ডাকসু নিয়ে অশালীন মন্তব্য: সেই নেতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিল জামায়াত


, আপডেট করা হয়েছে : 27-01-2026

ডাকসু নিয়ে অশালীন মন্তব্য: সেই নেতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিল জামায়াত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) একসময় ‘বেশ্যাখানা’ ছিল— এমন মন্তব্য করা মো. শামীম আহসানের পদ স্থগিত করেছে জামায়াতে ইসলামী। একইসঙ্গে সব ধরনের সাংগঠনিক দায়-দায়িত্ব থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।



সোমবার (২৫ জানুয়ারি) তার বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়। শামীম বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি।


জামায়াতের পক্ষ থেকে জানানো হয়, তার মন্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ মর্মাহত ও ক্ষুব্ধ হয়েছেন। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়। এতে সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে বলেও মনে করছে দলটি।


সংগঠনের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থি এ ধরনের বক্তব্যের দায়ে জেলা কর্ম পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট নেতার বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সদস্য (রুকন) পদ স্থগিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে জেলা সহকারী সেক্রেটারির দায়িত্বসহ সংগঠনের সব ধরনের সাংগঠনিক দায়-দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।


জামায়াতে ইসলামীর দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষা এবং সংগঠনের নীতি ও আদর্শ সমুন্নত রাখতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের বক্তব্য বা কর্মকাণ্ডের ক্ষেত্রে আরও কঠোর অবস্থান নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়।


উল্লেখ্য, উল্লেখ্য, শনিবার (২৪ জানুয়ারি) রাতে বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার কাকচিড়া ইউনিয়নের কাটাখালী এলাকায় বরগুনা-২ আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ডা. সুলতান আহমেদের নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য দেন শামীম আহসান।


সেখানে তিনি বলেন, ‘আমরা দেখছি, ডাকসু নির্বাচনের পরে- যে ডাকসু মাদকের আড্ডা ছিল, যে ডাকসু বেশ্যাখানা ছিল, সেটা ইসলামী ছাত্রশিবির পরিবর্তন করতে সক্ষম হয়েছে। তাই এই বাংলাদেশ থেকে সব ধরনের অন্যায়, সব ধরনের চাঁদাবাজ ও দুর্নীতি উৎখাত করতে জামায়াতে ইসলামী সক্ষম।’



  • সম্পাদক ও প্রকাশক: ইঞ্জিনিয়ার মো: রায়হানুল ইসলাম

  • উপদেষ্টাঃ মোঃ ইব্রাহীম হায়দার