শেষ মুহূর্তে মারকিওনিসের গোলে কষ্টার্জিত জয় ব্রাজিলের


, আপডেট করা হয়েছে : 13-09-2023

শেষ মুহূর্তে মারকিওনিসের গোলে কষ্টার্জিত জয় ব্রাজিলের

জয় পেলেও আর্জেন্টিনার ঠিক বিপরীত চিত্র ব্রাজিলের। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীরা যখন বলিভিয়ার বিপক্ষে ৩–০ গোলের ব্যবধানে বিশাল জয় পায়, তখন পেরুর বিপক্ষে কষ্টার্জিত জয় পেতে হয় পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের। 

পেরুর বিপক্ষে জয়সূচক গোলটিও আসে একদম শেষ মুহূর্তে। ৯০ মিনিটে ব্রাজিলকে আনন্দে ভাসান মারকিনিওস। ডিফেন্ডারের হেডেই শেষ পর্যন্ত প্রতিপক্ষের বিপক্ষে ১–০ ব্যবধানের জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে সেলেসাওরা। 

অথচ, ব্রাজিলের স্কোয়াডে তারকা ফরোয়ার্ডের অভাব নেই। সর্বশেষ ম্যাচেই বলিভিয়াকে ৫–১ গোলে উড়িয়ে দেওয়ার ম্যাচে আক্রমণভাগের তিন ফুটবলার গোল করেছিলেন। সেদিন জোড়া গোল করে পেলেকে ছাড়িয়ে ব্রাজিলের সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড গড়েন নেইমার। কিন্তু আজ তাঁকেসহ অন্য ফরোয়ার্ডদের বোতলবন্দী করে রাখে পেরু। নিজেদের মাঠের সুবিধাটা ৮৯ মিনিট পর্যন্ত বেশ ভালোভাবেই কাজে লাগালেও শেষ পর্যন্ত হারই মেনে নিতে হয়েছে পেরুকে। 

তবে ব্রাজিলের আক্রমণভাগের খেলোয়াড়েরা জাল খুঁজে পাননি এমনটা নয়। প্রথমার্ধে দুবার পেরুর জালে বল জড়িয়েছিলেন রাফিনিয়া ও রিচার্লিসন। কিন্তু দুবারই অফসাইডে বাতিল হয়। ১৭ মিনিটে করা রাফিনিয়ার গোল ভিএআরে না গেলেও রিচার্লিসনেরটা কম্পিউটারের সহায়তা বাতিল হয়। টটেনহাম তারকার করা গোলটি বাতিল করতে প্রায় ৫ মিনিটের বেশি সময় রেফারিকে কম্পিউটারে চোখ রাখতে হয়েছে। ইঞ্চিখানেক ব্যবধানের কারণে গোলটি অফসাইডে বাতিল করেন রেফারি। 

অফসাইড ভাগ্যের সঙ্গে প্রতিপক্ষের গোলরক্ষক পেদ্রো গ্যালাসেও ব্রাজিলের বাধা হয়ে দাঁড়ায়। নেইমার–রাফিনিয়াদের বেশ কটি নিশ্চিত গোল রুখে দেন গ্যালাসে। ৪৪ মিনিটে নেইমারের জোরালো এক শট রুখে দেওয়ার পর ৭২ মিনিটেও একই কাজ করেন তিনি। এবার হতাশ করেছেন ২০ গজ দূর থেকে শট নেওয়া রাফিনিয়াকে। দুর্দান্ত কিছু সেভ করেও শেষ পর্যন্ত প্রতিপক্ষকে রুখতে পারেননি পেরুর গোলরক্ষক। কাঁটায় কাঁটায় ৯০ মিনিটের সময় নেইমারের নেওয়া কর্নার কিক থেকে দলকে জয়সূচক গোল এনে দেন মারকিওনিস। এ জয়ে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে টানা ৩৬ ম্যাচে অপরাজিত থাকল ব্রাজিল।


  • সম্পাদক ও প্রকাশক: ইঞ্জিনিয়ার মো: রায়হানুল ইসলাম

  • উপদেষ্টাঃ মোঃ ইব্রাহীম হায়দার