জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ৭ হাজার ৩ কোটি ৩৬ লাখ টাকা ব্যয়ে ৫টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন থেকে খরচ হবে ৪ হাজার ৫৩৬ কোটি ১০ লাখ টাকা এবং প্রকল্প ঋণ ২ হাজার ৪৬৭ কোটি ২৬ লাখ টাকা। অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে নতুন প্রকল্প ৩টি ও সংশোধিত প্রকল্প ২টি।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিসভা কক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় প্রকল্পগুলোর চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপার্সন তারেক রহমান। এবারের সভায় অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে ৩টি সম্পূর্ণ নতুন এবং ২টি সংশোধিত প্রকল্প রয়েছে।
সভায় অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন একটি বিশেষ প্রকল্প রয়েছে, যা হলো ‘সাপোর্টিং ইনফ্রাস্ট্রাকচার প্রজেক্ট ফর চাইনিজ ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন’। এছাড়া পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে তিনটি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ফেনী জেলাধীন মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন (১ম পর্যায়) প্রকল্প, করতোয়া নদী সিস্টেম উন্নয়ন প্রকল্প এবং পদ্মা নদীর ভাঙন হতে কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর উপজেলাধীন তালবাড়িয়া এবং কুমারখালী উপজেলাধীন শিলাইদহ ইউনিয়নের কোমরকান্দি এলাকা রক্ষা (১ম সংশোধিত) প্রকল্প। পাশাপাশি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে ‘১০০টি উপজেলায় ১টি করে টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ স্থাপন (৩য় সংশোধিত)’ প্রকল্পটিও আজকের সভায় অনুমোদন পায়।
এই ৫টি প্রধান প্রকল্পের পাশাপাশি সভায় পরিকল্পনামন্ত্রীর মাধ্যমে এর আগে অনুমোদিত ৫০ কোটি টাকার কম ব্যয় সম্বলিত আরও ৪টি প্রকল্প সম্পর্কে একনেক কমিটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করা হয়েছে। এই প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ঘাঁটি কক্সবাজারে বিমানসেনা ব্যারাক কমপ্লেক্স নির্মাণ প্রকল্প, নৌবাহিনী স্কুল অ্যান্ড কলেজ সাভার স্থাপন প্রকল্প, বাংলাদেশ বিমান বাহিনী স্টেশন শমসেরনগর বিদ্যমান বিএএফ শাহীন কলেজের শিক্ষার মান উন্নয়ন ও শিক্ষাদান সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য ভৌত অবকাঠামো নির্মাণ প্রকল্প এবং প্যাগোডাভিত্তিক প্রাক-প্রাথমিক ও ক্রিপিটক শিক্ষা কার্যক্রম ৪র্থ পর্যায় প্রকল্প।