২৯ অক্টোবর ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ০৬:৪৪:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
প্রাথমিকের সব পাঠ্যবই সরবরাহ বিষয়ে যে নির্দেশনা দিলেন প্রতিমন্ত্রী
  • আপডেট করা হয়েছে : ২৯-১০-২০২৬
প্রাথমিকের সব পাঠ্যবই সরবরাহ বিষয়ে যে নির্দেশনা দিলেন প্রতিমন্ত্রী

আগামী ৫ নভেম্বরের মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত সব পাঠ্যবই সরবরাহের নির্দেশ দিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। একই সঙ্গে আগামী বছর থেকে পুরোনো মুদ্রণযন্ত্রে বই ছাপালে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে আর কাজ দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন তিনি।



বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাজধানীর মাতুয়াইলে বর্ণমালা প্রেস ও গ্লোবাল প্রিন্টিং ইকুইপমেন্ট পরিদর্শনকালে এ নির্দেশ দেন প্রতিমন্ত্রী। এ সময় তিনি বই মুদ্রণের প্রক্রিয়া, ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি, কাগজের মান ও ছাপার গুণগত মান সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন।


ববি হাজ্জাজ বলেন, পাঠ্যবই মুদ্রণের দায়িত্ব নেওয়ার অর্থ নির্ধারিত মান বজায় রেখে কাজ সম্পন্ন করা। মুদ্রণযন্ত্রের সক্ষমতা বা কারিগরি সীমাবদ্ধতার অজুহাতে বইয়ের মানের সঙ্গে আপস করা যাবে না। কোনো সীমাবদ্ধতা থাকলে দরপত্রে অংশ নেওয়ার আগেই তা বিবেচনায় নিতে হবে। সরকার যে মানের বই সরবরাহের জন্য কাজ দিচ্ছে, তা নিশ্চিত করা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব।


বইয়ের ছাপার মান যাচাইয়ের সময় কয়েকটি বইয়ে রঙের বিন্যাস ও অক্ষর-ছবির অবস্থানসংক্রান্ত অসংগতি দেখতে পান প্রতিমন্ত্রী। এ ধরনের ত্রুটি যেন বেশি সংখ্যক বইয়ে ছড়িয়ে না পড়ে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করেন তিনি। পাশাপাশি মুদ্রণকাজের মান নিয়ন্ত্রণ ও তদারকি জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেন।


প্রতিমন্ত্রী বলেন, শুধু মুদ্রণকাজ শেষ করলেই হবে না, প্রতিটি বই নির্ধারিত মানদণ্ড অনুযায়ী ছাপা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করতে হবে। শিক্ষার্থীদের হাতে মানসম্মত পাঠ্যবই পৌঁছে দেওয়া সরকারের দায়িত্ব। তাই এ ক্ষেত্রে অবহেলা বা নিম্নমানের কাজ গ্রহণযোগ্য নয়।


সংশ্লিষ্ট মুদ্রণপ্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব বই সরবরাহ নিশ্চিত করার পাশাপাশি আগামী বছর থেকে আধুনিক ও উপযুক্ত সক্ষমতাসম্পন্ন মুদ্রণযন্ত্র ব্যবহারের প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দেন ববি হাজ্জাজ।



পরিদর্শনকালে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি), প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট মুদ্রণপ্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।





শেয়ার করুন