সোমবার, ১৮ নভেম্বর ২০১৯, ১০:২৫ পূর্বাহ্ন

রাজশাহী রাণীনগর নৈশ-উচ্চ বিদ্যালয়ের নানা অনিয়মের তদন্ত কমিটি গঠন থলের বিড়াল বেরিয়ে আসার আতঙ্কে প্রধান শিক্ষক

রাজশাহী রাণীনগর নৈশ-উচ্চ বিদ্যালয়ের নানা অনিয়মের তদন্ত কমিটি গঠন থলের বিড়াল বেরিয়ে আসার আতঙ্কে প্রধান শিক্ষক

মাসুদ রানা রাব্বানী: রাজশাহী নগরীর রাণীনগর নৈশ-উচ্চ বিদ্যালয়ে ৮ম শ্রেণী পাশ সার্টিফিকেট বানিজ্যসহ নানা অনিয়মের অভিযোগে থানা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ জাহিদুল ইসলামকে তদন্তভার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন জেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ নাসিরুদ্দিন।

 

এদিকে, বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় রানীনগর নৈশ বিদ্যালয়ের অনিয়ম ও ৮ম শ্রেণী পাশ সার্টিফিকেট বানিজ্যের সংবাদটি প্রকাশিত হওয়ার পর থেকে স্কুলে নিয়মিত আসা বন্ধ করেছেন প্রধান শিক্ষক মোঃ শরিফুল ইসলাম। স্কুল সূত্রে জানা যায়, প্রধান শিক্ষক ইচ্ছা মতো স্কুলে আসেন আর খাতায় সহি দিয়ে চলে যান। এছাড়াও স্কুলে নিয়ম বর্হিভূত ভাবে ২০১৫ সালের জুন মাসে ও জুলাই মাসে দুই শিক্ষিকাকে চাকুরীতে নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

 

 
এদের মধ্যে একজন কাব্য তত্বের একজন শিক্ষিকা। অপরজন সমাজ বিজ্ঞানের শিক্ষিকা। কাব্য তত্বে যোগদানের সময় হিন্দু ছাত্র-ছাত্রী দেখানো হয়েছিলো ১০০জন। সেই সময় স্কুলে হিন্দু ছাত্র-ছাত্রী ছিল মাত্র দুই জন। এছাড়াও সমাজ বিজ্ঞানের শিক্ষিকাকে নিয়োগ দেয় হয়েছিলো অবৈধ কমিটি গঠন করে।

 

 
একাধিক অভিভাবক ও স্কুলের শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ে এসে তার সহযোগী শিক্ষকদের নিয়ে কাশিমপুর কুঠিতে (কাশেমের হোটেল) ষড়যন্ত্রে ব্যস্ত থাকেন।প্রধান শিক্ষক এসএসসি পরিক্ষার সার্টিফিকেট (সনদ পত্র) নিতে আসা শিক্ষার্থীদের নিকট ৪শত ও ৫ শত টাকা করে দাবি করেন বলে অভিযোগ করেন একাধিক শিক্ষার্থীরা।
বিদ্যালয়ের ২০১৬/১৭/১৮/১৯ সালের এসএসসি ও জেএসসি ফরম পূরুনের টাকা ব্যাংকে জমা না দিয়ে নিজের পকেটে রাখেন। স্কুলে ২বছরের কোচিং-এর টাকা কোন শিক্ষকদের না দিয়ে তা তিনি একাই লোপাট করেছেন। এ কারনে স্কুলে কোচিং বন্ধ হয়েছে। কারন পারিশ্রমিক ছাড়া কোন শিক্ষক কোচিং করাবেন না।

 

 
নির্বাচনী পরিক্ষায় যারা উত্তির্ণ হয় না (অন্য বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী) তাদের নিকট অতিরিক্ত অর্থ আদায় করে ফরম পূরুণ করে থাকেন। সেই সাথে ব্যংকে টাকা জমা না দিয়ে নিজের পকেটে পুরে নেন বলেও অভিযোগ রয়েছে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে।
এ বিষয়ে জানতে প্রধান শিক্ষক মোঃ শরিফুল ইসলাম-এর মুঠো ফোনে ফোন দেয়া হলে তিনি বলেন, ৮ম শ্রেণী পাশ সার্টিফিকেট দিয়ে আমি মানুষের উপকার করি। তবে টাকার অংক এড়িয়ে গিয়ে তিনি বলেন , চা-মিষ্টি খেতে যে যা দেয় তা আমি গ্রহণ করি। অন্যান্য অভিযোগের বিষয়গুলি জানতে চাইলে তিনি ফোন কেটে দেন।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

©2014 - 2019. RajshahiNews24.Com . All rights reserved.
Design & Developed BY ThemesBazar.Com