০১ জুলাই ২০২২, শুক্রবার, ১১:৩৮:০৮ পূর্বাহ্ন
রোজায় ইফতার ও আর্থিক অনুদান দেওয়ার গুরুত্ব
  • আপডেট করা হয়েছে : ২৯-০৪-২০২১
রোজায় ইফতার ও আর্থিক অনুদান দেওয়ার গুরুত্ব ফাইল ছবি

ভোর রাতে সাহরি ও দিনশেষে ইফতার করা রোজার দুটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ ও ইবাদত। উভয় কাজের মাধ্যমেই পূর্ণ হয় রোজা। রমজানজুড়ে এই কাজ দুটির রয়েছে আলাদা গুরুত্ব ও তাৎপর্য। কেননা রাতের সাহরি খাওয়া সুন্নাত ও কল্যাণের। যতদিন সময় হওয়ার সঙ্গে ইফতার করা হয় ততদিন রোজাদারের জন্য বরকত ও কল্যাণ নাজিল হতে থাকে। যদি কেউ কাউকে ইফতার করায় তার জন্য রয়েছে অতিরিক্ত সাওয়াব ও তাৎপর্য। যাতে ইফতার গ্রহণকারী ও ইফতারের আয়োজনকারী কারোরই সাওয়াব কমানো হবে না। রোজাদার গরিব কিংবা ধনী হোক, বন্ধু হোক বা আত্মীয়, দূরের বা কাছের, সে যে-ই হোক না কেন, তাকে ইফতার করালে তাতে উভয়ের জন্য রয়েছে বড় উপকার। রোজাদারকে ইফতার করানো- সাওয়াব বৃদ্ধি এবং গোনাহ মাফের আমল হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। হাদিসে এসেছে- হজরত জায়েদ ইবনে জুহানি রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন, ‘যে ব্যক্তি রোজাদারকে ইফতার করাল, তারও রোজাদারের ন্যায় সাওয়াব হবে; তাতে রোজাদারের সাওয়াব বা নেকি বিন্দুমাত্র কমানো হবে না। (তিরমিজি, ইবনে মাজাহ, নাসাঈ) প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরও ইরশাদ করেছেন, ‘যে রোজাদারকে ইফতার করাল, তাকে পানাহার করাল, তাকেও রোজাদারের সমান সাওয়াব দেওয়া হবে; তাতে তার (রোজাদারের) নেকি বিন্দুমাত্র হ্রাস করা হবে না।’ (তাবারানি, মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক) এমনকি ইফতারের জন্য কেউ কাউকে দাওয়াত করলে তা গ্রহণ করায় রয়েছে কল্যাণ। হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর দাওয়াত গ্রহণের একটি বর্ণনা তিনি নিজ ভাষায় তুলে ধরেছেন- হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, তাঁকে এক নারী ইফতারের জন্য দাওয়াত করল; তিনি তাতে সাড়া দিলেন এবং বললেন, ‘আমি তোমাকে (নারীকে) বলছি, যে ঘরের অধিবাসী কোনো রোজাদারকে ইফতার করাবে, তাদের জন্য তার অনুরূপ সাওয়াব হবে। নারী বলল, ‘আমি চাই আপনি ইফতারের জন্য আমার কাছে কিছুক্ষণ অবস্থান করুন, বা এ জাতীয় কিছু বলেছে। তিনি বললেন, ‘আমি চাই এ নেকি আমার পরিবার অর্জন করুক। (মুসান্নেফে ইবনে আব্দুর রাজ্জাক)

শেয়ার করুন