ইসলামের ইতিহাসে হযরত ইবরাহিম (আ.)-এর মহান ত্যাগের স্মৃতিকে ধারণ করেই পালিত হয় ঈদুল আজহা। মহান আল্লাহর নির্দেশে প্রিয় পুত্র হযরত ইসমাইল (আ.)-কে কোরবানি করার প্রস্তুতি নিয়েছিলেন তিনি। তার সেই আনুগত্য ও আত্মত্যাগের অনন্য দৃষ্টান্তের স্মরণে সামর্থ্যবান মুসলমানরা পশু কোরবানি করে থাকেন।
ঈদের নামাজ শেষে শুরু হয় পশু কোরবানির আনুষ্ঠানিকতা। ধর্মীয় বিধান অনুযায়ী কোরবানির মাংস আত্মীয়-স্বজন, প্রতিবেশী ও অসহায় মানুষের মাঝে বিতরণ করা হয়। এর মাধ্যমে সমাজে সহমর্মিতা, ভ্রাতৃত্ববোধ ও সম্প্রীতির চর্চা আরও জোরদার হয়।
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় নেতারা দেশবাসী এবং বিশ্ব মুসলিম উম্মাহকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তারা ঈদের মূল শিক্ষা ধারণ করে মানবকল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন।
এদিকে ঈদকে ঘিরে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নেওয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা। সিটি কর্পোরেশনগুলো কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালু করেছে।
ত্যাগের মহিমায় উজ্জ্বল এই পবিত্র দিনে ধনী-গরিব ভেদাভেদ ভুলে সবাই যেন আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে পারে— এমন প্রত্যাশাই দেশবাসীর।

