মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় প্রবেশ করেছে বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন ও ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ। এতে ইরানের সম্ভাব্য মার্কিন হামলা নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে।
এরপরই ইরান ও হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে এসেছে কড়া বার্তা। ইরান জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো আগ্রাসনের জবাবে তারা পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানাতে প্রস্তুত। এছাড়া হিজবুল্লাহ জানিয়েছে, তেহরানের ওপর যেকোনো হামলা পুরো অঞ্চলকে অগ্নিগর্ভ করে তুলবে।
এমন মুহূর্তে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি চুক্তি করতে চায়।
স্থানীয় সময় সোমবার (২৬ জানুয়ারি) অ্যাক্সিওসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘ইরানের পরিস্থিতি অস্থির।’
কারণ হিসেবে তিনি জানিয়েছেন, ইরানের কাছাকাছি এলাকায় ‘বড় নৌবহর’ পাঠিয়েছেন এবং তিনি মনে করেন তেহরান ওয়াশিংটনের সঙ্গে চুক্তি করতে আগ্রহী।
তিনি অ্যাক্সিয়সকে বলেন, ‘ইরানের কাছাকাছি এলাকায় আমাদের একটি বড় নৌবহর আছে। ভেনেজুয়েলার চেয়ে বড়। তারা চুক্তি করতে চায়। আমি এটা জানি। তারা বহুবার ফোন করেছে। তারা আলাপ করতে চায়।’
পরবর্তীতে এক ব্রিফিংয়ে একজন মার্কিন কর্মকর্তা সাংবাদিকদের বলেন, ‘ইরান সম্পর্কে, আমরা খোলামেলা আছি। যদি আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে চায় এবং তারা শর্তগুলো সম্পর্কে অবগত, তাহলে আমরা আলাপ চালাব।’
উল্লেখ্য, ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন-এর ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপের এই মোতায়েন অঞ্চলটিতে মার্কিন সামরিক শক্তি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে প্রবেশ করা এই নিমিটজ-ক্লাসের বিমানবাহী জাহাজের উদ্দেশ্য আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং স্থিতিশীলতা বাড়ানো।