একুশে পদকপ্রাপ্ত নৃত্যশিল্পী জিনাত বরকতউল্লাহর মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক


, আপডেট করা হয়েছে : 21-09-2023

একুশে পদকপ্রাপ্ত নৃত্যশিল্পী জিনাত বরকতউল্লাহর মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

একুশে পদকপ্রাপ্ত খ্যাতিমান নৃত্যশিল্পী ও অভিনেত্রী জিনাত বরকতউল্লাহর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।


শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জিনাত বরকতউল্লাহ দেশের একজন বরেণ্য সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি হলো।’ শোক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী মরহুমার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস‍্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।


গতকাল বুধবার বিকেলে ধানমন্ডির নিজ বাসায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন জিনাত বরকতউল্লাহ। তিনি দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন। চলতি বছরের প্রথমদিকে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ এবং ফুসফুসে সংক্রমণ দেখা দেয় তাঁর। শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে গত ১৫ মার্চ ঢাকার আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে। তিন দিন হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখার পর গত ১৮ মার্চ কেবিনে নিয়ে আসা হয়েছে তাঁকে।


একুশে পদকপ্রাপ্ত নৃত্যশিল্পী জিনাত বরকতউল্লাহর মৃত্যুএকুশে পদকপ্রাপ্ত নৃত্যশিল্পী জিনাত বরকতউল্লাহর মৃত্যু

স্বাধীনতা পরবর্তীকালে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক আন্দোলনের ধারায় নৃত্য চর্চার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন জিনাত বরকতউল্লাহ। নৃত্যে বিশেষ অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে ২০২২ সালে একুশে পদক প্রদান করে।


কেবল নৃত্য চর্চায় নয়, ১৯৮০ সালে বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রচারিত ‘মারিয়া আমার মারিয়া’ নাটকে অভিনয়ের মাধ্যমে অভিনেত্রী হিসেবেও যাত্রা শুরু করেন। প্রায় ৮০টি টেলিভিশন নাটকে অভিনয় করেছেন।


ব্যক্তিগত জীবনে নাট্যকার মোহাম্মদ বরকতুল্লাহর সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। ২০২০ সালের ৩ আগস্ট মোহাম্মদ বরকতুল্লাহ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন।



  • সম্পাদক ও প্রকাশক: ইঞ্জিনিয়ার মো: রায়হানুল ইসলাম

  • উপদেষ্টাঃ মোঃ ইব্রাহীম হায়দার