শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১১:৫৩ পূর্বাহ্ন

রাজশাহী নগরীসহ পবা, মোহনপুর, বাঘা, চারঘাট, ও তানোর রেড জোনে

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২০
রাজশাহী  জেলার অধিকাংশ এলাকা করোনা ভাইরাস সংক্রমণে রেড জোনের ভেতরে চলে গেছে। বিশেষ করে রাজশাহী মহানগরী ছাড়াও আরও পাঁচ উপজেলা করোনার রেড জোটে প্রবেশ করেছে। তবে রাজশাহীর সিভিল সার্জন ডা. এনামুল হক জানিয়েছেন, এখনও লকডাউনের মতো কোন সিদ্ধান্ত আসছে না।

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজশাহী  জেলার অধিকাংশ এলাকা করোনা ভাইরাস সংক্রমণে রেড জোনের ভেতরে চলে গেছে। বিশেষ করে রাজশাহী মহানগরী ছাড়াও আরও পাঁচ উপজেলা করোনার রেড জোটে প্রবেশ করেছে। তবে রাজশাহীর সিভিল সার্জন ডা. এনামুল হক জানিয়েছেন, এখনও লকডাউনের মতো কোন সিদ্ধান্ত আসছে না।

তিনি বলেন, রাজশাহীতে জনসংখ্যা প্রায় ৩০ লাখ। আর আক্রান্তের সংখ্যা ৯১০ জন। করোনার রেড জোন ঘোষণার শর্ত অনুযায়ী রাজশাহী জেলা এখন রেড জোনে। তবে জেলায় এলাকা ভিত্তিক রেড জোনে পড়েছে নগরী ও পাঁচটি উপজেলা। এগুলো উপজেলা হলো, পবা, বাঘা, চারঘাট, মোহনপুর ও তানোর। তবে সংক্রমণ যেভাবে বাড়ছে তাতে বাকি উপজেলাগুলোও কয়েকদিনের মধ্যে রেড জোনে চলে আসবে।

শুক্রবার সিভিল সার্জনের কার্যালয় থেকে পাঠানো প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, এদিন সকাল পর্যন্ত রাজশাহী জেলা ও মহানগরে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৯১০ জন। এর মধ্যে ৬৫০ জনই শনাক্ত হয়েছেন রাজশাহী মহানগর এলাকায়। এছাড়া জেলার বাঘা উপজেলায় ২০, চারঘাটে ২৮, পুঠিয়ায় ১৪, দুর্গাপুরে ১২, বাগমারায় ৩১, মোহনপুরে ৪১, তানোরে ৩৭, পবায় ৬৭ এবং গোদাগাড়ীতে ১০ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন।

রাজশাহীতে এ পর্যন্ত মারা গেছেন ৯ জন। এর মধ্যে রাজশাহী সিটিতেই প্রাণ গেছে ৫ জনের। এর বাইরে বাঘা, চারঘাট, পবা ও মোহনপুরে একজন করে মারা গেছেন। তবে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়া দুই করোনা রোগীর তথ্য সিভিল সার্জনের কার্যালয়ের এ হিসাবে নেই। তাদের ধরলে রাজশাহীতে এখন মৃতের সংখ্যা ১১।

সিভিল সার্জনের কার্যালয় বলছে, রাজশাহীতে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৪০ জন। আর চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন ৭৬১ জন। এর মধ্যে নগরেই চিকিৎসাধীন ৫৯০ জন। গ্রামের চেয়ে শহরে সংক্রমণের হার অনেক বেশি।

ডা. এনামুল হক বলেন, শহরে সংক্রমণ বেশি হবার কারণ আমি মনে করি দেরিতে পরীক্ষা শুরু করা। রাজশাহীতে ল্যাব চালুর পর প্রথমে উপজেলাগুলোকে গুরুত্ব দিয়ে নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সেই তুলনায় শহরের নমুনার পরীক্ষা হয়েছে কম। তখনই করোনা শহরে বিস্তার লাভ করেছে। শহরে সংক্রমণ বেশি হবার অন্য কোন কারণ আমি আপাতত দেখি না।

তিনি বলেন, এবারের লকডাউন হলো নামমাত্র। সেই লকডাউন দিয়ে তো কোন লাভ নেই। লকডাউন দিলে এবার কঠোরভাবে দিতে হবে। সেটা পুরো এলাকার জন্য সম্ভব না। আমরা এভাবে এগোচ্ছি যে, একটি বাড়িতে করোনা রোগী শনাক্ত হলে সেটিসহ তার আশপাশের আরও কয়েকটি বাড়ি লকডাউন করা। অথবা কোন মহল্লায় কয়েকটি বাড়িতে করোনা রোগী পাওয়া গেলে সে মহল্লাটিই লকডাউন করা। কিন্তু পুরো শহর লকডাউন করা সম্ভব না বলে জানান এই স্বাস্থ্য কর্মকর্তা।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Archives

SatSunMonTueWedThuFri
   1234
19202122232425
2627282930  
       
      1
       
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
2930     
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031     
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
©2014 - 2020. RajshahiNews24.Com . All rights reserved.
Theme Developed BY ThemesBazar.Com