মঙ্গলবার, ১০ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৫:৩৮ অপরাহ্ন

মান্দায় কৃষকের প্রণোদনার অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

মান্দায় কৃষকের প্রণোদনার অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টারঃ নওগাঁর মান্দা উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নের ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের প্রণোদনার অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনা সূত্রে জানা যায়, বিগত ২০১৭
সালে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের তালিকাভূক্ত ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে নেরিকা এবং উপসী জাতীয়
ধানচাষীদের প্রণোদনা হিসাবে রাসায়াণক সার, বীজ , ও নগদ অর্থ বিতরণের কথা। কিন্তু রাসায়নিক সার ও বীজ বিতরণ করা হলেও, নেরিকা জাতীয় ধানচাষীদের প্রায় অর্ধশত প্রতিজন কৃষকের এক হাজার করে টাকা এবং উপসী জাতীয় একশত
পঞ্চাশ জন কৃষকের চারশত করে টাকা (সর্ব মোট প্রায় লক্ষাধিক টাকা) প্রদান না করে তছরুপ করেন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা (বি.এস) হাফিজুর রহমান।
এছাড়াও কতিপয় কৃষক ২১টি গ্রুপে (পাঁচ জন কৃষক মিলে একটি গ্রুপ) সার,বীজ জনৈক ব্যবসায়ী আমজাদ আলীর
নিকট কালো বাজারে বিক্রয়ের অপরাধে তৎকালীন সহাকারী কমিশনার (ভূমি) ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে উক্ত মালামাল জব্দের নির্দেশনা দেন। কিন্তু জব্দকৃত মালামাল পরবর্তীতে কৃষকদের প্রদান না করে সেগুলিও আত্মসাৎ করেন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান।
শুধু তাই নয়, দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে প্রসাদপুর ইউনিয়নে একজন বিসিআইসি সার ডিলারকে শূন্য দেখিয়ে নিয়মবহির্ভূত অপর একজন ডিলার নিয়োগ দিয়েছেন।
বিষ্ণুপুর ইউনিয়নে যুগোল কুমার নামক এক ব্যক্তির পর্যাপ্ত অবকাঠামো বা গুদাম ঘর না থাকা শর্তেও তাঁর কাছ থেকে
অনৈতিক সুবিধা নিয়ে ডিলার শীপ কার্যক্রমে সহযোগিতা দিয়ে আসছেন উপসহকারী কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান ।
হাফিজুর রহমান মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা হয়ে কীভাবে অফিসে অবস্থান করেন তার সদুত্তর তিনি দিতে পারেননি। তিনি দীর্ঘ দিন একই কর্মস্থলে চাকরী করে আসছেন। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, হাফিজুর রহমান মান্দা প্রসাদপুর এলাকায় পাঁচতলা ভীতে বিশাল অট্রালিকাসম দুইতলা সমাপ্ত করেছেন।
তাছাড়াও তিনি মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাহয়েও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের চাটুকারিতার মাধ্যমে অফিসে অবস্থান করেন।
তথ্য অনুসন্ধানে জানা গেছে হাফিজুর রহমানের শ্বশুর একজন বিএনপি নেতা। এই কৃষি কর্মকর্তা নওগাঁ সদর ইউনিয়ন
বিএনপি রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।সরকারকে বেকায়দায় ফেলার জন্য তিনি দীর্ঘ নানা অপকর্ম করে চলেছেন। যা যেকোনো তদন্তে বের হয়ে আসবে। প্রসাদপুর ইউনিয়নের এনায়েত পুর
গ্রামের আঃ আজিজের ছেলে কৃষক আলতাফ, লেদাইয়ের ছেলে কৃষক মোজাহার, একই ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামের ডুবাইয়ের ছেলে কৃষক আজাহার জানান, সার, বীজ পেলেও তাদের কোন টাকা প্রদান করা হয়নি বলে সংবাদ কর্মীদের জানিয়েছেন। উপসহাকরী কৃষি কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান সংবাদ কর্মীদের সাথে কথা বলতে রাজি হননি। মান্দা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রাকিবুল হাসানের কাছে সরাসরি জানতে চাইলে
তিনি বলেন, কয়েকদিন হলো মান্দায় যোগদান করেছি খোঁজ নিয়ে আপনাদের তথ্য জানাতে পারবো।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

Archives

SatSunMonTueWedThuFri
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
      1
       
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
2930     
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031     
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
©2014 - 2019. RajshahiNews24.Com . All rights reserved.
Design & Developed BY ThemesBazar.Com