১০ এপ্রিল ২০২৬, শুক্রবার, ১২:০৫:৫০ পূর্বাহ্ন
রমজানের আগে ডাল-ছোলার দামে স্বস্তি, নির্বাচনী আবহে এখনও জমেনি বেচাকেনা
  • আপডেট করা হয়েছে : ০৮-০২-২০২৬
রমজানের আগে ডাল-ছোলার দামে স্বস্তি, নির্বাচনী আবহে এখনও জমেনি বেচাকেনা

রমজান সামনে রেখে রাজধানীর বাজারে ডাল ও ছোলার দামে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। তবে নির্বাচনী আবহের কারণে এখনও রমজানকেন্দ্রিক কেনাকাটা জমে ওঠেনি বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।




রমজান এলেই ডাল, ছোলা ও বেসনের মতো পণ্যের চাহিদা বাড়ে। প্রতি বছরই এসব পণ্যের দামে ঊর্ধ্বগতির অভিযোগ থাকলেও এবার পরিস্থিতি কিছুটা ভিন্ন। কারওয়ানবাজারের খুচরা বিক্রেতারা জানান, বর্তমানে ভালো মানের ছোলা প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ টাকায়, যা গত বছর একই সময়ে ছিল ১০০ টাকা। একইসঙ্গে কমেছে ছোলার ডালের দাম।



মুগডালের বাজারেও স্বস্তির চিত্র দেখা গেছে। বর্তমানে মুগডাল প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১৪০ টাকায়। গত বছর রমজানের আগে এই ডালের দাম ছিল ১১৫ থেকে ১৬০ টাকা।



দাম কম থাকায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন ক্রেতারা। বাজারে আসা ভোক্তারা বলছেন, বর্তমানে দাম মোটামুটি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। পরিস্থিতি এমন থাকলে এবারের রমজান বাজার ভালো থাকবে বলে তারা আশা করছেন। গতবছর বাজার ছিল লাগামহীন এবং মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে।



ডালের পাশাপাশি ইফতার সামগ্রী তৈরিতে ব্যবহৃত বেসনের দামও কমেছে। বর্তমানে বেসন বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৬০ থেকে ১০০ টাকায়, যেখানে গত বছর এর দাম ছিল ১০০ থেকে ১৬০ টাকা।



ব্যবসায়ীরা জানান, বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকায় দাম নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে চলমান নির্বাচনী পরিস্থিতির কারণে রমজানকেন্দ্রিক কেনাকাটার গতি এখনও বাড়েনি।



কারওয়ানবাজারের বিক্রেতারা জানান, ছোলা, খেসারি, ডাবলি, সয়াবিন তেল ও চিনিসহ রমজানের প্রধান পণ্যের সরবরাহ এবার গত বছরের তুলনায় ভালো এবং দামও কম। কিন্তু ক্রেতার উপস্থিতি কম থাকায় বিক্রি প্রত্যাশা অনুযায়ী হচ্ছে না।



তবে সব পণ্যের দাম কমেনি। বছর ব্যবধানে কিছুটা বেড়েছে মসুর ডালের দাম। গত বছরের ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে মসুর ডাল বিক্রি হয়েছিল ১০৫ থেকে ১৪০ টাকা কেজিতে। বর্তমানে তা বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১৬০ টাকা কেজি দরে।




ডাল ও ছোলার বাজারে আপাতত স্বস্তি থাকলেও রমজান যত ঘনিয়ে আসবে, তখনই দাম ও বেচাকেনার প্রকৃত চিত্র স্পষ্ট হবে বলে মনে করছেন ব্যবসায়ী ও ভোক্তারা।


শেয়ার করুন