যারা ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছিল তারা চলে গেছে, তবে আরেকটি মহল ষড়যন্ত্র শুরু করছে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। কীভাবে নির্বাচনকে ক্ষতিগ্রস্ত ও বাধাগ্রস্ত করা যায় ভেতরে ভেতরে সেই ষড়যন্ত্র করছে বলে জানান তিনি।
নির্বাচনে ধানের শীষ জয়ী হলে পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণ কাজ শুরু করা হবে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বেলা আড়াইটার পর রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদরাসা মাঠে আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
এ ছাড়াও রাজশাহীতে বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হবে বলেও ঘোষণা দেন তারেক রহমান।
তারেক রহমান বলেন, আমরা শান্তিতে বিশ্বাস করি। কারণ শান্তি থাকলে আমাদের কাজগুলো বাস্তবায়ন করতে পারব। আমরা ঝগড়া-ফ্যাসাদে যেতে চাই না। যেতে চাই না বলেই এখানে দাঁড়িয়ে আজ আমি কারও কোনো সমালোচনা করছি না। কারণ আমি যদি কোনো সমালোচনা করি, কারও কোনো লাভ হবে?
অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে অন্তর্বর্তী সরকারকে সুষ্ঠু তদন্তের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আমি কোনো সমালোচনায় যেতে চাই না। কোথাও যদি কোনো ঘটনা ঘটে থাকে, অন্তর্বর্তী সরকারকে বলব— সঠিক, সুষ্ঠু তদন্ত করুন। সেই তদন্তে বিএনপির কোনো ভূমিকা থাকলে আমরা সহযোগিতা করব। কিন্তু অবশ্যই ঘটনার সঠিক তদন্ত করতে হবে।
বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, বিগত ১৬ বছর আমরা কয়েকটি তথাকথিত নির্বাচন দেখেছি নিশিরাতের নির্বাচন দেখেছি, গায়েব নির্বাচন দেখেছি, দেশের মানুষ ভোট দিতে পারেন। পেরেছিলেন আপনারা? পারেননি আপনারা ভোট দিতে। তারা চলে গেছে যারা ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছিল।
আরেকটি মহল ষড়যন্ত্র শুরু করছে উল্লেখ করে, ভেতরে ভেতরে ষড়যন্ত্র করছে। কীভাবে এই নির্বাচনকে ক্ষতিগ্রস্ত করা যায়, বাধাগ্রস্ত করা যায়।
আগামী ১২ তারিখের নির্বাচন যাতে কেউ বানচাল করতে না পারে সেজন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে, সজাগ থাকার আহ্বান জানান তিনি।
এর আগে দুপুর ২টায় তারেক রহমান মঞ্চে উঠলে নেতা-কর্মী-সমর্থকরা করতালি দিয়ে তাকে স্বাগত জানান, তিনি হাত নেড়ে শুভেচ্ছার জবাব দেন। সারা দেশে নির্বাচনি প্রচারের অংশ হিসেবে বিএনপির চেয়ারম্যান দুপুর ১২টায় আকাশপথে রাজশাহী বিমানবন্দরে পৌঁছান। এরপর তিনি সুফি সাধক শাহ মখদুম (র.) এর মাজার জিয়ারত করেন।