১৩ অগাস্ট ২০২২, শনিবার, ০৮:৩২:৪৫ অপরাহ্ন
মহানগরীতে জন্মদিনে স্কুলছাত্রকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা
  • আপডেট করা হয়েছে : ০৪-০৭-২০২২
মহানগরীতে জন্মদিনে স্কুলছাত্রকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা

রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতাল থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে কুপিয়ে এক স্কুলছাত্রকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। আজ রবিবার রাত ১০টার দিকে রাজশাহী নগরীর হেতেমখাঁ সবজিপাড়া এলাকায় এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

নিহত স্কুলছাত্রের নাম মো. সানি (১৭)। তিনি নগরীর বোয়ালিয়া থানার দড়িখরবোনা এলাকার রফিকুল ইসলাম ওরফে পাখির ছেলে এবং সে এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল। সানি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানায় একটি হত্যামামলা দায়ের করা হয়েছে। গতকাল সোমবার ভোরে নিহত সানির বাবা রাজশাহী পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি রফিকুল ইসলাম ওরফে পাখি বাদি হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার এজাহাওে ৯জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ৯-১০ জনকে আসামি করে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজাহারুল ইসলাম। তবে আসামিদের গ্রেপ্তারের স্বার্থে তিনি তাদের নাম-পরিচয় জানাতে সম্মত হননি।

নিহত সানির বাবা রফিকুল ইসলাম ওরফে পাখি বলেন, রবিবার সানির জন্মদিন ছিল। খেলতে গিয়ে তার এক বন্ধু আহত হয়। তাকে দেখতে সে রামেক হাসপাতালে গেলে হেতেমখাঁ সবজিপাড়া এলাকার বিএনপি নেতা দিতির ছেলে আন্নাফ দলবল নিয়ে সানিকে সেখান থেকে হেতেমখাঁ সবজিপাড়ায় নিয়ে গিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করে রাস্তার পাশে ড্রেনে ফেলে চলে যায়। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে রামেক হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে আমরা হাসপাতালে ছুটে যাই। সেখানে গিয়ে আমরা ছেলেকে মৃত অবস্থায় দেখতে পাই।’

মহানগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কমকর্তা (ওসি) মাজাহারুল ইসলাম বলেন, পূর্বশত্রুতার জের ধরে এ হত্যার ঘটনা ঘটেছে বলে আমরা প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি। এ ঘটনায় নিহত সানির বাবা রফিকুল ইসলাম ওরফে পাখি বাদি হয়ে নয়জনের নাম উল্লেখসহ ৯-১০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। কিন্তু সকালবেলায় নিহতের পরিবারে পক্ষ থেকে হত্যার সঙ্গে জড়িত অভিযুক্তদের ছবিসহ নাম উল্লেখ করে পোস্টার সাঁটানো হয়েছে। এমন কাজ করায় আসামিরা হয়তো ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে যেতে পারে। তারপরও আমরা আসামিদের গ্রেপ্তারের সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। আশা করছি, আইন-শৃক্সক্ষলা বাহিনী দ্রুত হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হবে।’

শেয়ার করুন