মঙ্গলবার, ১০ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৪:৪২ অপরাহ্ন

এবারের বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনে ইস্যুগুলো কী?

এবারের বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনে ইস্যুগুলো কী?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : জলবায়ু নিয়ে নানা উদ্বেগের মধ্যে আজ মাদ্রিদে শুরু হচ্ছে জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন ‘কপ টুয়েন্টি ফাইভ’।

দুই সপ্তাহব্যাপী এই সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন বিশ্বের ২০০টি দেশের প্রতিনিধিরা। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও এতে যোগ দিচ্ছেন।

ধারণা করা হচ্ছে যে, কার্বন নির্গমন কমানোর জন্য আগে যেসব লক্ষ্য নির্ধারিত হয়েছিল – সেই লক্ষ্যমাত্রাগুলো আরো বাড়ানোর প্রশ্নটি আলোচিত হবে এ সম্মেলনে।

তবে পরিবেশ বিজ্ঞানী এবং জলবায়ু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তন সমস্যা নয় এখন এটি জরুরী অবস্থা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এ বিষয়ে এখনি পদক্ষেপ নিতে হবে বলে মনে করছেন তারা।

স্পেনের মাদ্রিদে পরিবেশবিজ্ঞানী এবং ইন্ডিপেন্ডেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ক্লাইমেট চেঞ্জের পরিচালক ড. সালিমুল হক বলেন, এ কারণেই আগের জলবায়ু সম্মেলনগুলোতে যেসব দাবি তুলেছিল জলবায়ু পরিবর্তনের শিকার দেশগুলো সেগুলো পরিবর্তন করতে হবে।

তিনি বলেন, অ্যাম্বিশন বাড়াতে হবে।

বিশ্বের জলবায়ু দ্রুতগতিতে পরিবর্তিত হচ্ছে, এবং সারা পৃথিবী জুড়ে নজিরবিহীন দাবানল, বন্যা, সাইক্লোন, খরা এসবের মধ্যে তারই চিহ্ন দেখা যাচ্ছে।

সম্মেলনকে সামনে রেখে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেছেন যে, বিশ্ব এমন এক অবস্থায় পৌঁছে যাচ্ছে যেখান থেকে ফিরে আসার আর কোন সুযোগ থাকবে না।

তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় এতো দিন ধরে যেসব পদক্ষেপ বিশ্ব নেতারা নিয়েছেন সেগুলো একবারেই পর্যাপ্ত নয়।

জাতিসংঘের জলবায়ু বিষয়ক কর্মসূচীর তথ্যে দেখা যাচ্ছে যে, কার্বন নিঃসরণের মাত্রা ১.৫ এর মধ্যে রাখতে রাষ্ট্রগুলো যেসব পদক্ষেপ নিচ্ছে এবং আসলেই যেসব পদক্ষেপ নেয়া জরুরী তার মধ্যে ব্যাপক পার্থক্য রয়েছে।

আন্তোনিও গুতেরেস বলেন, খননের মাধ্যমে জ্বালানি আহরণ এখনই বন্ধ করতে হবে এবং এর পরিবর্তে নবায়নযোগ্য এবং জলবায়ু বান্ধব পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে জ্বালানির চাহিদা পূরণে।

জলবায়ু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ২০১৯ সাল থেকেই জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বাংলাদেশও।

বাংলাদেশ ছাড়া জলবায়ু ক্ষতিকর প্রভাবের মুখে যেসব দেশ পড়েছে বা পড়তে যাচ্ছে সেসব দেশগুলো এ ধরণের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় এই সম্মেলনে ক্ষতিপূরণ চাইবে বলেও জানা যাচ্ছে।

ড. সালিমুল হক বলেন, এর আগে এতদিন ধরে ক্ষতিপূরণ চাওয়া হয়েছে। কিন্তু পাওয়া যায়নি। এবার আশা করা হচ্ছে যে ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এর আগে ঘোষণা দেন যে প্যারিস চুক্তি থেকে বের হয়ে যাবে যুক্তরাষ্ট্র।

ড. সালিমুল হক বলেন, তবে এর জন্য এক বছর সময় লাগে। এটি এখনো হয়নি।

সে হিসাবে ২০২০ সালের ৪ঠা নভেম্বর অর্থাৎ মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের একদিন পরে এবং কপ-২৬ সম্মেলনের মাত্র ৫ দিন বাকি থাকতে চুক্তি থেকে বের হয়ে যাওয়ার কথা যুক্তরাষ্ট্রের।

তবে সমঝোতা করতে যুক্তরাষ্ট্র মাদ্রিদেও এসেছে বলে জানান ড. সালিমুল হক।

প্যারিস চুক্তি থেকে বের হয়ে গেলেও জাতিসংঘের জলবায়ু কনভেনশনের সাথে যুক্ত থাকবে যুক্তরাষ্ট্র।

এদিকে ডেমোক্রেটরা বলছে যে তারা ট্রাম্পকে পরাজিত করলে প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতে আবার ফিরে আসবে যুক্তরাষ্ট্র।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

Archives

SatSunMonTueWedThuFri
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
      1
       
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
2930     
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031     
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
©2014 - 2019. RajshahiNews24.Com . All rights reserved.
Design & Developed BY ThemesBazar.Com