০৫ ডিসেম্বর ২০২২, সোমবার, ০৪:২৭:৫৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
রাতেই হাসপাতাল থেকে মুক্তি পেতে পারেন সম্রাট
  • আপডেট করা হয়েছে : ২২-০৮-২০২২
রাতেই হাসপাতাল থেকে মুক্তি পেতে পারেন সম্রাট

অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের মামলায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটের জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত। আদালত থেকে কারাগার হয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএসএমইউ) হাসপাতালে সম্রাটের জামিনের নথি পৌঁছালে কারা কর্তৃপক্ষ তাকে মুক্তি দেবে। জামিনের নথি সোমবার (২২ আগস্ট) পৌঁছালে রাতেই তাকে মুক্তি দেওয়া হতে পারে।


সোমবার (২২ আগস্ট) সন্ধ্যায় জাগো নিউজকে এ তথ্য জানিয়েছেন কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারের ডেপুটি জেলার মুহাম্মদ আব্দুস সেলিম।


তিনি বলেন, উনি (সম্রাট) হাসপাতালে ভর্তি আছেন। জামিনের নথি আদালত থেকে কেরানীগঞ্জ কারাগারে পৌঁছাবে। নথি যাচাই-বাছাই শেষে কারাগার থেকে তা পাঠানো হবে বিএসএমএমইউ হাসপাতালে। এরপর তাকে মুক্তি দেওয়া হবে।


সোমবার আনুমানিক কয়টা নাগাদ সম্রাটের কারামুক্তির এ নথি কারাগারে পৌঁছাতে পারে, এমন প্রশ্নে আব্দুস সেলিম বলেন, সন্ধ্যার মধ্যে নথি পৌঁছালে তা যাচাই-বাছাই করে রাতেই সম্রাটকে মুক্তি দেওয়া হতে পারে।


এদিন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬ এর বিচারক আল আসাদ মো. আসিফুজ্জামান শুনানি শেষে ১০ হাজার টাকা মুচলেকায় সম্রাটের জামিন মঞ্জুর করেছেন। জামিন শর্তে বলা হয়, সম্রাটের পাসপোর্ট আদালতে জমা দিতে হবে এবং বিদেশ যেতে হলে আদালতের অনুমতি নিতে হবে। সম্রাটের বিরুদ্ধে করা চারটি মামলার মধ্যে এর আগে তিন মামলায় জামিনে থাকায় তার মুক্তিতে আর কোনো বাধা নেই। ‘অসুস্থ বিবেচনায়’ আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তার জামিন মঞ্জুর করেন আদালত।


এদিন সকালে দুদকের মামলায় জামিন শুনানি ও চার্জগঠন শুনানির জন্য ধার্য করা দিনে বিএসএসএমইউ হাসপাতাল থেকে সম্রাটকে আদালতে হাজির করা হয়।


গত ২৪ মে আইনজীবীর মাধ্যমে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন সম্রাট। অন্যদিকে দুদকের আইনজীবী তার জামিনের বিরোধিতা করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬ এর বিচারক আল আসাদ মো. আসিফুজ্জামান তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।


সারাদেশে ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান চলাকালে ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর সম্রাট ও তার সহযোগী তৎকালীন যুবলীগ নেতা এনামুল হক ওরফে আরমানকে কুমিল্লা থেকে গ্রেফতার করা হয়।


জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ওই বছরের ১২ নভেম্বর সম্রাটের বিরুদ্ধে দুদকের করা মামলায় দুই কোটি ৯৪ লাখ ৮০ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়। পরের বছর অর্থাৎ ২০২০ সালের ২৬ নভেম্বর এ মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় দুদক। অভিযোগপত্রে সম্রাটের বিরুদ্ধে ২২২ কোটি ৮৮ লাখ ৬২ হাজার ৪৯৩ টাকা জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়।


রমনা থানায় দায়ের করা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় গত ১১ এপ্রিল জামিন পান সম্রাট। এর একদিন আগেই ১০ এপ্রিল অর্থপাচার ও অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইনের পৃথক দুটি মামলায় ঢাকার পৃথক আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন।

শেয়ার করুন