পে স্কেলে বাড়িভাড়া-শিক্ষা ভাতা বৃদ্ধিসহ দুই ধাপে বাস্তবায়ন দাবি


, আপডেট করা হয়েছে : 09-09-2026

পে স্কেলে বাড়িভাড়া-শিক্ষা ভাতা বৃদ্ধিসহ দুই ধাপে বাস্তবায়ন দাবি

নবম জাতীয় পে স্কেলে বাড়িভাড়াসহ শিক্ষা ভাতা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি।



বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃবিতে সংগঠনের সভাপতি আবদুল মালেক ও মহাসচিব আশিকুল ইসলাএমর পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে এ আহবান জানানো হয়েছে। দুই ধাপে পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিও তুলেছেন তারা।


বিজ্ঞপ্তিতে সমিতির শীর্ষ দুই নেতা বলেন, ‘দীর্ঘ প্রায় ১২ বছর পরে ৯ম পে স্কেল হতে যাচ্ছে, এই ১২ বছরে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়েনি, বেড়েছে দ্রব্যমূল্য, বাসা ভাড়া, শিক্ষা-চিকিৎসা ব্যয়। মফস্বল এলাকায় এবং ঢাকা শহর ও সিটি করপোরেশন শহরের মতো পাল্লা দিয়ে বেড়েছে বাসাভাড়া, গ্যাস-বিদ্যুতের দাম, যার ফলে কর্মচারীরা দিশেহারা।


পে স্কেল অনুমোদন হয়েছে ৩১ আগস্ট, আজ ৯ সেপ্টেম্বরেও প্রজ্ঞাপন না হওয়ায় কর্মচারীদের অস্থিরতা বাড়ছে উল্লেখ করে তারা বলেন, এরই মধ্যে অত্যন্ত গোপনীয় সচিব পর্যায়ে সুপারিশ প্রণয়ন কমিটির স্বাক্ষরিত একটি সুপারিশনামা সোশ্যাল মিডিয়া তথা ফেসবুকে প্রচারিত হচ্ছে। যেখানে পে স্কেলের যাবতীয় তথ্যসহ সরকারি চাকরিজীবীদের বিভিন্ন ভাতার কথা উল্লেখ রয়েছে, সেখানে দেখা যায় ঢাকা ও সিটি কর্পোরেশন শহর এবং মফস্বল শহরেও বাড়ি ভাড়া ভাতা বাড়ানোর পরিবর্তে কমানোর সুপারিশ করেছেন সচিব কমিটি।


‘কমানো হয়েছে বৈশাখী ভাতা। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় শিক্ষা ভাতা অপরিবর্তিত রাখার সুপারিশ করা হয়েছে, যা কর্মচারীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ ও ক্ষোভের সৃষ্টি করছে। দীর্ঘ ১২ বছরের শিক্ষাক্ষেত্রে আমুল পরিবর্তন হয়েছে। শিক্ষা ব্যয় মিটিয়ে দুই সন্তানের পড়াশুনা চালানো প্রতিটি সরকারি চাকরিজীবীর পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়েছে’, যোগ করেন তারা।



এতে আরও বলা হয়েছে, স্কুল কলেজের বেতন, টিউশন ফি, ভর্তি ফি, প্রতিমাসের টিউটরিয়াল পরীক্ষার ফি, একই স্কুলে প্রতিবছর ভর্তি করার ব্যবস্থা শিক্ষাব্যবস্থাকে কলঙ্কিত করেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের হর্তাকর্তারা। কোটি কোটি টাকা কামিয়ে নিচ্ছে অসাধু ব্যবসায়ী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো, যার কোনো নজরদারি নেই। অথচ এই নবম পে স্কেলে সেই শিক্ষা ভাতাও বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়নি, যা প্রতিটি চাকরিজীবী পরিবারের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।’


তারা বলেন, মুল বেতন এক ধাপে দেয়ার পরিবর্তে ৩ ধাপে বাস্তবায়ন করার সিদ্ধান্তে কর্মচারীদের বেতন প্রথম ধাপে যে পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে, তা থেকে আবার ১৫ শতাংশ বিশেষ ভাতা সমন্বয় করে যা হাতে পাবে, তা দিয়ে এক সপ্তাহের বাজার খরচ হবে না। এ অবস্থায় ৩ ধাপের পরিবর্তে দুই ধাপে বাস্তবায়ন করার দাবি জানান তারা। পাশাপাশি বাড়ি ভাড়া ভাতা, বৈশাখী ভাতা, শিক্ষা ভাতা গেজেট প্রকাশের পূর্বে পুনঃবিবেচনা করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সরকারি চাকরিজীবী নেতারা।



  • সম্পাদক ও প্রকাশক: ইঞ্জিনিয়ার মো: রায়হানুল ইসলাম

  • উপদেষ্টাঃ মোঃ ইব্রাহীম হায়দার