দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে দেশজুড়ে চলা ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৫-২৬’-এর প্রথম আসরের শেষ বাঁশি বাজতে যাচ্ছে। সোমবার (২৭ জুলাই) বিকেল সাড়ে তিনটায় রাজধানীর আর্মি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় পর্বের গ্র্যান্ড ফাইনাল ও বর্ণাঢ্য সমাপনী অনুষ্ঠান। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ী খুদে ক্রীড়াবিদদের হাতে পুরস্কার তুলে দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
প্রধান অতিথির দিকনির্দেশনামূলক ভাষণের পর বিজয়ী খুদে অ্যাথলেটদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে। পরে অতিথিরা বিজয়ীদের সঙ্গে অফেগা আয়োজনের আঞ্চলিক পর্বের উদ্বোধন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী।
দেশের সব উপজেলা ও জেলা থেকে ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার শিশু-কিশোর ফুটবল, ক্রিকেট, কাবাডি, অ্যাথলেটিক্স, ব্যাডমিন্টন, দাবা, সাঁতার ও মার্শাল আর্টস উৎসবের জাতীয় পর্বের গ্র্যান্ড ফাইনাল ও জমকালো সমাপনী অনুষ্ঠান।
সমাপনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
এদিন বিকেল ৪টায় ভেন্যুতে পৌঁছে প্রধানমন্ত্রী রাজশাহী ও রংপুর অঞ্চলের মধ্যে অনুষ্ঠিত বালিকা বিভাগের ফুটবল ফাইনালের দ্বিতীয়ার্ধ উপভোগ করবেন। ফুটবল ম্যাচ শেষে অনুষ্ঠিত হবে বালক ও বালিকা বিভাগের ১০০ মিটার স্প্রিন্টের উত্তেজনাপূর্ণ ফাইনাল।
খেলা শেষে প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন এবং থিম সংয়ের সঙ্গে শিশু শিল্পীদের মনোজ্ঞ নৃত্য পরিবেশনা উপভোগ করবেন আমন্ত্রিত অতিথিরা। প্রধান অতিথির দিকনির্দেশনামূলক ভাষণের পর বিজয়ী খুদে অ্যাথলেটদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে। পরে অতিথিরা বিজয়ীদের সঙ্গে অফিশিয়াল ফটো-সেশনেও অংশ নেবেন।
উল্লেখ্য, গত ২ মে সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে এই ক্রীড়া মেগা আয়োজনের আঞ্চলিক পর্বের উদ্বোধন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। দেশের সব উপজেলা ও জেলা থেকে ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার শিশু-কিশোর ফুটবল, ক্রিকেট, কাবাডি, অ্যাথলেটিক্স, ব্যাডমিন্টন, দাবা, সাঁতার ও মার্শাল আর্টস- এই আটটি ডিসিপ্লিনে অংশ নেয়।
আঞ্চলিক পর্ব শেষে গত ২০ জুলাই ঢাকার বিভিন্ন ভেন্যুতে শুরু হওয়া জাতীয় পর্বে দেশের ১০টি অঞ্চল থেকে প্রায় ১ হাজার ৭০০ ক্রীড়াবিদ ও কর্মকর্তা অংশ নেন।
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রতিযোগিতার বিভিন্ন ডিসিপ্লিনে প্রতিভার স্বাক্ষর রাখা খেলোয়াড়দের ইতোমধ্যে বিশেষ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বাছাইকৃত এসব খুদে প্রতিভাকে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি)-এর বিভিন্ন শাখায় রেখে আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়াবিদ হিসেবে গড়ে তোলা হবে।
পাশাপাশি এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য কোমলমতি শিশুদের ডিজিটাল গ্যাজেটের আসক্তি থেকে দূরে রেখে আবারও খেলার মাঠে ফিরিয়ে আনা।