২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, বৃহস্পতিবার, ০৮:৪৯:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ওআইসি সদস্য দেশগুলোর তথ্যমন্ত্রীদের সম্মেলনে যোগ দিতে তুরস্ক পৌঁছেছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী রাজধানীর ঝিলপাড় বস্তিতে আগুন আকাশে শাবান মাসের চাঁদ, ২৫ ফেব্রুয়ারি শবেবরাত রাজশাহীতে তিন সহযোগিসহ ধর্ষ’ক গ্রেপ্তার মা-বাবাকে আর বৃদ্ধাশ্রমে দিতে হবে না: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ফসলি জমির মাটি উত্তোলন, ২ ব্যক্তির ১৫ দিনের কারাদণ্ড,৫০ হাজার টাকা জরিমানা চাটখিল থানার পাশেই, টেক্সটাইলের রং ও ক্যামিকেল দিয়ে তৈরী হচ্ছে জন্মদিনের কেক,নিরব ভুমিকায় উপজেলা প্রশাসন! কমলগঞ্জে রাইস ট্রান্সপ্লান্টারের মাধ্যমে ধানের চারা রোপণ মৌলভীবাজার হাফিজা খাতুন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগীতা ও পুরস্কার বিতরণ জীববৈচিত্র্য ফিরে পাচ্ছে শেরপুরের গারো পাহাড়
আকতার পারভেজকে অনারারি কনসাল করে সন্তুষ্ট মালয়েশিয়া
  • আপডেট করা হয়েছে : ১৯-০৩-২০২৩
আকতার পারভেজকে অনারারি কনসাল করে সন্তুষ্ট মালয়েশিয়া

দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্প গ্রুপ পিএইচপি ফ্যামিলির পরিচালক ও পিএইচপি অটোমোবাইলসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আকতার পারভেজকে ‘অনারারি কনসাল’ হিসেবে নিয়োগ দিতে পেরে মালয়েশিয়া সরকার আনন্দিত। বাংলাদেশে নিযুক্ত মালয়েশিয়ান হাইকমিশনার হাজনা মোহাম্মদ হাশিম এ মন্তব্য করেন। শুক্রবার রাতে নগরীর নাসিরাবাদ হাউজিংয়ের পিএইচপি

ফ্যামিলির চেয়ারম্যান সূফী মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের বাসভবনে আয়োজিত ওয়েলকাম ডিনার অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

মালয়েশিয়ার অনারারি কনসাল হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর প্রথমবারের মতো এ ওয়েলকাম ডিনারের আয়োজন করেন পিএইচপি অটোমোবাইলসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আকতার পারভেজ। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন বাংলাদেশের দায়িত্বপ্রাপ্ত মালেশিয়ার হাইকমিশনার হাজনা মোহাম্মদ হাশিম।

মালেশিয়ার হাইকমিশনার হাজনা মোহাম্মদ হাশিম বলেন, মালয়েশিয়া সবসময় বাংলাদেশের পাশে ছিল, আগামীতেও থাকবে। মোহাম্মদ আকতার পারভেজ বাংলাদেশের একজন সফল ব্যবসায়ী। তিনি বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো অটোমোবাইল ম্যানুফেকচারিং প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন। তার মতো একজন সৎ ও নিষ্ঠাবান ব্যক্তিকে অনারারি কনসাল হিসেবে নিয়োগ দিতে পেরে মালয়েশিয়ার সরকার আনন্দিত। আশা করি, মালয়েশিয়া ও বাংলাদেশের মধ্যে ভবিষ্যৎ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে। আমি তাকে দেখেছি, তিনি খুবই আন্তরিকতার সঙ্গে তার দায়িত্ব পালন করেন। তার দায়িত্ব পালনের জেলাটি (চট্টগ্রাম) বাংলাদেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ অঞ্চলে?র ওপর দেশের অর্থনীতি নির্ভর করে। আশা করছি, তিনি কূটনৈতিক দায়িত্ব পালনে সঠিকভাবে কাজ করবেন। বাংলাদেশের বাজারে প্রোটন গাড়ির বাজারজাতকরণ প্রসঙ্গে মালয়েশিয়ান হাইকমিশনার বলেন, প্রোটন ভালোভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আশা করছি এভাবে মালেশিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে। সর্বশেষে আমি সবাইকে জানাতে চাইÑ মালয়েশিয়ার মেডিক্যাল এখন বেশ উন্নত। হেলথ চেকআপের জন্য আমি সবাইকে আহ্বান করছি।

অনুষ্ঠানে মালয়েশিয়ার অনারারি কনসাল মোহাম্মদ আকতার পারভেজ বলেন, মালয়েশিয়া আমাদের পরম বন্ধু। আমি আশা করি উভয় দেশের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্ক আগামীতে শক্তিশালী হবে এবং মালয়েশিয়ার সঙ্গে আমাদের আর্থ-সামাজিক সম্পর্ক আরও প্রশস্ত হবে। ব্যবসাবাণিজ্য বৃদ্ধি পাবে। আমার আব্বা সূফী মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের আহ্বানে মালেশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদ বাংলাদেশে এসেছিলেন। এর পর মালেশিয়ার সঙ্গে আমাদের সুসম্পর্ক তৈরি হয়। বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো অটোমোবাইল ম্যানুফেকচারিং প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে।

মালয়েশিয়া-বাংলাদেশের সুসম্পর্ক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মালয়েশিয়ান হাইকমিশনার হাজনা মোহাম্মদ হাশিম ঢাকায় অফিস করেন। চট্টগ্রামে খুব অল্পসময়ের জন্য এসে আমাদের ফ্যাক্টরিগুলো পরিদর্শন করেছেন। তিনি অত্যন্ত আন্তরিকতা সঙ্গে আমাদের সময় দিচ্ছেন। এতে উভয় দেশের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্ক আগামীতে শক্তিশালী হবে। মালয়েশিয়ার সঙ্গে আমাদের আর্থ-সামাজিক সম্পর্ক ও ব্যবসা বৃদ্ধি পাবে।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে একটি গান পরিবেশন করে বক্তব্য রাখেন পিএইচপি ফ্যামিলির চেয়ারম্যান সূফী মোহাম্মদ মিজানুর রহমান?। তিনি বলেন, সুখ কেনা যায় না। সুখ মালিকানায় নেওয়া সম্ভবও নয়। মহাকবি গালিব একটি গোলাপ দেখে বলেছিলেনÑ আমি একটা গোলাপ দেখে মুগ্ধ হয়ে গেলাম। তাকে আর পুরো বাগান ঘুরতে হয়নি। আমরা মানবসন্তান হয়ে পৃথিবীতে এসেছি, এটিই সবচেয়ে মূল্যবান। এ জীবনকে উপভোগ করা দরকার। তিনি জীবনের শিক্ষাগ্রহণে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সম্পর্কেন গুরুত্ব তুলে ধরে আব্রাহাম লিংকনের একটি লেখা পাঠ করেন। চিঠিতে আব্রাহাম লিংকন তার সন্তানের মানবিক মূল্যবোধ নিয়ে একজন আদর্শ মানুষ হওয়া প্রসঙ্গে চিঠিতে শিক্ষকের সম্মান ব্যাখ্যা করেন।

সূফী মোহাম্মদ মিজানুর রহমান? বলেন, শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সম্পর্ক যদি শুষ্ক হয়, তা হলে তা শিক্ষার্থীর জন্য যেমন দুর্ভাগ্যের, তেমনি শিক্ষকের জন্যও খুব দুর্ভাগ্যের। এটি যেন কোনোভাবে ব্যবসায়িক না হয়। আমার জীবনে হিংসা করার কিছু নেই। আমি সবার মঙ্গল চাই।

শেয়ার করুন