০৩ মার্চ ২০২৪, রবিবার, ০২:৫০:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নতুন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের শপথ আজ সন্ধ্যায় বেইলি রোডের আগুনে নিহত বেড়ে ৪৪ ওআইসি সদস্য দেশগুলোর তথ্যমন্ত্রীদের সম্মেলনে যোগ দিতে তুরস্ক পৌঁছেছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী রাজধানীর ঝিলপাড় বস্তিতে আগুন আকাশে শাবান মাসের চাঁদ, ২৫ ফেব্রুয়ারি শবেবরাত রাজশাহীতে তিন সহযোগিসহ ধর্ষ’ক গ্রেপ্তার মা-বাবাকে আর বৃদ্ধাশ্রমে দিতে হবে না: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ফসলি জমির মাটি উত্তোলন, ২ ব্যক্তির ১৫ দিনের কারাদণ্ড,৫০ হাজার টাকা জরিমানা চাটখিল থানার পাশেই, টেক্সটাইলের রং ও ক্যামিকেল দিয়ে তৈরী হচ্ছে জন্মদিনের কেক,নিরব ভুমিকায় উপজেলা প্রশাসন! কমলগঞ্জে রাইস ট্রান্সপ্লান্টারের মাধ্যমে ধানের চারা রোপণ
হোমায়রা হিমুর কথিত প্রেমিক কে এই জিয়াউদ্দিন রাফি?
  • আপডেট করা হয়েছে : ০৩-১১-২০২৩
হোমায়রা হিমুর কথিত প্রেমিক কে এই জিয়াউদ্দিন রাফি?

অভিনেত্রী হোমায়রা হিমু আত্মহত্যা করেছেন, নাকি হত্যার শিকার হয়েছেন এটি নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। এক কথায় মৃত্যুর কারণ এখনো রহস্যাবৃত। সেটি জানা যাবে ময়নাতদন্তের পর। তবে পুলিশ এই অভিনেত্রীর কথিত প্রেমিক মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন রাফিকে (কেউ কেউ বলছেন ওরফে জিয়া) খুঁজছে।


জানা যায়, হিমুকে হাসপাতালে নিয়ে যান রাফি। অভিনেত্রীর মৃত্যুর পরই তিনি হিমুর মোবাইল ফোনসহ পালিয়ে যান। বিবাহিত রাফির সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিল হিমুর। 


উত্তরা জোনের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (এডিসি) মির্জা সালাউদ্দিন বলেন, ‘অভিনেত্রী হিমু ছিলেন ব্রোকেন ফ্যামিলির। তিনি তার এক পালিত ভাইকে নিয়ে উত্তরার ফ্ল্যাটে থাকতেন। তার সঙ্গে এক ছেলের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ওই প্রেমিকের সঙ্গে হিমুর দ্বন্দ্ব হয়েছিল। এর পরই হিমু এ ঘটনা ঘটিয়েছেন। এ ঘটনায় কাউকে আটক বা গ্রেফতার করা হয়নি। দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।’


হিমুর কথিত প্রেমিক রাফি সম্পর্কে এখনো তেমন কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। অভিনেত্রীর সহকর্মীরাও তাকে চেনেন না। কারণ ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে হিমু কাউকে কিছু বলতেন না।


অভিনেত্রীর কাছের সহকর্মী অভিনেতা প্রাণ রায় জানিয়েছেন, তিনি কখনো প্রেমিক রাফির নাম শোনেননি। তা ছাড়া ব্যক্তিগত বিষয় নিয়েও তাদের সঙ্গে আলোচনা হতো না।


জানা গেছে, অনলাইন প্ল্যাটফরম ভিগো লাইভের সাপোর্টার ছিলেন রাফি। হিমুও এর সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, সেখান থেকেই তাদের সম্পর্ক গড়ে উঠতে পারে।


রাফি প্রায়ই হিমুর ফ্ল্যাটে আসা-যাওয়া করতেন। মাঝে মাঝে তারা একসঙ্গে থাকতেন। ঘটনার দিন বিকাল ৩টার দিকে হিমুর বাসায় গিয়েছিলেন রাফি। পরে তাদের মধ্যে কোনো বিষয় নিয়ে দ্বন্দ্ব হয়। তখন হিমুর পালিত ভাই মিহির ওয়াশরুমে গিয়েছিলেন। হিমু ঘরে একাই ছিলেন। এর পর মিহির বের হয়ে দেখেন হিমু ফ্যানের হ্যাঙ্গারের সঙ্গে ঝুলছে। রাফি ও মিহির তখন হিমুকে হাসপাতালে নিয়ে যান।


বৃহস্পতিবার রাজধানীর উত্তরার নিজ ফ্ল্যাটে সিলিংফ্যানের হ্যাঙ্গারে রশি দিয়ে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় ঝুলছিলেন হুমায়রা হিমু। পরে তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।


শেয়ার করুন