বৃষ্টি উপেক্ষা করে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ফুলের মালা পরিয়ে, ফুল ছিটিয়ে ও বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে স্বাগত জানিয়েছেন সিলেটের চা শ্রমিক, দলীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষ।
বুধবার (১৭ জুন) সকালে সিলেট পৌঁছে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের উদ্দেশে রওনা দিলে সড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে তাকে শুভেচ্ছা জানান হাজারো মানুষ। সকাল সাড়ে ১০টায় তারেক রহমান সিলেট এমএজি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। পরে সড়কপথে মৌলভীবাজারের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন। এ সময় বিমানবন্দর সড়কসহ নগরীর বিভিন্ন এলাকায় আগে থেকেই অবস্থান নেন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।
সড়কের দুই পাশে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে থাকা চা শ্রমিকদের অধিকাংশই ছিলেন নারী। তাদের হাতে ছিল ফুলের মালা ও ফুলের পাপড়ি। বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে ও ফুল ছিটিয়ে তারা শুভেচ্ছা জানান তারেক রহমানকে। এ সময় শ্রমিকদের উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো।
ক্কাতুড়া চা-বাগানের শ্রমিক রাজু নামে এক যুবক কালবেলাকে বলেন, দীর্ঘ অনেক বছর পর তারেক রহমানকে সামনে থেকে দেখলাম। কাজ বন্ধ রেখে ফুল নিয়ে দাঁড়িয়ে তাকে আমরা শুভেচ্ছা জানিয়েছি।
একই বাগানের শ্রমিক শ্যামলী রানী কালবেলাকে বলেন, বৃষ্টি উপেক্ষা করে আমরা এসেছি প্রধানমন্ত্রীকে দেখতে। আমরা আশা করছি প্রধানমন্ত্রী আমাদের অভাব-অনটন ও শ্রমিকদের জীবনমান নিয়ে ভাববেন।
চৌকিদেখি এলাকায় অবস্থান নেওয়া আরেক শ্রমিক কল্পনা বলেন, তারেক রহমানকে এক নজর দেখার জন্য সকাল থেকে অপেক্ষা করছি। তিনি আমাদের খোঁজ রাখবেন এটাই আশা।
এদিকে সড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীদের উপস্থিত থাকতে দেখা যায়। সিলেট জেলা যুবদল, মহানগর বিএনপি, দক্ষিণ সুরমা ও ফেঞ্চুগঞ্জ এলাকার নেতাকর্মীরাও বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নেন। বৃষ্টি উপেক্ষা করে সাধারণ মানুষও সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান। জবাবে গাড়ি থেকে হাত নেড়ে তাদের অভিবাদনের জবাব দেন তারেক রহমান।
বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ সিদ্দিকী কালবেলাকে বলেন, দলের প্রধানকে পেয়ে চা শ্রমিক, দলীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। তারা ফুলের মালা পরিয়ে, ফুল ছিটিয়ে ও বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে তাকে স্বাগত জানান।

