১১ অগাস্ট ২০২৬, মঙ্গলবার, ০২:১৫:২৫ অপরাহ্ন
বাবাকে হারিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত নিলেন মেসি
  • আপডেট করা হয়েছে : ১১-০৮-২০২৬
বাবাকে হারিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত নিলেন মেসি

বাবা ও ফুটবল ক্যারিয়ারের দীর্ঘদিনের সঙ্গী হোর্হে মেসির মৃত্যুতে মুষড়ে পড়েছেন লিওনেল মেসি। রোজিওর কাছের শহর পেরেজের এল প্রাদো সমাধিক্ষেত্রে পরিবারকে নিয়ে একটি ব্যক্তিগত অনুষ্ঠান করে শেষ বিদায় জানানো হয় হোর্হেকে। বাবার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া শেষে নতুন সিদ্ধান্ত নিলেন মেসি, যুক্তরাষ্ট্রে ফেরার সময়টা বিলম্বিত করেছেন ইন্টার মায়ামির আর্জেন্টাইন সুপারস্টার। 




যুক্তরাষ্ট্রে ফেরার আগে পরিবারের সঙ্গে একান্তে আরও কিছু সময় কাটানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মেসি। শনিবার রাতে নিজ দেশে ফেরেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক। বাবাকে যেখানে শায়িত করা হয়েছে, সেখানে সারারাত ছিলেন তিনি। রোববার বিকেলে সমাধিক্ষেত্র ছাড়েন ৩৯ বছর বয়সী তারকা। 



কয়েক ঘণ্টা পর মেসি কেন্টাকি প্রদেশের ফুনেস শহরে অবস্থিত সুরক্ষিত আবাসিক কমপ্লেক্সে নিজ বাসায় ফেরেন। আর্জেন্টাইন ওয়েবসাইট ইনফোবে-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ‘দৃশ্যগুলো বেশ অস্বাভাবিক ছিল, তার মতো একজন জনব্যক্তিত্বের সঙ্গে যা যায় না। তার আগমন কিংবা অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার প্রায় কোনো তথ্যই ফাঁস হয়নি। শনিবার দিবাগত রাতে ফোর্ড লডারডেল থেকে চার্টার্ড বিমান নামে ফিশারটনের আইসলাস মালভিনাস এয়ারপোর্টে। সেখান থেকে মেসি তার স্ত্রী আন্তোনেলা রোকুজ্জো ও সন্তানদের নিয়ে সোজা চলে যান পেরেজ সমাধিক্ষেত্রে, সেখানে তার ভাই ও ঘনিষ্ঠজনদের সঙ্গে মিলিত হন।’




অনেকটা গোপনেই হয়ে গেছে হোর্হের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া। অল্প কিছু দর্শক উপস্থিত ছিলেন এবং শিশুরা ভালোবাসার নিদর্শনস্বরূপ কিছু চিহ্ন রেখে গেছে। আর্জেন্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন ফুলের তোড়া পাঠিয়েছিল এবং আর্জেন্টাইন জাতীয় দলের কয়েকজন কোচিং স্টাফ উপস্থিত ছিলেন।


মেসির পরিবারকে নিয়ে যখন কালো এসইউভি সমাধিক্ষেত্রে ঢোকে, তখন দর্শণার্থীদের একজন চিৎকার করে বলতে থাকেন, ‘শক্ত থাকো লিও’। সমাধিক্ষেত্রের পাশের গেটে টানানো ব্যানারেও একই কথা লেখা ছিল। রোজারিওর শীতের রাত সমাধিক্ষেত্রে আরও বেশি নিস্তব্ধতা তৈরি করেছিল। কোনো হইচই নেই, একেবারে শান্তভাবে মেসির বাবাকে শেষ বিদায় জানানো হলো। পুরো শহর অনাকাঙ্ক্ষিত হস্তক্ষেপ না করে আর্জেন্টিনা তারকার পারিবারিক গোপনীয়তার প্রতি সম্মান জানায়।


এল প্রাদো থেকে মেসি তার পরিবারকে নিয়ে যখন বের হন, অনেকেই ধারণা করছিলেন, দুপুরের আগেই হয়তো যুক্তরাষ্ট্রের বিমান ধরবেন তারা। কিন্তু বিমান খালিই উড়াল দেয়। বিকেল তিনটার আগে কেন্টাকির আবাসিক কমপ্লেক্সের সামনে মেসিদের দেখা যায়নি। 



ওইসময় ডজনখানেক সাংবাদিকের আনাগোনা চোখে পড়েছিল। প্রতিবেশীরা জানত, মেসি ও তার পরিবার কোথায় থাকেন। কিন্তু তারাও ওই মুহূর্তে কেউ ছবি তোলার বা গোপনীয়তা লংঘনের চেষ্টা করেননি।


শেয়ার করুন