ইতালিয় সরকার এবং পরিচালনায় দায়িত্বে আছে মিউনিসিপ্যালিটি। ইতালি এবং সুইজারল্যান্ডে জুয়ার আইন কিছুটা শিথিল হওয়ায় মন্টে কার্লোর পরে এটা দ্বিতীয় জনপ্রিয় জুয়ার আড্ডা।২০০৭ সালের সম্প্রসারণের পরে এটা ইউরোপের সর্ববৃহৎ ক্যাসিনোয় পরিণত হয়।ম্যাকাও হচ্ছে সাবেক পর্তুগিজ উপনিবেশ যা বর্তমানে চীনের বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল। এটা পর্তুগিজ আমলে শুরু হয়েছিলো। ভেনেটিয়ান ম্যাকাও বর্তমানে বিশ্বের বড় ক্যাসিনোতে পরিনত হয়েছে।
জার্মানিতে নির্দিষ্ট লাইসেন্সের অধীনে মেশিন ভিত্তিক জুয়া খেলার ক্যাসিনো, রেস্তোরাঁ, বার চালানোর অনুমতি পায়।
এস্ট্রইল ক্যাসিনো পর্তুগালের ক্যাসকেইসে অবস্থিত।

 

 

 

অঞ্চল অনুসারে যুক্তরাষ্ট্র, এশিয়া প্যাসিফিক, ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা, কানাডা,লাতিন আমেরিকা অঞ্চলের ২০০৯ সালের মোট আয় ছিলো ১০লক্ষ ৪হাজার ৮১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, ২০১০ সালের আয় ছিলো ১লক্ষ ৯হাজার ৩৪৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০১১ সালের আয় ছিলো ১লক্ষ ২০হাজার ৩৮০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। ক্যাসিনো মার্কেট অনুসারে চীনের ম্যাকাও পৃথিবীতে প্রথম স্থান দখল করে আছে। যেখানে ক্যাসিনোর সংখ্যা ৩৩টি। ২০০৯ সালে এর আয়ের পরিমাণ ছিলো ১৪হাজার ৯৫৫মিলিয়ন মার্কিন ডলার।২০১০ সালে ছিলো ২২হাজার ৪৪৫মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

 

 

 

দ্বিতীয় অবস্থানে আছে যুক্তরাষ্ট্রের নেভাদার লাস ভেগাস। যেখানে বৈধ ক্যাসিনোর সংখ্যা ১২২টি। ২০০৯ সালে এর আয় ছিলো ১০হাজার ২৪৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, ২০১০ সালে আয় ছিলো ৯হাজার ৯৫০মিলিয়ন মার্কিন ডলার। তৃতীয় অবস্থানে আছে সিঙ্গাপুর যেখানে বৈধ ক্যাসিনোর সংখ্যা ০২টি। ২০০৯ সালে এর আয় ছিলো ২হাজার ১১৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।২০১০ সালে আয় ছিলো ২হাজার ৭৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। চতুর্থ অবস্থানে আছে ফ্রান্স যেখানে বৈধ ক্যাসিনো আছে মোট ১৮৯ টি। ২০০৯ সালে এর মোট আয় ছিলো ৩ হাজার ৯৬৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

 

 

২০১০ সালে এর মোট আয় ছিলো ৩ হাজার ৯০৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। পঞ্চম অবস্থানে আছে আটল্যান্টিক সিটি যেখানে বৈধ ক্যাসিনোর সংখ্যা ১২টি। ২০০৯ সালে এর মোট আয় ছিলো ৩হাজার ৯৪৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০১০ সালে এর মোট আয় ছিলো ৩হাজার ৫৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।ষষ্ঠ অবস্থানে আছে অস্ট্রেলিয়া যেখানে বৈধ ক্যাসিনোর সংখ্যা ১১টি।২০০৯ সালে এর মোট আয় ছিলো ২হাজার ৬৯৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।২০১০ সালে এর মোট আয় ছিলো ২ হাজার ৭৬৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।সপ্তম অবস্থানে আছে দক্ষিণ কোরিয়া যেখানে বৈধ ক্যাসিনোর সংখ্যা ১৭টি। ২০০৯ সালে এর মোট আয় ছিলো ২হাজার ৪০১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

 

 
২০১০সালে এর মোট আয় ছিলো ২হাজার ৪৩০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। অষ্টম অবস্থানে আছে জার্মানি যেখানে বৈধ ক্যাসিনোর সংখ্যা ৭৬টি। ২০০৯ সালে এর মোট আয় ছিলো ২হাজার ৭৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।২০১০ সালে এর মোট আয় ছিলো ২হাজার ৫৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।নবম অবস্থানে আছে দক্ষিণ আমেরিকা যেখানে বৈধ ক্যাসিনোর সংখ্যা ৩৬টি।২০০৯ সালে এর মোট আয় ছিলো ১হাজার ৮৪৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।২০১০ সালে এর মোট আয় ছিলো ১হাজার ৭৮২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

 

 
দশম অবস্থানে আছে যুক্তরাজ্য যেখানে বৈধ ক্যাসিনোর সংখ্যা ১৪১টি।২০০৯ সালে এর মোট আয় ছিলো ১হাজার ২১২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।২০১০ সালে এর মোট আয় ছিলো ১হাজার ১৯৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।এগারতম অবস্থানে আছে পোল্যান্ড যেখানে বৈধ ক্যাসিনোর সংখ্যা ৩৬টি।২০০৯ সালে এর মোট আয় ছিলো ১হাজার ৮৯মিলিয়ন মার্কিন ডলার।২০১০ সালে এর মোট আয় ছিলো ১হাজার ৯১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।বারতম অবস্থানে আছে নায়াগ্রা ওয়াটারফলস,কানাডা যেখানে বৈধ ক্যাসিনোর সংখ্যা ২টি।২০০৯ সালে এর মোট আয় ছিলো ১হাজার ১০২মিলিয়ন মার্কিন ডলার।২০১০ সালে এর মোট আয় ছিলো ১হাজার ১১৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

 

 

 

সাম্প্রতিক বাংলাদেশে ক্যাসিনো বিরোধী অভিযানে ধরা পড়ে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতি ইসমাইল হোসেন সম্রাট যিনি ‘ক্যাসিনো সম্রাট’ নামে সমধিক পরিচিত। ফেনীর পরশুরামে জন্মগ্রহণ করা ক্যাসিনো সম্রাটকে র‍্যাব কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম এর মনিরুল ইসলাম নামক এক আত্মীয়ের বাসা থেকে আটক করে। সম্রাটের সহযোগীরা হলেন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া, কাউন্সিলর ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মমিনুল হক সাঈদ,যুবলীগের সহ-সভাপতি এনামুল হক আরমান, সম্রাটের ভাই বাদল ও জুয়াড়ি খোরশেদ আলম এবং যুবলীগের প্রভাবশালী নেতা জি.কে. শামীম ওরফে গোলাম কিবরিয়া শামীম। যুবলীগের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরীকেও বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এক অনুসন্ধানে দেখা গেছে, মতিঝিলের ক্লাব পাড়ায় মোহামেডান, আরামবাগ, দিলকুশা, ওয়ান্ডার্স,ভিক্টোরিয়া ও ফকিরেরপুল ইয়াংমেনস ক্লাবে অবৈধ ক্যাসিনোর ছড়াছড়ি। ইয়াংমেনস ক্লাবে ক্যাসিনো চালাতেন খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া এবং বাকি পাঁচটি ক্লাবে ক্যাসিনো চালাতেন সম্রাটের লোকজন।

 

 

জি.কে. শামীম ওরফে গোলাম কিবরিয়া শামীম ক্যাসিনো জুয়ার সাথে বহুবছর জড়িত আছে। তিনি অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে রাজধানীর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে টেন্ডার ছিনতাই করে ঠিকাদারি কাজ বাগিয়ে নেন। দেহরক্ষীর বিশাল বহর নিয়ে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে তিনি চাঁদাবাজিও করেন।তিনি বিপুল পরিমাণ অর্থের মালিক। এই বিপুল পরিমাণ অর্থের উৎস জানতে তাকে সি.আই.ডি রিমান্ডে নেন। গত ২০ সেপ্টেমবর জি.কে. শামীমকে তার সাত দেহরক্ষীসহ গুলশান থানাধীন নিকেতনের অফিসে অভিযান চালিয়ে আটক করে র‍্যাব।

 

 

 

অভিযানে ১ কোটি ৮০ লক্ষ টাকা নগদ উদ্ধার করা হয়। এছাড়া ১৬৫ কোটি টাকার ওপরে এফ.ডি.আর (স্থায়ী আমানত) পাওয়া যায়। জি.কে. শামীম ও তার দেহরক্ষীদের কাছ থেকে উদ্ধার হয় অস্ত্র। পরিশেষে বলা যায়, সাম্প্রতিক দেশে যে শুদ্ধি অভিযান শুরু হয়েছে তা অত্যন্ত প্রশংসার দাবি রাখে। দেশকে সমস্ত ধরনের অপতৎপরতা ও অশুভ শক্তি থেকে মুক্ত রাখতে শুদ্ধি অভিযান চালু থাকবে এটাই প্রত্যাশা করি।

 

 

মো: ওসমান গনি শুভ
শিক্ষার্থী,পালি অ্যান্ড বুদ্ধিস্ট স্টাডিজ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
মোবাইল ন.→০১৭৮২ ৭০৯৭১৩

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

Archives

SatSunMonTueWedThuFri
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
      1
       
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
2930     
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031     
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
©2014 - 2019. RajshahiNews24.Com . All rights reserved.
Design & Developed BY ThemesBazar.Com