১০ এপ্রিল ২০২৬, শুক্রবার, ০৪:০৩:১৯ পূর্বাহ্ন
তারেক রহমানের বিজয়কে যেভাবে দেখছে ভারতীয় মিডিয়া
  • আপডেট করা হয়েছে : ১৪-০২-২০২৬
তারেক রহমানের বিজয়কে যেভাবে দেখছে ভারতীয় মিডিয়া

সব আশঙ্কার অবসান ঘটিয়ে বাংলাদেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভূমিধস জয় পেয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। এনিয়ে ইতোমধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন রাষ্ট্রনেতা বিএনপি'র চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তবে এই তালিকায় একধাপ যেন এগিয়ে আছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্টের মাধ্যমে তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানানো ছাড়াও টেলিফোন করেছেন। 


ভারতের এমন শুভেচ্ছাবার্তা দেশটির গণমাধ্যমে বেশ গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেছে। সেইসঙ্গে দেশটিতে আশ্রয় নেওয়া বাংলাদেশের গণ-অভ্যুত্থানে পতন হওয়া শেখ হাসিনার বাণী। 


বাংলাদেশের নির্বাচনের পরের দিন আনন্দবাজার পত্রিকার অনলাইনে প্রধান প্রতিবেদনটির শিরোনাম ছিল—‘নৌকাবিহীন ভোটে বাংলাদেশের আস্থা চেনা ধানের শিষের উপর, ক্রমশ পিছোতে পিছোতে কুড়ি বছর পর “সবার আগে” বিএনপি।’




প্রতিবেদনে বলা হয়, শেষ কয়েক দশক ধরে বাংলাদেশের রাজনীতি আবর্তিত হয়েছে খালেদা এবং হাসিনাকে কেন্দ্র করেই। এই অক্ষ থেকে বাংলাদেশের রাজনীতিকে বার করে আনার ডাক দিয়েছিলেন জামায়াত, এনসিপি-র নেতারা। কিন্তু, বাংলাদেশের জনগণ এখনো অচেনা বা অল্প চেনাদের হাতে শাসনভার দিতে স্বচ্ছন্ন নন।


আরেক প্রতিবেদনের শিরোনাম ছিল—‘ভোটে হারলেও বাংলাদেশের গণতন্ত্রের ইতিহাসে সেরা ফল জামায়েতের, শফিকুরদের উত্থান কি চাপে ফেলে দেবে ভারতকে’।


সকালে এক শীর্ষ প্রতিবেদনের শিরোনাম ছিল, ‘তারেককে অভিনন্দন জানিয়ে সমাজমাধ্যমে বাংলায় পোস্ট মোদির, একসঙ্গে কাজের বার্তা, শুভেচ্ছা জানালো আমেরিকাও’। একই দিনে পত্রিকাটির অপর প্রতিবেদনের শিরোনাম ছিল—‘ঘনিষ্ঠতা চায় পাকিস্তান, বাংলাদেশে তারেক রহমানের জয় নিশ্চিত হতেই পোস্ট পাক প্রধানমন্ত্রী, প্রেসিডেন্টের! কী বার্তা।’



প্রতিবেদনটিতে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির বার্তা তুলে ধরে বলা হয়, ‘সবকিছু ঠিক থাকলে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানই হতে চলেছেন সে দেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী। জয় নিশ্চিত জেনে পাকিস্তান থেকেও এলো শুভেচ্ছাবার্তা। তারেককে জয়ের অভিনন্দন জানিয়ে সমাজমাধ্যম পোস্ট করলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। বাংলাদেশ-পাকিস্তানের সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ করার বার্তা দিয়েছেন তিনি। বার্তা এসেছে পাক প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারির কাছ থেকেও।’


ভোটের দিন বিকেলে বাংলাদেশের নির্বাচনের খবরের পাশাপাশি সংবাদমাধ্যমটি হাসিনার বার্তা নিয়ে ভিন্ন প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল। সেই প্রতিবেদনটি পরদিন দুপুরেও দৈনিকটির ওয়েবসাইটে দেখা যায়। প্রতিবেদন অনুসারে, ‘সমাজমাধ্যমে হাসিনার দাবি, দেশবাসী এই “প্রহসনের ভোটকে প্রত্যাখ্যান” করেছেন।’


এ ছাড়া আজকাল-এর প্রধান প্রতিবেদনের শিরোনাম ছিল, ‘এপার-ওপার সুসম্পর্কের বার্তা, “তারেকভাইকে” শুভেচ্ছা বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতার’। 


প্রতিবেদনে বলা হয়,  ওপার বাংলায় নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জয়ের পথে বিএনপি। আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না হলেও, মোদি থেকে মমতা, তারেক রহমানকে বিজয়ের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।


শেয়ার করুন