৩১ জুলাই ২০২৬, শুক্রবার, ০২:২৩:২২ পূর্বাহ্ন
রাজশাহীতে পুলিশ কমিশনারের নির্দেশে রাতভর অভিযান ৯৩৭ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার-২
রাকিবুল হোসেন শাহীন
  • আপডেট করা হয়েছে : ৩০-০৭-২০২৬
রাজশাহীতে পুলিশ কমিশনারের নির্দেশে রাতভর অভিযান ৯৩৭ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার-২

রাজশাহী মহানগরীতে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির অংশ হিসেবে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের বড় সাফল্য। এয়ারপোর্ট থানার বায়া বাজার পুলিশ ফাঁড়ি ও শাহমখদুম থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে ৯৩৭ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, নগদ ১৯ হাজার টাকা ও ৫টি মোবাইল ফোনসহ ২ জন পেশাদার মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতরা স্বামী-স্ত্রী। গত মঙ্গলবার গভীর রাতে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মহোদয়ের কাছে গোপন তথ্য আসে, নগরীর ভাড়ালীপাড়া এলাকায় একটি বাসায় বিপুল পরিমাণ ইয়াবা মজুদ রয়েছে। তথ্য পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই কমিশনার মহোদয় অভিযানের নির্দেশ দেন এবং পুরো অভিযান নিজে মনিটর করেন। কমিশনার মহোদয়ের বলিষ্ঠ নেতৃত্ব ও তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তের কারণেই এত অল্প সময়ে এই অভিযান সফল হয়েছে বলে মনে করছেন মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা।  

কমিশনারের নির্দেশ পেয়ে বায়া বাজার পুলিশ ফাঁড়ির একটি চৌকস দল শাহমখদুম থানা পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে গতকাল বুধবার দিবাগত রাত পৌনে ৩টার দিকে শাহমখদুম থানার ভাড়ালীপাড়া শহীদ জিয়া পার্কের ১ নম্বর গেটের বিপরীতে আব্দুল কুদ্দুসের বাড়ির তৃতীয় তলায় অভিযান চালায়। সেখান থেকে এয়ারপোর্ট থানার ভোলাবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা মো. আলামিন ইসলাম (৩২) ও তার স্ত্রী মোছা. সানজিদা আক্তার নিশি (২৮) কে আটক করা হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয় তারা। পরে বাসা তল্লাশি করে  ইয়াবা ট্যাবলেট: ৯৩৭ পিস নগদ টাকা: ১৯ হাজার টাকা মোবাইল ফোন: ৫টি। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা জানায়, তারা দীর্ঘদিন ধরে রাজশাহী শহরের বিভিন্ন এলাকায় ইয়াবা বিক্রি করে আসছিল। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়াতে তারা ভাড়া বাসা বদল করত। তদন্তে জানা গেছে, আলামিনের বিরুদ্ধে আগে থেকেই মাদক মামলা চলমান রয়েছে। এ ঘটনায় এয়ারপোর্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের প্রস্তুতি চলছে। এ বিষয়ে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের মুখপাত্র উপ-পুলিশ কমিশনার মো: গাজিউর রহমান, (পিপিএম) বলেন, "মান্যবর পুলিশ কমিশনার মহোদয়ের বলিষ্ঠ নেতৃত্ব, মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি এবং তাৎক্ষণিক দিকনির্দেশনার কারণেই আমরা এই বড় সাফল্য পেয়েছি। তিনি সবসময় মাঠ পর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের উৎসাহ দেন এবং নিজে অভিযান মনিটর করেন। তার দিকনির্দেশনায় রাজশাহী মহানগরীকে একটি নিরাপদ ও মাদকমুক্ত নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে আরএমপি বদ্ধপরিকর। মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে আমাদের এই অভিযান ভবিষ্যতেও আরও জোরদার থাকবে।

শেয়ার করুন