১৩ জানুয়ারী ২০২৬, মঙ্গলবার, ০৮:৫৬:৫০ অপরাহ্ন
ভোটকেন্দ্রে সন্ত্রাস, জাল ভোট ও অস্ত্র প্রদর্শন রোধে ইসির কঠোর নির্দেশ
স্টাফ রিপোর্টার :
  • আপডেট করা হয়েছে : ০৯-০১-২০২৬
ভোটকেন্দ্রে সন্ত্রাস, জাল ভোট ও অস্ত্র প্রদর্শন রোধে ইসির কঠোর নির্দেশ

নির্বাচন কমিশন ভোটকেন্দ্র ও তার আশেপাশে সন্ত্রাসমূলক কার্যকলাপ, জাল ভোট দেওয়া, অস্ত্র প্রদর্শন বা ব্যবহারের মতো বেআইনি কার্যকলাপ কঠোরভাবে প্রতিরোধের নির্দেশ দিয়েছে। একইসঙ্গে প্রার্থী, এজেন্ট ও সমর্থকদের নির্বাচনী কার্যক্রম শান্তিপূর্ণ ও নির্ভেজাল রাখার জন্য এসব বেআইনি কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশন সচিবালয় থেকে জারি করা পরিপত্রে বলা হয়েছে, ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে ক্যানভাস, উচ্ছৃঙ্খল আচরণ, অবৈধ হস্তক্ষেপ, বলপ্রয়োগ, অস্ত্র প্রদর্শন বা ব্যবহার এবং ভোটের গোপনীয়তায় হস্তক্ষেপ বেআইনি। এসবের বিরুদ্ধে নির্বাচনী কর্তৃপক্ষ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। প্রার্থীদেরও এ বিষয়ে সহযোগিতা করতে হবে।

পরিপত্রে আরও বলা হয়েছে, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের পর নির্বাচনী কর্তৃপক্ষ প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের বৈঠকে ডেকে তাদের দায়িত্ব-কর্তব্য, নির্বাচনী আইন ও বিধি মেনে চলা, ব্যয় নির্বাহের তথ্য প্রদান এবং নির্বাচনী সন্ত্রাস, ভীতি প্রদর্শন ও অস্ত্র ব্যবহারের বিষয়ে সর্বাত্মক সহযোগিতা নিশ্চিত করতে হবে।

নির্বাচনী এজেন্ট নিয়োগের বিষয়ে নির্দেশনা অনুযায়ী, একজন প্রার্থী তার নির্বাচনী এলাকার কোনো যোগ্য ভোটারকে এজেন্ট হিসেবে নিয়োগ করতে পারবেন। এজেন্ট নিয়োগের জন্য রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত নোটিশ জমা দিতে হবে, যেখানে এজেন্টের নাম, পিতার নাম, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ও ঠিকানা উল্লেখ থাকতে হবে। প্রার্থী যেকোনো সময় এজেন্টের নিয়োগ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারবেন। এজেন্ট না নিয়োগ করলে প্রার্থী নিজেই নির্বাচনী এজেন্ট হিসেবে গণ্য হবেন।

পোলিং এজেন্ট নিয়োগের জন্য প্রতিটি ভোটকক্ষে একজন করে পোলিং এজেন্ট রাখা যাবে। নিয়োগপত্র প্রিজাইডিং অফিসারের কাছে জমা দিতে হবে। একজন প্রার্থী প্রতিটি ভোটকক্ষে সর্বোচ্চ একজন পোলিং এজেন্ট নিয়োগ করতে পারবেন।

তফসিল অনুযায়ী, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি। এরপর ২১ জানুয়ারি রিটার্নিং কর্মকর্তারা চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ও প্রতীক বরাদ্দ দেবেন। নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি এবং প্রচার চালানো যাবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা পর্যন্ত। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার, সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।

শেয়ার করুন