শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:৪০ অপরাহ্ন

পলাশবাড়ীতে নিজ জমিতে নির্মাণ কাজ শেষ করতে পারছেন না এক ভূক্তভোগী পরিবার

আরিফ উদ্দিন, গাইবান্ধা প্রতিনিধি
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২০
পলাশবাড়ীতে নিজ জমিতে নির্মাণ কাজ শেষ করতে পারছেন না এক ভূক্তভোগী পরিবার

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের মনোহরপুর গ্রামের মকবুল হোসেনের ছেলে জাহিদুল ইসলাম ১১ বছর যাবৎ জমি ভোগদখল করে থাকা সত্বেও নানাভাবে হয়রানীর শিকার হয়ে নির্মানাধীন বাড়ী কাজ শেষ করতে না পারায় মানববেতর জীবন যাপন করছেন।

 

 

সরেজমিন তথ্য সূত্রে জানা যায়, মনোহপুর মৌজার দাগ হাল দাগ ৭১৭ এবং নতুন দাগ ৯২৫ এর আওতাভুক্ত খারিজকৃত ১৮ শতাংশ জমির ক্রয় সুত্রে মালিকানা হয়ে প্রায় ১১ বছর যাবৎ জমি ভোগদখল আসা কালে ওই জমিতে গত ২ বছর পূর্বে তিনতলা পাকা বাড়ী নির্মাণে আরআরসিসি পিলার স্থাপনের কাজ শেষ করে।

 

 

সেখানে বাড়ী নির্মাণে নানাভাবে বাধাগ্রস্ত হওয়ায় নির্মাণ করতে না পাড়ায় পারিবারিকভাবে বসবাসে নানা ভাবে হয়রানির পায়তারা অব্যাহত রয়েছে। এঘটনায় উক্ত জমির কোন মালিকানা না থাকা সত্বেও স্থানীয় বানভাসী বেগম গংরা মকবুলের পরিবারটিকে নানা ভাবে হয়রানী করে আসছে।

 

 

এদিকে অপর এক ব্যক্তিকে দাতা সাজিয়ে দলিল সৃজন করে গাইবান্ধার বিজ্ঞ আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ে করে নানাভাবে হয়রানি করছেন। উক্ত মামলায় জমিটি পতিত দেখিয়ে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেছেন দায়িত্বপ্রাত্ব সার্ভেযার। এ প্রতিবেদনের বিষয়ে আদালতে নারাজি করায় আবারো সরেজমিনে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন বিজ্ঞ আদালত। এরআগে উক্ত বিষয়ে স্থানীয় হরিনাবাড়ী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র অভিযোগ দিয়েও আইনী সহায়তা না পেয়ে বরং বাড়ী নির্মাণ কাজে বাধাগ্রস্ত হয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার মকবুল হোসেন গংরা।

 

 

ভুক্তভোগী মকবুল হোসেন গংরা ভোগদখলের বিষয়টি সত্যতার বিষয়ে স্থানীয় জামে মসজিদের মোয়াজ্জিন মোঃ রাজু মিয়া জানান, মনোহরপুর গ্রামের বাসিন্দা মকবুল হোসেন ও তার পরিবার জমি অদলবদল এবং ক্রয় সূত্রে মালিকানা গ্রহন করে প্রায় ১১ বছর যাবৎ ভোগদখল করে আসছেন।

 

স্থানীয় প্রতিবেশী সাদেক আলী বলেন, আমরা দীর্ঘদিন থেকে দেখে আসছি এ জমিতে বৃক্ষরোপনসহ নানা ভাবে ভোগদখল করে আসছেন মকবুল হোসেন গংরা। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২ বছর আগে তারা সেখানে পাকা বাড়ী নির্মাণ করার উদ্দেশ্যে তিনতলা বাড়ীর ভিত্তিসহ আরসিসি পিলার স্থাপন করেন। অন্যদিকে জনৈক বানভাসী বেগম গংরা এ জমির মালিকানা দাবী করে নানাভাবে হয়রানী করে অব্যাহত রেখেছেন। তারপরও বানভাসী বেগম গংরা উক্ত জমির মালিকানা দাবী করে আদালতের স্মরণাপন্ন হয়ে ভোক্তভোগী পরিবারটিকে নানাভাবে হয়রানী করছেন বলে জানা যায়।

 

 

ভুক্তভোগী মকবুল হোসেন জানান, জমি বদল দিয়ে এবং ক্রয় সূত্রে জমিটি প্রায় ১১ বছর যাবৎ ভোগদখল করে আসছি। এরমধ্যে গত ২ বছর আগে বাড়ী নির্মাণের ৫০ ভাগ কাজ শেষ করার পর বানভাসী বেগম গংরা ঈর্ষান্বিত হয়ে আমার পরিবারকে নানাভাবে হয়রানীর করছেন।

 

 

আমি বিষয়টি সরেজমিন তদন্ত পূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনে সংশ্লিষ্টদের হস্তক্ষেপ কামনা করছি। এ বিষয়ে অভিযুক্ত বানভাসী বেগম গং-এর পরিবারের সাথে কথা বলতে গেলে তারা কেউ ওই জমি সম্পর্কে ােন মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Archives

SatSunMonTueWedThuFri
   1234
2627282930  
       
      1
       
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
2930     
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031     
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
©2014 - 2020. RajshahiNews24.Com . All rights reserved.
Theme Developed BY ThemesBazar.Com