ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের ফলে মাত্র কয়েক দিনেই গ্যালন প্রতি জ্বালানির দাম ২০ সেন্ট বা ৭% বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে জ্বালানি তেলের (গ্যাসোলিন) এমন দাম বৃদ্ধি নিয়ে চিন্তিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কারণ হিসেবে ট্রাম্প ইরানের নৌবাহিনীর সক্ষমতা ধ্বংসের কথা ইঙ্গিত করেন।
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) রাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।
ট্রাম্প বলেন, ‘যদি দাম বাড়ে, তবে বাড়বে। এ নিয়ে আমার কোনো উদ্বেগ নেই।’
তিনি বলেন, ‘যুদ্ধ শেষ হলে দাম খুব দ্রুত কমে যাবে। আর যদি দাম বাড়ে, তবে বাড়বে; কিন্তু সামান্য জ্বালানির দাম বাড়ার চেয়ে এই বিষয়টি (যুদ্ধ) অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।’
ট্রাম্প রয়টার্সকে জানিয়েছেন, তিনি বর্তমানে দেশের ‘কৌশলগত পেট্রোলিয়াম রিজার্ভ’ ব্যবহারের কথা ভাবছেন না। লুইজিয়ানা এবং টেক্সাসের ভূগর্ভস্থ লবণের গুহায় সংরক্ষিত এই মজুদটি বিশ্বের বৃহত্তম জরুরি তেলের ভাণ্ডার।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, তিনি নিশ্চিত যে হরমুজ প্রণালী (ইরানের দক্ষিণ উপকূলে অবস্থিত একটি জলপথ যার মধ্য দিয়ে বিশ্বের ২০ শতাংশ তেল পরিবাহিত হয়) উন্মুক্ত থাকবে।
কারণ হিসেবে তিনি দাবি করেন, ইরানের নৌবাহিনী এখন ‘সমুদ্রের তলদেশে’ রয়েছে।
উল্লেখ্য, ট্রাম্পের এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এলো যার মাত্র এক সপ্তাহ আগে তিনি তার ‘স্টেট অফ দ্য ইউনিয়ন’ ভাষণে জ্বালানি তেলের দাম কমার প্রশংসা করেছিলেন।

