শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০১:৫৭ অপরাহ্ন

নওগাঁর মান্দায় বাঁধ ভেঙ্গে প্রায় ২ সহস্রাধিক মানুষ পানি বন্দী

নিজস্ব প্রতিবেদক :
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২০
নওগাঁ জেলাধীন মান্দায় গত কয়েক দিনের টানা বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পানিতে হু-হু করে বাড়ছে আত্রাই ও ছোট যমুনা নদীর পানি। আত্রাই নদীর পানি উপজেলার জোতবাজার পয়েন্টে এখন

নওগাঁ জেলাধীন মান্দায় গত কয়েক দিনের টানা বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পানিতে হু-হু করে বাড়ছে আত্রাই ও ছোট যমুনা নদীর পানি। আত্রাই নদীর পানি উপজেলার জোতবাজার পয়েন্টে এখন বিপদসীমার ১৪০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বর্তমানে পানি বাড়া অব্যাহত রয়েছে। এতে আত্রাই ও ফকিন্নি নদীর উভয় তীরের বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধের অন্তত: ৫০ টি পয়েন্ট ঝুঁকিপর্ণ হয়ে পড়েছে। ইতোমধ্যে এ দুই নদীর উভয়তীরের সাতটি বেড়ি বাঁধ ভেঙে গেছে। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে এলাকার প্রায় দুই সহস্রাধিক মানুষ। বাঁধ ভেঙ্গে যাওয়ায় দুর্গত এলাকার মানুষ বন্যানিয়ন্ত্রণ মূল বাঁধে আশ্রয় নিতে শুরু করেছে। ফলে মানুষ বিপদগ্রস্ত হয়ে পরেছে।

নদীভাঙ্গনকৃত বেড়ি বাঁধগুলো হলো, পার-নুরুল্লাবাদ, পারনু-রুল্লাবাদ মন্ডলপাড়া, জোঁকাহাট, চকরামপুর, কয়লাবাড়ি, বাইবোল্যা ও পাঁজরভাঙ্গা। গতরাতে ও আজ বুধবার সকালে এসব বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে তলিয়ে গেছে ধান, পাট ও সবজির ক্ষেত। ভেসে গেছে অনেক পুকুরের মাছ। এর মধ্যে ২০১৭ সালের বন্যায় চকরামপুর ও কয়লাবাড়ি বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে যাওয়ার পর আর মেরামত করা হয়নি। এতে করে নদীর পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এসব ভাঙ্গনস্থান দিয়ে পানি ঢুকে দুই গ্রামের তিন শতাধিক পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

উক্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল হালিম বলেন, নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নজরদারী বাড়ানো হয়েছে। বন্যা মোকাবেলায় আগাম প্রস্তুতি রয়েছে বলেও জানান তিনি।

এ দিকে নওগাঁর রাণীনগরে ছোট যমুনা নদীর নান্দাইবাড়ি-কৃষ্ণপুর ঝুঁকিপূর্ন বেরিবাঁধটি ভেঙ্গে কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। ভেসে গেছে শতাধিক পুকুরের মাছ। পানিতে প্লাবিত হয়ে নষ্ট হওয়ার পথে আউশ ও আমন ধানের বীজতলা। এছাড়াও পানিতে প্লাবিত হয়েছে কিছু সবজির ক্ষেত। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বাঁধটি ভেঙ্গে পানি প্রবেশ করছে।

রানীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল মামুন গনমাধ্যমকে বলেন, এই বেরিবাঁধটির সংস্কার করার জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্যের সার্বিক সহযোগিতা নিয়ে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে একাধিকবার লিখিত ভাবে জানিয়েছি। কিন্তু তাদের অবহেলার কারণে প্রতিবছরই নদীতে পানি বৃদ্ধি পেলেই বাঁধটি ভেঙ্গে প্লাবিত হচ্ছে দুই উপজেলার শতাধিক গ্রাম। আর ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে সাধারন মানুষরা। তবে ইতোমধ্যেই এবার ভেঙ্গে যাওয়া অংশটিকে মেরামত করে পানি প্রবেশ বন্ধ করার জন্য উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যবস্হা গ্রহন করা হয়েছে মর্মে গনমাধ্যমকে জানানো হয়েছে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Archives

SatSunMonTueWedThuFri
   1234
19202122232425
2627282930  
       
      1
       
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
2930     
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031     
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
©2014 - 2020. RajshahiNews24.Com . All rights reserved.
Theme Developed BY ThemesBazar.Com