রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনারের কঠোর দিকনির্দেশনায় মহানগরীতে মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার করা হয়েছে। বিশেষ মাদকবিরোধী টিম, মহানগর গোয়েন্দা শাখা ডিবি, কাশিয়াডাঙ্গা ও শাহমখদুম থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে গত ২৬ ও ২৭ জুলাই ২০২৬ তারিখে ৪ মাদক ব্যবসায়ী ও ৩ মাদকসেবীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এসময় গাঁজা ও ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। গত ২৭ জুলাই রাত ১১টায় বিশেষ মাদকবিরোধী টিম রাজপাড়া থানার দাশপুকুর ঈদগাহ মাঠের দক্ষিণ পাশে রেললাইনের ধার থেকে রাজপাড়ার বহরমপুর এলাকার মো: শহিদুল ইসলামের ছেলে মো: সুরুজ (২০) ও গোদাগাড়ীর কাকনহাটের মো: নয়ন আলীর ছেলে মো: মিজান আলী (২২)-কে গ্রেপ্তার করে। এসময় সুরুজের কাছ থেকে ১০ পিস ইয়াবা ও ১১৪ গ্রাম গাঁজা এবং মিজানের কাছ থেকে ৩৯.৯ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। একই দিন সন্ধ্যা পৌনে ৭টায় মহানগর গোয়েন্দা শাখা ডিবি চন্দ্রিমা থানার মেহেরচন্ডী কড়ইতলা এলাকা থেকে মেহেরচন্ডী দক্ষিণপাড়ার মৃত করিমের ছেলে মো: সাকিল আহম্মেদ ওরফে শাফিন (৪০)-কে গ্রেপ্তার করে। তার কাছ থেকে ১০০ গ্রাম গাঁজা ও ১ হাজার ৫০০ টাকা জব্দ করা হয়।
শাফিনের বিরুদ্ধে চন্দ্রিমা থানায় ৪টি মাদক মামলা রয়েছে। ২৮ জুলাই রাত ২টায় ডিবি চন্দ্রিমার হাজরাপুকুর ডাবতলা এলাকায় মৃত আব্দুল খালেকের ছেলে মো: মামুন শেখ (৩৬)-এর বাড়িতে অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মামুন পালিয়ে গেলেও তার বাড়ি থেকে ৭৫০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। মামুনের বিরুদ্ধে চন্দ্রিমা থানায় ৩টি মাদক মামলা রয়েছে। ২৭ জুলাই সন্ধ্যা ৬টায় কাশিয়াডাঙ্গা থানা পুলিশ কোর্ট স্টেশন মোড় এলাকা থেকে হড়গ্রাম পীরসাহেব পাড়ার মৃত শয়াব আলীর ছেলে মো: আবু সাইদ (৫৫)-কে ৪ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করে। ২৬ জুলাই রাত সাড়ে ৮টায় শাহমখদুম থানা পুলিশ বড় বনগ্রাম মাস্টারপাড়া এলাকা থেকে ডাঙ্গিপাড়ার মো: হাবিবুর রহমানের ছেলে মো: সাইফুল ইসলাম (৪৮), বড়বনগ্রামের মৃত আব্দুল রহমানের ছেলে মো: আহাদ আলী (৩৮) ও দক্ষিণ নওদাপাড়ার মৃত আলী হোসেনের ছেলে মো: আব্দুল খালেক (৪০)-কে গ্রেপ্তার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা গাঁজা সেবনের কথা স্বীকার করে। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।