1. ins.raihan@gmail.com : admi2017 :
  2. desk.rajshahinews24@gmail.com : Raihanul Islam : Raihanul Islam
  3. alam.bagmara11@gmail.com : midul islam : midul islam
  4. info.motaharulhasan@gmail.com : Motaharul Hasan : Motaharul Hasan
  5. mdmidul232@gmail.com : Md shakib : Md shakib
  6. rajshahinewstwentyfour@gmail.com : zohurul Islam : zohurul Islam
  7. aksaker67@yahool.com : A K Sarker Shaon : A K Sarker Shaon
  8. zahorulnews9@gmail.com : Kanchon Islam : Kanchon Islam
রুয়েটে শিক্ষার গুণগতমান বাড়াতে গুরুত্ব দিয়েছেন উপাচার্য - Rajshahi News24 | রাজশাহী নিউজ 24
রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২০, ০৪:২৪ অপরাহ্ন

রুয়েটে শিক্ষার গুণগতমান বাড়াতে গুরুত্ব দিয়েছেন উপাচার্য

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১২ নভেম্বর, ২০১৯
রুয়েটে শিক্ষার গুণগতমান বাড়াতে গুরুত্ব দিয়েছেন উপাচার্য

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সেখ বলেছেন, উপাচার্যের দায়িত্ব নেয়ার পর রুয়েটে শিক্ষার পরিবেশ ও পড়ালেখার গুণগতমান বৃদ্ধির বিষয়টিকে আমি অগ্রাধিকার দিয়েছি এবং সেই লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি।

২০১৮ সালের ৩০ জুলাই রুয়েটে উপাচার্য পদে যোগ দেন অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সেখ। তিনি রুয়েটেরই ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের ছাত্র ছিলেন। পড়াশোনা শেষ করে শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন এখানেই।

উপাচার্য বলেন, উত্তরাঞ্চলে প্রকৌশল শিক্ষার উচ্চ প্রতিষ্ঠান রুয়েট। শুধু উত্তরাঞ্চলে নয়, সারাদেশে এ প্রতিষ্ঠানের সুনাম রয়েছে। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা গবেষণার পাশাপাশি নতুন নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের গৌরব দিন দিন আরও বৃদ্ধি করছে।

শিক্ষার্থীরা কৃতিত্বের সাথে এখানকার অধ্যয়ন শেষ করে দেশের প্রায় সকল বড় বড় প্রতিষ্ঠানে কাজ করছে। দেশে এমন কোনো সেক্টর নেই, যেখানে রুয়েটের সাবেক শিক্ষার্থীরা নেই। উচ্চ শিক্ষা অর্জনের ক্ষেত্রে এ বিশ্ববিদ্যালয় অনন্য ভূমিকা রাখছে। অনেকেই দেশের বাইরে আছেন। তারা দেশের জন্য রেমিটেন্স পাঠাচ্ছেন।

অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সেখ বলেন, উপাচার্যের দায়িত্ব নেয়ার পর আবাসিক হল নিয়ে সমস্যার মুখোমুখি হয়েছিলাম। হলের সিট ফাঁকা পরে ছিল, অথচ সাধারণ শিক্ষার্থীরা উঠতে পারছিল না।

সাধারণ শিক্ষার্থীদের হলে উঠার পরিবেশ ছিলো না। এক ধরণের অশান্ত পরিবেশ বিরাজ করছিল। সবার সাথে পরামর্শ করে হলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের বসবাস করার পরিবেশ তৈরি করেছি। এখন শান্তিপূর্ণ পরিবেশে আবাসিক শিক্ষার্থীরা হলে অবস্থান করছে।

উপাচার্য বলেন, আমাদের শিক্ষার্থীর চেয়ে আবাসিক হলের আসন সংখ্যা কম। সব ছাত্র যদি হলে থাকতে পারতো, তাহলে তারা পরামর্শ করে পড়তে পারতো। ‘রুয়েটের অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্প’ নামে প্রায় ৬০০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প আমরা হাতে নিয়েছি।

প্রকল্পের আওতায় ১৩টি ১০তলা ভবন নির্মাণ করা হবে। এর মধ্যে শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট নিরসনে চারটি ১০তলা আবাসিক হল নির্মাণ কাজ শুরু হবে। দুটি ছেলেদের এবং দুটি মেয়েদের জন্য। হল চারটি চালু হলে প্রায় ৮০ শতাংশ শিক্ষার্থীর আবাসনের ব্যবস্থা হবে। আগামীতে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থীদের আবাসিক করার পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে।

এছাড়া প্রকল্পের আওতায় তিনটি অ্যাকাডেমিক ভবন হবে। নতুন প্রশাসনিক ভবন এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের কোয়ার্টারও নির্মাণ করা হবে। আমাদের ল্যাবরেটরিগুলোকে পর্যায়ক্রমে আধুনিক করা হচ্ছে। নতুন নতুন যন্ত্রপাতি কেনা হচ্ছে।

অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সেখ বলেন, যুগের সাথে তাল মিলিয়ে রুয়েটে নতুন নতুন বিভাগ খোলার পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে। সামনে পুরকৌশল অনুষদের অধীনে ডিজস্টার ম্যানেজমেন্ট নামে একটি নতুন ইনস্টিটিউট এবং তড়িৎ ও কম্পিউটার অনুষদের অধীনে বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং নামে একটি নতুন বিভাগ চালু করা হবে।

আগামি শিক্ষাবর্ষ থেকে আমরা নতুন বিভাগে শিক্ষার্থী ভর্তি করতে পারবো। তবে আমরা কোয়ান্টিটির চেয়ে কোয়ালিটিকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি। শুধু নতুন বিভাগ খুললেই হবে না। প্রকৌশল শিক্ষায় পুঁথিগত বিদ্যার সাথে সাথে ব্যবহারিক বিদ্যা অর্জন করাও জরুরি। ক্লাসের পাশাপাশি প্রয়োজন আধুনিকমানের ল্যাবরেটরি।

উপাচার্য বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এবং আমরা এখন সবাই বুঝতে পারছি যে আর কতোদিন বিদেশ থেকে আমরা প্রযুক্তি ধার করে নিয়ে আসবো। প্রযুক্তি আমাদের মাঝখান থেকেই তৈরি হতে হবে। আমাদের তরুণ প্রজন্মের যথেষ্ট জ্ঞান আছে, তাদের মেধাকে কাজে লাগিয়ে আমরা নিজস্ব প্রযুক্তি তৈরি করতে পারলে তা দেশের জন্য মঙ্গলজনক হবে। আর আমরা সেই লক্ষ্য নিয়েই এগিয়ে যাচ্ছি।

রুয়েটে কোনো সেশনজট নেই উল্লেখ করে অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সেখ বলেন, সেশনজট যেন না হয় সেজন্য আমরা আগাম অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডারে ক্লাস এবং পরীক্ষার সময়সূচি উল্লেখ করে দেই। ফলে সব রুটিনমাফিক হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সেশনজটে পড়তে হচ্ছে না।

উপাচার্য বলেন, আমাদের মেধা আছে। নিজেদের দেশের প্রযুক্তি যদি আমরা নিজেরা তৈরি করতে না পারি এবং প্রযুক্তির যে সকল চ্যালেঞ্জ আছে সেগুলো যদি আমরা মোকাবিলা করতে না পারি, তাহলে ক্রয় করা প্রযুক্তি দিয়ে বেশিদিন চালানো যায় না।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিষয়টি উপলব্ধি করে বিশ^বিদ্যালয়গুলোতে গবেষণা খাতে বারাদ্দ বাড়িয়ে দিচ্ছেন। আগামীতে আরও বাড়াবেন বলে আশা করছি। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে গত বছর গবেষণা খাতে বারাদ্দ ছিল ৯৫ লাখ টাকা। সেখানে এ বছর আমরা বরাদ্দ পেয়েছি ১ কোটি ৩৫ লাখ টাকা।

উপাচার্য বলেন, ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে যেসব শিক্ষার্থী রুয়েটে ভর্তির যোগ্য হয়, তারা কিন্তু খুবই মেধাবী। আবার এখানে যারা শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পান, তাদের যোগ্যতা ও মেধা নিয়ে কেউ প্রশ্ন তুলতে পারবে না। চার পয়েন্টের মধ্যে রেজাল্ট ৩ দশমিক ৭০ এর কম হলে রুয়েটে শিক্ষক হিসেবে কেউ আবেদন করারই সুযোগ পায় না।

আমি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলাম, সারাজীবন শিক্ষকতা করেছি, এখন ভিসির দায়িত্ব পালন করছি। তাই প্রতিষ্ঠানের প্রতি আমার ভালোবাসা অনেক বেশি। আমি দায়িত্ব নেয়ার পর এখানে ৫৭ জন শিক্ষক নিয়োগ পেয়েছেন। সকল কিছুর ঊর্ধ্বে থেকে এখানে যোগ্যদের নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

রুয়েটে ছাত্র সংগঠনগুলোর সহাবস্থান আছে কিনা, জানতে চাইলে অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সেখ বলেন, মত প্রকাশের অধিকার মানুষের নাগরিক অধিকার। রুয়েট ক্যাম্পাসে আমরা সবার সহাবস্থান চাই। আমরা কারো কোনো কর্মসূচিতে বাধা প্রদান করি না। আমাদের এখানে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে কোনো দূরত্ব নেই।

শিক্ষার্থীদের ৩৮টি সংগঠনের উপদেষ্টা হিসেবে আমাদের প্রায় সব শিক্ষকই আছেন। এখানে ছাত্র-শিক্ষক এক হয়ে কাজ করছেন। আমাদের ছাত্র-শিক্ষকদের সম্পর্ক আরও বৃদ্ধি করার জন্য পরবর্তী প্রকল্পে ছাত্র-শিক্ষক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র তৈরি করার পরিকল্পনা আমরা করছি।

আগামি ১ ডিসেম্বর রুয়েটের পঞ্চম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হবে জানিয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সেখ বলেন, এই সমাবর্তন ধারাবাহিকভাবে করার পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে। আন্তর্জাতিক কনফারেন্সগুলো যেন নিয়মিত হয়, সেটাও নিশ্চিত করা হবে।

২০১২ সালের পর এখান থেকে কোনো জার্নাল প্রকাশিত হয়নি, সেটা আমি শুরু করেছি। বাইরের দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে যোগাযোগ আরও বাড়ানো হচ্ছে। আপনারা জেনে খুশি হবেন যে, অস্ট্রেলিয়ার একটি বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে আমাদের কথাবার্তা হয়েছে।

অচিরেই আমরা এমন শিক্ষাপদ্ধতি চালু করতে যাচ্ছি যে, শিক্ষার্থীরা রুয়েটে দুই বছর এবং অস্ট্রেলিয়ায় দুই বছর পড়াশোনা করে অস্ট্রেলিয়ারই সার্টিফিকেট পাবে। এতে বাইরের দেশের সার্টিফিকেট অর্জনের ক্ষেত্রে পড়াশোনার যে খরচ, সেটা কমবে। রুয়েটের পড়াশোনার মান দেখে অস্ট্রেলিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়টিই আমাদের এই প্রস্তাব দিয়েছে। আমরা মনে করি, রুয়েটই সেরা, সেটা ধরে রাখা হবে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Archives

SatSunMonTueWedThuFri
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
       
      1
       
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
2930     
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031     
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
©2014 - 2020. RajshahiNews24.Com . All rights reserved.
Theme Developed BY ThemesBazar.Com