প্রাথমিকে সংগীত শিক্ষক নিয়োগের প্রস্তাব নাকচ করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ


, আপডেট করা হয়েছে : 14-06-2026

প্রাথমিকে সংগীত শিক্ষক নিয়োগের প্রস্তাব নাকচ করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক (সংগীত) পদ সৃষ্টির প্রস্তাবে চূড়ান্তভাবে অসম্মতি জানিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। ফলে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আলাদা সংগীত শিক্ষক নিয়োগের সম্ভাবনা আপাতত শেষ হয়ে গেল। জাতীয় সংসদকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। 


রোববার (১৪ জুন) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে জামায়াতের সংসদ সদস্য মো. নূরুল ইসলামের এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে মন্ত্রী এই সিদ্ধান্তের কথা জানান।


প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে সংগীত শিক্ষা চালুর উদ্যোগকে ঘিরে গত কয়েক মাস ধরে রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্ক চলছিল। বিশেষ করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংগীত শিক্ষা অন্তর্ভুক্তির সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে আসছিল হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ।


সংগঠনটির দাবি ছিল, ধর্মপ্রাণ মুসলিম অভিভাবকদের মতামত উপেক্ষা করে সংগীত শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হলে তা শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় মূল্যবোধ ও স্বাধীনতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে। তারা সংগীত শিক্ষকের পরিবর্তে ধর্মীয় শিক্ষা সংশ্লিষ্ট শিক্ষক নিয়োগের দাবি জানিয়ে আসছিল।


এর আগে ২০২৫ সালের ২৮ আগস্ট জারি হওয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০২৫-এ সাধারণ সহকারী শিক্ষকের পাশাপাশি সংগীত ও শারীরিক শিক্ষা বিষয়ে শিক্ষক নিয়োগের সুযোগ রাখা হয়েছিল।


তবে বিভিন্ন ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের আপত্তি এবং আন্দোলনের মুখে একই বছরের নভেম্বরে বিধিমালাটি সংশোধন করে তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকার। সংশোধিত বিধিমালায় সংগীত ও শারীরিক শিক্ষা বিষয়ে শিক্ষক নিয়োগের বিধান বাদ দিয়ে শুধু প্রধান শিক্ষক ও সাধারণ সহকারী শিক্ষক নিয়োগের ব্যবস্থা রাখা হয়।



  • সম্পাদক ও প্রকাশক: ইঞ্জিনিয়ার মো: রায়হানুল ইসলাম

  • উপদেষ্টাঃ মোঃ ইব্রাহীম হায়দার