পিলখানা হত্যাকাণ্ডের ১৭ বছর আজ। ২০০৯ সালে তৎকালীন বিডিআরের সদর দপ্তরে দুই দিন ধরে চলা বর্বরোচিত এই হত্যাকাণ্ডে জাতি হারায় ৫৭ সেনা কর্মকর্তা। মোট নিহত হন ৭৪ জন। পিলখানার ষড়যন্ত্রমূলক হত্যাকাণ্ডে রচিত হয় নিমর্মতার এক কালো অধ্যায়।
পিলখানা হত্যাকাণ্ডের ১৭ বছর আজ। ২০০৯ সালে তৎকালীন বিডিআরের সদর দপ্তরে দুই দিন ধরে চলা বর্বরোচিত এই হত্যাকাণ্ডে জাতি হারায় ৫৭ সেনা কর্মকর্তা। মোট নিহত হন ৭৪ জন। পিলখানার ষড়যন্ত্রমূলক হত্যাকাণ্ডে রচিত হয় নিমর্মতার এক কালো অধ্যায়।
দিনটি উপলক্ষে আজ ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’ পালিত হচ্ছে। দিবসটি পালন করা হচ্ছে গত বছর থেকে। দিনটি শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের স্মরণ, দোয়া এবং রাষ্ট্রীয় শ্রদ্ধা জানানোর দিন হিসেবে পালন করা হচ্ছে।
জাতীয় শহীদ সেনা দিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মঙ্গলবার এক বাণীতে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেছেন এবং তাদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা ও সংহতি প্রকাশ করেন।
২০০৯ সালের পিলখানা হত্যাকাণ্ডের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আজ (২৫ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় শহীদ সেনা দিবস পালন করা হবে।
জাতীয় শহীদ সেনা দিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মঙ্গলবার এক বাণীতে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেছেন এবং তাদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা ও সংহতি প্রকাশ করেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশের জনগণের কাছে পিলখানায় হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ এখন বোধগম্য।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২৫ ফেব্রুয়ারি, জাতীয় শহীদ সেনা দিবস। ২০০৯ সালের এই দিনে বিডিআর সদর দফতর পিলখানায় সেনা হত্যাযজ্ঞ সংঘটিত হয়েছিল। হত্যাযজ্ঞে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন শহীদ হয়েছিলেন। ২০০৯ সালের পর দিনটি যথাযোগ্য গুরুত্ব সহকারে পালন করা হয়নি। ২০২৪ সালে দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হওয়ার পর থেকে দিনটি ‘শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে পালিত হচ্ছে। আজকের এই বিশেষ দিনে আমরা সেনা হত্যাযজ্ঞে শহীদদের মাগফিরাত কামনা করছি। তাদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সহানুভূতি ও সহমর্মিতা প্রকাশ করছি।
তিনি বলেন, পিলখানায় সংঘটিত সেনা হত্যাকাণ্ডের বিচার চলমান। বিচারাধীন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত কিছু বলার অবকাশ নেই। তবে এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব বিরোধী তৎপরতা বিদ্যমান ছিল- নাগরিক হিসেবে এ বিষয়টি আমাদের উপলব্ধিতে থাকা জরুরি বলে আমি মনে করি। এই হত্যাকাণ্ডের পর নানা রকম মিথ্যা কিংবা অপতথ্য দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা হয়েছিল।
তিনি আরো বলেন, সশস্ত্র বাহিনী একটি স্বাধীন দেশের সম্মান, বীরত্ব এবং গৌরবের প্রতীক। ভবিষ্যতে আর কেউ যাতে সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হতে না পারে, আজ পুনরায় সেই শপথে বলীয়ান হতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘দেশ এবং জনগণের স্বার্থের বিপরীতে যেকোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়াব-এই হোক শহীদ সেনা দিবসের প্রত্যয়।’ বাসস

